হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

ইরানের সঙ্গে সংঘাতে ১৬টি সামরিক বিমান হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ০২:৩২ অপরাহ্ন


তেহরান, ২০ মার্চ – ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র অন্তত ১৬টি সামরিক বিমান হারিয়েছে। ব্লুমবার্গের একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী শত্রুপক্ষের গুলিতে ১০টি রিপার স্ট্রাইক ড্রোন বিধ্বস্ত হয়েছে এবং হামলা বা দুর্ঘটনার কারণে আরও প্রায় ছয়টি বিমান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আরও পড়ুন

মিরপুরে টেস্টে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ: ছিটকে গেলেন মুশফিক, অভিষেক হৃদয়ের

সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনাটি ঘটেছে কুয়েতে। সেখানে মার্কিন বাহিনী ভুলবশত নিজেদের গুলিতেই তিনটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করে। একই সঙ্গে মাঝআকাশে জ্বালানি ভরার সময় একটি কেসি-১৩৫ ট্যাংকার ধ্বংস হয়। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ট্যাংকারটির ছয়জন ক্রু সদস্য প্রাণ হারান। এ ছাড়া সৌদি আরবের একটি বিমানঘাঁটিতে পার্ক করে রাখা অবস্থায় ইরানের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আরও পাঁচটি কেসি-১৩৫ বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যমতে এখন পর্যন্ত ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেবল চালকবিহীন রিপার ড্রোনগুলোকেই ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়েছে। আকাশে উড্ডয়নরত অবস্থায় অন্তত নয়টি ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে। জর্ডানের একটি বিমানঘাঁটিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে একটি ড্রোন বিধ্বস্ত হয় এবং অন্য দুটি রিপার ড্রোন দুর্ঘটনার কবলে পড়ে ধ্বংস হয়ে যায়।

মূলত উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নজরদারি চালানোর জন্যই এই ড্রোনগুলো তৈরি করা হয়েছিল। কারণ এগুলোতে কোনো পাইলট থাকে না এবং অন্যান্য যুদ্ধবিমানের তুলনায় এগুলোর পরিচালনা ব্যয় অনেক কম। অন্যদিকে গতকাল বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম অত্যাধুনিক এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ইরানে একটি সামরিক অভিযান শেষ করার পর জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হয়। মধ্যপ্রাচ্যের দায়িত্বে থাকা মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স জানিয়েছেন বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করতে সক্ষম হয়েছে এবং এর পাইলট সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন।

ছোট ও বহনযোগ্য উৎক্ষেপক থেকে ছোড়া এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ২৫ হাজার ফুট উচ্চতা পর্যন্ত নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। রাডার ব্যবস্থা না থাকায় এগুলো ধেয়ে আসার সময় বিমানগুলো কোনো সতর্কবার্তা পায় না। গত বছর ইয়েমেনে চালানো অভিযানের সময়ও এগুলো মার্কিন বিমানবাহিনীর জন্য বড় ধরনের হুমকি তৈরি করেছিল।

২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের লিবিয়ায় সামরিক হস্তক্ষেপের সময় চার মাসে মাত্র তিনটি যুদ্ধকালীন ক্ষতির খবর পাওয়া গিয়েছিল। সেগুলোর মধ্যে একটি ছিল মার্কিন নৌবাহিনীর ড্রোন। রয়্যাল অস্ট্রেলিয়ান এয়ার ফোর্সের সাবেক কর্মকর্তা এবং গ্রিফিথ এশিয়া ইনস্টিটিউটের ভিজিটিং ফেলো পিটার লেটন মনে করেন সামরিক অভিযানের ব্যাপকতা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণেই তুলনামূলকভাবে বেশি ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো আলোচনা করতে রাজি হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করা। তবে তারা তা সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করতে বা আকাশপথে একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়নি।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত তেরোজন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ছয়জন কেসি-১৩৫ বিমান দুর্ঘটনায় এবং সাতজন যুদ্ধের শুরুতে ইরানি হামলায় প্রাণ হারান।

এ এম/ ২০ মার্চ ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

ইরানের সঙ্গে সংঘাতে ১৬টি সামরিক বিমান হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

ইরানের সঙ্গে সংঘাতে ১৬টি সামরিক বিমান হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ০২:৩২ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] তেহরান, ২০ মার্চ – ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র অন্তত ১৬টি সামরিক বিমান হারিয়েছে। ব্লুমবার্গের একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী শত্রুপক্ষের গুলিতে ১০টি রিপার স্ট্রাইক ড্রোন বিধ্বস্ত হয়েছে এবং হামলা বা দুর্ঘটনার কারণে আরও প্রায় ছয়টি বিমান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনাটি ঘটেছে কুয়েতে। সেখানে মার্কিন বাহিনী ভুলবশত নিজেদের গুলিতেই তিনটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করে। একই সঙ্গে মাঝআকাশে জ্বালানি ভরার সময় একটি কেসি-১৩৫ ট্যাংকার ধ্বংস হয়। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ট্যাংকারটির ছয়জন ক্রু সদস্য প্রাণ হারান। এ ছাড়া সৌদি আরবের একটি বিমানঘাঁটিতে পার্ক করে রাখা অবস্থায় ইরানের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আরও পাঁচটি কেসি-১৩৫ বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যমতে এখন পর্যন্ত ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেবল চালকবিহীন রিপার ড্রোনগুলোকেই ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়েছে। আকাশে উড্ডয়নরত অবস্থায় অন্তত নয়টি ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে। জর্ডানের একটি বিমানঘাঁটিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে একটি ড্রোন বিধ্বস্ত হয় এবং অন্য দুটি রিপার ড্রোন দুর্ঘটনার কবলে পড়ে ধ্বংস হয়ে যায়।মূলত উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নজরদারি চালানোর জন্যই এই ড্রোনগুলো তৈরি করা হয়েছিল। কারণ এগুলোতে কোনো পাইলট থাকে না এবং অন্যান্য যুদ্ধবিমানের তুলনায় এগুলোর পরিচালনা ব্যয় অনেক কম। অন্যদিকে গতকাল বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম অত্যাধুনিক এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ইরানে একটি সামরিক অভিযান শেষ করার পর জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হয়। মধ্যপ্রাচ্যের দায়িত্বে থাকা মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স জানিয়েছেন বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করতে সক্ষম হয়েছে এবং এর পাইলট সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন।ছোট ও বহনযোগ্য উৎক্ষেপক থেকে ছোড়া এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ২৫ হাজার ফুট উচ্চতা পর্যন্ত নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। রাডার ব্যবস্থা না থাকায় এগুলো ধেয়ে আসার সময় বিমানগুলো কোনো সতর্কবার্তা পায় না। গত বছর ইয়েমেনে চালানো অভিযানের সময়ও এগুলো মার্কিন বিমানবাহিনীর জন্য বড় ধরনের হুমকি তৈরি করেছিল।২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের লিবিয়ায় সামরিক হস্তক্ষেপের সময় চার মাসে মাত্র তিনটি যুদ্ধকালীন ক্ষতির খবর পাওয়া গিয়েছিল। সেগুলোর মধ্যে একটি ছিল মার্কিন নৌবাহিনীর ড্রোন। রয়্যাল অস্ট্রেলিয়ান এয়ার ফোর্সের সাবেক কর্মকর্তা এবং গ্রিফিথ এশিয়া ইনস্টিটিউটের ভিজিটিং ফেলো পিটার লেটন মনে করেন সামরিক অভিযানের ব্যাপকতা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণেই তুলনামূলকভাবে বেশি ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটছে।মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো আলোচনা করতে রাজি হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করা। তবে তারা তা সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করতে বা আকাশপথে একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়নি।গত ২৮ ফেব্রুয়ারি অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত তেরোজন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ছয়জন কেসি-১৩৫ বিমান দুর্ঘটনায় এবং সাতজন যুদ্ধের শুরুতে ইরানি হামলায় প্রাণ হারান।এ এম/ ২০ মার্চ ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×