হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্বামীর হামলায় স্ত্রী-দুই সন্তান নিহত, অভিযুক্ত পলাতক

শহিদুল ইসলাম ::

শহিদুল ইসলাম ::

বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩১ পূর্বাহ্ন

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পারিবারিক বিরোধের জেরে এক ব্যক্তি তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তানকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।এ ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তি ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন।

ক্যাম্প প্রশাসনের সহযোগীয় লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মুজিবুর রহমান জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই ) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উখিয়ার ৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বি-৬ ব্লকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন উখিয়ার ৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বি-৬ ব্লকের বাসিন্দা এথাসমুল হকের স্ত্রী শহীদ নূর (৩৩),তার দুই ছেলে মোহাম্মদ আফসার (৯) ও মোহাম্মদ শামীম (৫)।

আরও পড়ুন

নারায়ণগঞ্জে পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে হাত-পা ভাঙল ও রগ কাটল মাদক কারবারিরা

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদকাসক্ত এথাসমুল হক পারিবারিক বিরোধের জেরে স্ত্রী ও দুই সন্তানের ওপর অতর্কিত হামলা চালান। ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাদের গলাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়।

অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে শহীদ নূর ও ছেলে শামীম ঘটনাস্থলেই মারা যান। গুরুতর আহত আফসারকে স্থানীয় রোহিঙ্গারা দ্রুত ক্যাম্পসংলগ্ন ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ কমিটি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেন।

স্থানীয়দের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে চলা পারিবারিক কলহের জেরেই এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। ঘটনার পর অভিযুক্ত এথাসমুল হক পালিয়ে যান।

এ ব্যাপারে উখিয়ার ৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মাঝি আমির হোসেন তিনজন হত্যাকান্ডের সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি আরো বলেন দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলে আসছি। মাঝে-মধ্যে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হত।ওই রোহিঙ্গা মাদকাসক্ত ছিলেন।ঘটনার পর থেকে সেই পলাতক।

এ ঘটনার পর উখিয়া থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে যান। পরে ক্যাম্প প্রশাসনের সহযোগীয় লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মুজিবুর রহমান বলেন হত্যাকান্ডের ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্বামীর হামলায় স্ত্রী-দুই সন্তান নিহত, অভিযুক্ত পলাতক

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্বামীর হামলায় স্ত্রী-দুই সন্তান নিহত, অভিযুক্ত পলাতক

প্রতিবেদক: শহিদুল ইসলাম :: | প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩১ পূর্বাহ্ন
Print Image
কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পারিবারিক বিরোধের জেরে এক ব্যক্তি তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তানকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।এ ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তি ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন। ক্যাম্প প্রশাসনের সহযোগীয় লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মুজিবুর রহমান জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই ) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উখিয়ার ৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বি-৬ ব্লকে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন উখিয়ার ৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বি-৬ ব্লকের বাসিন্দা এথাসমুল হকের স্ত্রী শহীদ নূর (৩৩),তার দুই ছেলে মোহাম্মদ আফসার (৯) ও মোহাম্মদ শামীম (৫)। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদকাসক্ত এথাসমুল হক পারিবারিক বিরোধের জেরে স্ত্রী ও দুই সন্তানের ওপর অতর্কিত হামলা চালান। ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাদের গলাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে শহীদ নূর ও ছেলে শামীম ঘটনাস্থলেই মারা যান। গুরুতর আহত আফসারকে স্থানীয় রোহিঙ্গারা দ্রুত ক্যাম্পসংলগ্ন ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ কমিটি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে চলা পারিবারিক কলহের জেরেই এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। ঘটনার পর অভিযুক্ত এথাসমুল হক পালিয়ে যান। এ ব্যাপারে উখিয়ার ৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মাঝি আমির হোসেন তিনজন হত্যাকান্ডের সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি আরো বলেন দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলে আসছি। মাঝে-মধ্যে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হত।ওই রোহিঙ্গা মাদকাসক্ত ছিলেন।ঘটনার পর থেকে সেই পলাতক। এ ঘটনার পর উখিয়া থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে যান। পরে ক্যাম্প প্রশাসনের সহযোগীয় লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মুজিবুর রহমান বলেন হত্যাকান্ডের ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×