হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করল মালয়েশিয়া

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৫:১৬ অপরাহ্ন


কুয়ালালামপুর, ১৮ মার্চ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত বাণিজ্য চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিলের ঘোষণা দিয়েছে মালয়েশিয়া। দেশটির বিনিয়োগ, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী দাতুক সেরি জোহারি আব্দুল ঘানি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং মালয়েশিয়ার মধ্যকার পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি বা অ্যাগরিমেন্ট অন রিসিপ্রোকাল ট্রেড বর্তমানে পুরোপুরি অকার্যকর।

এই চুক্তির আর কোনো আইনি বা বাণিজ্যিক ভিত্তি অবশিষ্ট নেই। সিএশিয়া নিউজের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট গত ২০ ফেব্রুয়ারি পারস্পরিক শুল্ক নীতিটি বাতিল করে দেয়। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিম এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

আরও পড়ুন

জাপানের সঙ্গে ২৩টি বড় চুক্তি ও স্মারক সই: ২ লাখ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ

চুক্তির আওতায় মালয়েশিয়া থেকে আমদানিকৃত নির্দিষ্ট কিছু পণ্যের ওপর ১৯ শতাংশ মার্কিন শুল্ক নির্ধারিত ছিল। পাশাপাশি কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত সুবিধাও দেওয়া হয়েছিল এবং এর বিনিময়ে মালয়েশিয়া মার্কিন বাজারে প্রবেশাধিকার ও নীতিগত ছাড় প্রদান করে। মন্ত্রী জোহারি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র যদি কোনো শুল্ক আরোপ করতে চায় তবে তা সুনির্দিষ্ট ও যৌক্তিক কারণের ভিত্তিতে হতে হবে।

বাণিজ্য ঘাটতির অজুহাতে শুল্ক বসাতে হলে মার্কিন সরকারকে সংশ্লিষ্ট শিল্প খাত নির্দিষ্ট করে দিতে হবে। সামগ্রিকভাবে সব পণ্যের ওপর ঢালাওভাবে শুল্ক আরোপ করা যাবে না। বর্তমানে মার্কিন প্রশাসন ১৯৭৪ সালের ট্রেড অ্যাক্টের ১২২ ধারা প্রয়োগ করে ১৫০ দিনের জন্য ১০ শতাংশ অস্থায়ী শুল্ক কার্যকর করেছে। প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, মার্কিন বাজারে মালয়েশিয়ার রপ্তানির পরিমাণ প্রায় ২৩৩ বিলিয়ন রিংগিত।

বাতিল হওয়া চুক্তির কারণে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, ইলেকট্রনিক্স, তেল, গ্যাস, পাম তেল এবং রাবার ভিত্তিক বিভিন্ন পণ্য। মন্ত্রী জোহারি মালয়েশিয়ার রপ্তানিকারকদের সতর্ক করে বলেছেন, আন্তর্জাতিক শ্রম ও পরিবেশগত সব মানদণ্ড কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে যাতে ভবিষ্যতে বাণিজ্যে নতুন কোনো বাধা না আসে। মালয়েশিয়ার এই সিদ্ধান্তকে অন্যান্য দেশের জন্য একটি তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করল মালয়েশিয়া

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করল মালয়েশিয়া

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৫:১৬ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] কুয়ালালামপুর, ১৮ মার্চ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত বাণিজ্য চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিলের ঘোষণা দিয়েছে মালয়েশিয়া। দেশটির বিনিয়োগ, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী দাতুক সেরি জোহারি আব্দুল ঘানি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং মালয়েশিয়ার মধ্যকার পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি বা অ্যাগরিমেন্ট অন রিসিপ্রোকাল ট্রেড বর্তমানে পুরোপুরি অকার্যকর।এই চুক্তির আর কোনো আইনি বা বাণিজ্যিক ভিত্তি অবশিষ্ট নেই। সিএশিয়া নিউজের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট গত ২০ ফেব্রুয়ারি পারস্পরিক শুল্ক নীতিটি বাতিল করে দেয়। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিম এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।চুক্তির আওতায় মালয়েশিয়া থেকে আমদানিকৃত নির্দিষ্ট কিছু পণ্যের ওপর ১৯ শতাংশ মার্কিন শুল্ক নির্ধারিত ছিল। পাশাপাশি কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত সুবিধাও দেওয়া হয়েছিল এবং এর বিনিময়ে মালয়েশিয়া মার্কিন বাজারে প্রবেশাধিকার ও নীতিগত ছাড় প্রদান করে। মন্ত্রী জোহারি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র যদি কোনো শুল্ক আরোপ করতে চায় তবে তা সুনির্দিষ্ট ও যৌক্তিক কারণের ভিত্তিতে হতে হবে।বাণিজ্য ঘাটতির অজুহাতে শুল্ক বসাতে হলে মার্কিন সরকারকে সংশ্লিষ্ট শিল্প খাত নির্দিষ্ট করে দিতে হবে। সামগ্রিকভাবে সব পণ্যের ওপর ঢালাওভাবে শুল্ক আরোপ করা যাবে না। বর্তমানে মার্কিন প্রশাসন ১৯৭৪ সালের ট্রেড অ্যাক্টের ১২২ ধারা প্রয়োগ করে ১৫০ দিনের জন্য ১০ শতাংশ অস্থায়ী শুল্ক কার্যকর করেছে। প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, মার্কিন বাজারে মালয়েশিয়ার রপ্তানির পরিমাণ প্রায় ২৩৩ বিলিয়ন রিংগিত।বাতিল হওয়া চুক্তির কারণে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, ইলেকট্রনিক্স, তেল, গ্যাস, পাম তেল এবং রাবার ভিত্তিক বিভিন্ন পণ্য। মন্ত্রী জোহারি মালয়েশিয়ার রপ্তানিকারকদের সতর্ক করে বলেছেন, আন্তর্জাতিক শ্রম ও পরিবেশগত সব মানদণ্ড কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে যাতে ভবিষ্যতে বাণিজ্যে নতুন কোনো বাধা না আসে। মালয়েশিয়ার এই সিদ্ধান্তকে অন্যান্য দেশের জন্য একটি তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×