নিজের টাকা দিয়ে বাবা কিংবা মায়ের নামে কোরবানি করলে সন্তানের ওপর অর্পিত ওয়াজিব কোরবানি আদায় হবে না। ইসলামি বিধান অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তির ওপর কোরবানি ওয়াজিব হয়ে থাকে, তবে তাকে নিজের পক্ষ থেকেই আলাদাভাবে কোরবানি সম্পন্ন করতে হবে।
জিলহজ মাসের ১০, ১১ ও ১২ তারিখে নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচের অতিরিক্ত নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হলে সেই ব্যক্তির ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব হিসেবে গণ্য হয়।
কানাডার নতুন বাজেটে কার ভাগ্যে কতটা প্রাপ্তি
স্বর্ণের ক্ষেত্রে সাড়ে সাত ভরি অথবা রুপার ক্ষেত্রে সাড়ে ৫২ ভরি বা এর সমমূল্যের মালিকানা থাকলেই এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।
একটি পরিবারে যদি একাধিক সদস্য সামর্থ্যবান হন, তবে প্রত্যেকের পক্ষ থেকে পৃথকভাবে কোরবানি দিতে হবে। বাবা, মা কিংবা সন্তান যদি প্রত্যেকেই আলাদাভাবে নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হন, তবে তিনজনের পক্ষ থেকেই তিনটি কোরবানি করা জরুরি। বাবা সামর্থ্যবান হলে তার নামে, মা সামর্থ্যবান হলে তার নামে এবং সন্তান সামর্থ্যবান হলে সন্তানের নামেই কোরবানি ওয়াজিব হবে।
কোনো একজন সামর্থ্যবান ব্যক্তির কোরবানি অন্যজনের জন্য যথেষ্ট হবে না। একইভাবে স্বামী ও স্ত্রী উভয়েই সচ্ছল হলে তাদের আলাদাভাবে কোরবানি করতে হবে।
এক পরিবারের সাতজন সামর্থ্যবান সদস্য মিলে একটি বড় পশু কোরবানি করলে সবার দায়িত্ব আদায় হয়ে যাবে।
এনএন/ ২৭ মে ২০২৬




মন্তব্য করুন