হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

বৈশাখের রঙে রাঙায়িত বিন্দির আয়োজন

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬, ০৫:১৭ পূর্বাহ্ন


টরন্টো, ৪ মে – কানাডার বসন্তে এখনও বৈশাখের রেশ রয়ে গেছে। শহরের পথে পথে ফুল ফুটেছে, আর অভিবাসী বাঙালির হৃদয়ে জেগে আছে বাংলা নববর্ষের চিরচেনা আবেগ। সেই উৎসবমুখর আবহেরই এক বর্ণিল প্রকাশ দেখা গেল গতকাল স্কারবোরোর কেনেডি কনভেনশন সেন্টারে। বৈশাখের সাজ, গান, নৃত্য, দেশীয় খাবার এবং শিশু-কিশোরদের উচ্ছ্বাসে পুরো আয়োজনটি হয়ে ওঠে প্রাণের উৎসব। অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল টরন্টোর মেয়র Olivia Chow এর উপস্থিতি। তাঁর আগমন আয়োজনটিকে দিয়েছে বাড়তি মর্যাদা।

আরও পড়ুন

সাগর-রুনি হত্যা মামলা: উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্সকে আরও ৬ মাসের সময় দিলেন হাই কোর্ট

এই আয়োজনটি কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সংগঠনের ব্যানারে নয়। দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের পরিচিত মুখ আলিয়া রহমান বিন্দি ও তাঁর বন্ধুমহল নিজস্ব উদ্যোগে প্রবাসে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের এই ধারাটি ধরে রেখেছেন। আলিয়া রহমান বিন্দি একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক আজিজুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা। পারিবারিক সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার, ব্যক্তিগত নিষ্ঠা এবং বন্ধুমহলের আন্তরিক সহযোগিতায় ঘরোয়া পরিসরে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানটি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বড় হয়েছে, পেয়েছে পরিচিতি, সুনাম ও মানুষের ভালোবাসা। আজ এটি টরন্টোর বাঙালি সমাজে বৈশাখ উদযাপনের একটি প্রিয় আয়োজন হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে।

দুপুর ১২টায় শুরু হয়ে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলে দিনব্যাপী অনুষ্ঠান। নাচ, গান, নাটক, ফ্যাশন শো এবং নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় মঞ্চ ছিল প্রাণময়। এক ঝাঁক শিশু-কিশোর ও তরুণ-তরুণী তাদের পরিবেশনার মধ্য দিয়ে বৈশাখের আবহকে আরও রাঙিয়ে তোলে। হলভর্তি দর্শক গভীর আগ্রহ ও আনন্দ নিয়ে পুরো অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।

আয়োজকরা জানান, মূলত নতুন প্রজন্মকে বাংলা সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত করা এবং তাদের উৎসাহিত করাই এই আয়োজনের প্রধান উদ্দেশ্য। প্রবাসে বেড়ে ওঠা শিশু-কিশোররা যেন গান, নাচ, পোশাক, খাবার ও উৎসবের মধ্য দিয়ে নিজেদের শিকড়কে চিনতে পারে, সেই ভাবনা থেকেই প্রতি বছর এই আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানটির উপস্থাপনায় ছিলেন ববি রব্বানি, মেহেরুন ঝর্ণা ও ফারহানা। তাঁদের সাবলীল উপস্থাপনা পুরো আয়োজনকে প্রাণচঞ্চল রাখে।

এনএন/ ৪ মে ২০২৬




coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

বৈশাখের রঙে রাঙায়িত বিন্দির আয়োজন

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

বৈশাখের রঙে রাঙায়িত বিন্দির আয়োজন

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬, ০৫:১৭ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] টরন্টো, ৪ মে – কানাডার বসন্তে এখনও বৈশাখের রেশ রয়ে গেছে। শহরের পথে পথে ফুল ফুটেছে, আর অভিবাসী বাঙালির হৃদয়ে জেগে আছে বাংলা নববর্ষের চিরচেনা আবেগ। সেই উৎসবমুখর আবহেরই এক বর্ণিল প্রকাশ দেখা গেল গতকাল স্কারবোরোর কেনেডি কনভেনশন সেন্টারে। বৈশাখের সাজ, গান, নৃত্য, দেশীয় খাবার এবং শিশু-কিশোরদের উচ্ছ্বাসে পুরো আয়োজনটি হয়ে ওঠে প্রাণের উৎসব। অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল টরন্টোর মেয়র Olivia Chow এর উপস্থিতি। তাঁর আগমন আয়োজনটিকে দিয়েছে বাড়তি মর্যাদা।এই আয়োজনটি কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সংগঠনের ব্যানারে নয়। দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের পরিচিত মুখ আলিয়া রহমান বিন্দি ও তাঁর বন্ধুমহল নিজস্ব উদ্যোগে প্রবাসে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের এই ধারাটি ধরে রেখেছেন। আলিয়া রহমান বিন্দি একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক আজিজুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা। পারিবারিক সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার, ব্যক্তিগত নিষ্ঠা এবং বন্ধুমহলের আন্তরিক সহযোগিতায় ঘরোয়া পরিসরে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানটি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বড় হয়েছে, পেয়েছে পরিচিতি, সুনাম ও মানুষের ভালোবাসা। আজ এটি টরন্টোর বাঙালি সমাজে বৈশাখ উদযাপনের একটি প্রিয় আয়োজন হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে।দুপুর ১২টায় শুরু হয়ে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলে দিনব্যাপী অনুষ্ঠান। নাচ, গান, নাটক, ফ্যাশন শো এবং নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় মঞ্চ ছিল প্রাণময়। এক ঝাঁক শিশু-কিশোর ও তরুণ-তরুণী তাদের পরিবেশনার মধ্য দিয়ে বৈশাখের আবহকে আরও রাঙিয়ে তোলে। হলভর্তি দর্শক গভীর আগ্রহ ও আনন্দ নিয়ে পুরো অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।আয়োজকরা জানান, মূলত নতুন প্রজন্মকে বাংলা সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত করা এবং তাদের উৎসাহিত করাই এই আয়োজনের প্রধান উদ্দেশ্য। প্রবাসে বেড়ে ওঠা শিশু-কিশোররা যেন গান, নাচ, পোশাক, খাবার ও উৎসবের মধ্য দিয়ে নিজেদের শিকড়কে চিনতে পারে, সেই ভাবনা থেকেই প্রতি বছর এই আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানটির উপস্থাপনায় ছিলেন ববি রব্বানি, মেহেরুন ঝর্ণা ও ফারহানা। তাঁদের সাবলীল উপস্থাপনা পুরো আয়োজনকে প্রাণচঞ্চল রাখে।এনএন/ ৪ মে ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×