হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

বরগুনার অর্ধশত গ্রামে সৌদির সঙ্গে মিল রেখে একদিন আগে ঈদ উদযাপন

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন


বরগুনা, ২০ মার্চ – সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে বরগুনার প্রায় অর্ধশত গ্রামের অন্তত ২০ হাজার মানুষ একদিন আগে ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছেন। শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল সাড়ে আটটায় বরগুনার বেতাগী উপজেলার কাজিরাবাদ ইউনিয়নের মধ্য বকুলতলী গ্রামের মল্লিক বাড়ি জামে মসজিদে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।

বিভিন্ন বয়সের শতাধিক মানুষ এই ঈদের নামাজে অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া বরগুনা সদর উপজেলার পাজরাভাঙ্গা, লাকুরতলা ও গৌরীচন্না, পাথারঘাটা উপজেলার হাতেমপুর, বেতাগী উপজেলার লক্ষ্মীপুরা ও কাজিরাবাদ, বামনা উপজেলার ছোনবুনিয়া, আমতলী উপজেলার গোজখালী এবং তালতলী উপজেলার নিদ্রা এলাকার কয়েকটি গ্রামের মানুষও ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন।

আরও পড়ুন

অবসরোত্তর বিধিনিষেধের অজুহাতে ৬০% অতিরিক্ত ভাতার দাবি বিটিআরসির: তোলপাড় প্রশাসনিক অঙ্গনে

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বরগুনা সদরসহ বিভিন্ন উপজেলার কিছু গ্রামের মানুষ বহু বছর ধরেই সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখেই ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন। একইভাবে তারা ঈদুল আযহাও পালন করেন। এর ধারাবাহিকতায় এবারও বাংলাদেশের একদিন আগে এই গ্রামের মানুষরা ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন। মূলত ধর্মীয় সকল রীতি-রেওয়াজ, নিয়ম-কানুন সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে পালন করা হয়।

কাজিরাবাদ এলাকার মধ্য বকুলতলী গ্রামের বাসিন্দা মো. আব্দুল গণী মল্লিক বলেন, প্রায় ২০০ বছর আগে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া এলাকার মির্জাখিল দরবার শরীফের নির্দেশে চান মিয়া ও কাশেম মৌলভী সাহেব এই এলাকায় এসে ধর্মীয় নিয়ম-কানুন, রীতি-রেওয়াজ প্রচলন করেন। তখন থেকেই আমাদের এলাকায় বাসিন্দারা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখেই ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন। একইভাবে এখানকার মানুষরা ঈদুল আযহাও পালন করেন।

বেতাগী উপজেলার কাজিরাবাদ ইউনিয়নের ঈদ জামাতের ইমাম মো. ফজলুর রহমান বলেন, চট্টগ্রামের সাতকানিয়া থেকেই আমাদের এলাকায় এই ধর্মীয় রীতি চালু হয়েছে। দীর্ঘ বছর ধরে আমরা এভাবেই ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান পালন করে আসছি। আগে লোক সংখ্যা বেশি থাকলেও বর্তমানে কিছুটা কমে গেছে।


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

বরগুনার অর্ধশত গ্রামে সৌদির সঙ্গে মিল রেখে একদিন আগে ঈদ উদযাপন

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

বরগুনার অর্ধশত গ্রামে সৌদির সঙ্গে মিল রেখে একদিন আগে ঈদ উদযাপন

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] বরগুনা, ২০ মার্চ – সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে বরগুনার প্রায় অর্ধশত গ্রামের অন্তত ২০ হাজার মানুষ একদিন আগে ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছেন। শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল সাড়ে আটটায় বরগুনার বেতাগী উপজেলার কাজিরাবাদ ইউনিয়নের মধ্য বকুলতলী গ্রামের মল্লিক বাড়ি জামে মসজিদে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।বিভিন্ন বয়সের শতাধিক মানুষ এই ঈদের নামাজে অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া বরগুনা সদর উপজেলার পাজরাভাঙ্গা, লাকুরতলা ও গৌরীচন্না, পাথারঘাটা উপজেলার হাতেমপুর, বেতাগী উপজেলার লক্ষ্মীপুরা ও কাজিরাবাদ, বামনা উপজেলার ছোনবুনিয়া, আমতলী উপজেলার গোজখালী এবং তালতলী উপজেলার নিদ্রা এলাকার কয়েকটি গ্রামের মানুষও ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বরগুনা সদরসহ বিভিন্ন উপজেলার কিছু গ্রামের মানুষ বহু বছর ধরেই সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখেই ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন। একইভাবে তারা ঈদুল আযহাও পালন করেন। এর ধারাবাহিকতায় এবারও বাংলাদেশের একদিন আগে এই গ্রামের মানুষরা ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন। মূলত ধর্মীয় সকল রীতি-রেওয়াজ, নিয়ম-কানুন সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে পালন করা হয়।কাজিরাবাদ এলাকার মধ্য বকুলতলী গ্রামের বাসিন্দা মো. আব্দুল গণী মল্লিক বলেন, প্রায় ২০০ বছর আগে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া এলাকার মির্জাখিল দরবার শরীফের নির্দেশে চান মিয়া ও কাশেম মৌলভী সাহেব এই এলাকায় এসে ধর্মীয় নিয়ম-কানুন, রীতি-রেওয়াজ প্রচলন করেন। তখন থেকেই আমাদের এলাকায় বাসিন্দারা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখেই ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন। একইভাবে এখানকার মানুষরা ঈদুল আযহাও পালন করেন।বেতাগী উপজেলার কাজিরাবাদ ইউনিয়নের ঈদ জামাতের ইমাম মো. ফজলুর রহমান বলেন, চট্টগ্রামের সাতকানিয়া থেকেই আমাদের এলাকায় এই ধর্মীয় রীতি চালু হয়েছে। দীর্ঘ বছর ধরে আমরা এভাবেই ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান পালন করে আসছি। আগে লোক সংখ্যা বেশি থাকলেও বর্তমানে কিছুটা কমে গেছে। [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×