হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

হতাশা থেকেই ইরানের সাথে চুক্তি করেছেন ট্রাম্প, বললেন মোজতবা খামেনি

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ০৭:১৭ অপরাহ্ন


তেহরান, ১৯ জুন – বিশ্ব রাজনীতিতে এক অবিশ্বাস্য ও ঐতিহাসিক মোড়! দীর্ঘদিনের চরম শত্রু রাষ্ট্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এক চুক্তি। আর এই চুক্তি নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুলেছেন ইরানের নবনির্বাচিত সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। তবে তাঁর প্রথম বক্তব্যেই কোনো নমনীয়তা নেই, বরং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সরাসরি খোঁচা দিয়ে তিনি বলেছেন— কোনো আন্তরিকতা থেকে নয়, বরং চরম ‘হতাশা’ থেকেই ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে এই চুক্তি করতে বাধ্য হয়েছেন।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও ইসরায়েলে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় তাঁর বাবা ও পূর্বসূরি আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। এরপর মার্চ মাসে দেশের দায়িত্ব নিলেও এত দিন মোজতবা খামেনিকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি। দীর্ঘ নীরবতা ভেঙে তাঁর এই প্রথম প্রতিক্রিয়া এখন ওয়াশিংটন থেকে তেল আবিব— সবখানে আলোচনার ঝড় তুলেছে।

আরও পড়ুন

মার্কিন হামলার আশঙ্কায় পারমাণবিক স্থাপনার আশপাশে আয়োডিন ট্যাবলেট বিতরণ করছে ইরান

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা স্পষ্ট করেছেন যে, এই চুক্তির বিষয়ে তাঁর নিজস্ব কিছু ‘ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি’ বা দ্বিমত ছিল। তা সত্ত্বেও তিনি এই চুক্তিতে সবুজ সংকেত দিয়েছেন কেবল একটি কারণে। সেটি হলো— ইরানের বর্তমান প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের দেওয়া বিশেষ আশ্বাস। প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান তাঁকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, এই চুক্তির মাধ্যমে ‘ইরানি জাতির অধিকার সম্পূর্ণ রক্ষা’ করা হবে। তবে নিজের ভিন্ন মতের বিষয়ে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেননি খামেনি।

আমেরিকাকে কড়া বার্তা দিয়ে মোজতবা খামেনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজের হতাশা ঢাকতে এবং রাজনৈতিক সুবিধা পেতে ‘সব ধরনের কৌশল ব্যবহার করে’ এই চুক্তিটি করিয়েছেন। তিনি আরও সতর্ক করে দিয়ে বলেন, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে ভবিষ্যতে যদি সরাসরি কোনো আলোচনা বা বৈঠক হয়ও, তার অর্থ এই নয় যে ইরান মার্কিনদের শত্রুর অবস্থান থেকে মেনে নিয়েছে। অর্থাৎ, টেবিলের আলোচনা চললেও মাঠের লড়াই ও আদর্শিক অবস্থান বদলাচ্ছে না।

খামেনির এই ঝাঁজালো বক্তব্যের সরাসরি কোনো পাল্টা জবাব দেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন তিনি। সেখানে ট্রাম্প লিখেছেন, তিনি আশা করছেন এই চুক্তির পর ইসরায়েল এবং লেবাননের ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর মধ্যকার যুদ্ধসহ মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্রন্টে দ্রুত একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে।


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

আন্তর্জাতিক
Card Image

হতাশা থেকেই ইরানের সাথে চুক্তি করেছেন ট্রাম্প, বললেন মোজতবা খামেনি

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

হতাশা থেকেই ইরানের সাথে চুক্তি করেছেন ট্রাম্প, বললেন মোজতবা খামেনি

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ০৭:১৭ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] তেহরান, ১৯ জুন – বিশ্ব রাজনীতিতে এক অবিশ্বাস্য ও ঐতিহাসিক মোড়! দীর্ঘদিনের চরম শত্রু রাষ্ট্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এক চুক্তি। আর এই চুক্তি নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুলেছেন ইরানের নবনির্বাচিত সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। তবে তাঁর প্রথম বক্তব্যেই কোনো নমনীয়তা নেই, বরং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সরাসরি খোঁচা দিয়ে তিনি বলেছেন— কোনো আন্তরিকতা থেকে নয়, বরং চরম ‘হতাশা’ থেকেই ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে এই চুক্তি করতে বাধ্য হয়েছেন।গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও ইসরায়েলে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় তাঁর বাবা ও পূর্বসূরি আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। এরপর মার্চ মাসে দেশের দায়িত্ব নিলেও এত দিন মোজতবা খামেনিকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি। দীর্ঘ নীরবতা ভেঙে তাঁর এই প্রথম প্রতিক্রিয়া এখন ওয়াশিংটন থেকে তেল আবিব— সবখানে আলোচনার ঝড় তুলেছে।ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা স্পষ্ট করেছেন যে, এই চুক্তির বিষয়ে তাঁর নিজস্ব কিছু ‘ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি’ বা দ্বিমত ছিল। তা সত্ত্বেও তিনি এই চুক্তিতে সবুজ সংকেত দিয়েছেন কেবল একটি কারণে। সেটি হলো— ইরানের বর্তমান প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের দেওয়া বিশেষ আশ্বাস। প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান তাঁকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, এই চুক্তির মাধ্যমে ‘ইরানি জাতির অধিকার সম্পূর্ণ রক্ষা’ করা হবে। তবে নিজের ভিন্ন মতের বিষয়ে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেননি খামেনি।আমেরিকাকে কড়া বার্তা দিয়ে মোজতবা খামেনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজের হতাশা ঢাকতে এবং রাজনৈতিক সুবিধা পেতে ‘সব ধরনের কৌশল ব্যবহার করে’ এই চুক্তিটি করিয়েছেন। তিনি আরও সতর্ক করে দিয়ে বলেন, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে ভবিষ্যতে যদি সরাসরি কোনো আলোচনা বা বৈঠক হয়ও, তার অর্থ এই নয় যে ইরান মার্কিনদের শত্রুর অবস্থান থেকে মেনে নিয়েছে। অর্থাৎ, টেবিলের আলোচনা চললেও মাঠের লড়াই ও আদর্শিক অবস্থান বদলাচ্ছে না।খামেনির এই ঝাঁজালো বক্তব্যের সরাসরি কোনো পাল্টা জবাব দেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন তিনি। সেখানে ট্রাম্প লিখেছেন, তিনি আশা করছেন এই চুক্তির পর ইসরায়েল এবং লেবাননের ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর মধ্যকার যুদ্ধসহ মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্রন্টে দ্রুত একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে। [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×