হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

টানা বৃষ্টি, বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিহত ১৫, ক্ষতিগ্রস্ত ২৬ হাজারের বেশি

শহিদুল ইসলাম ::

শহিদুল ইসলাম ::

বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬, ১০:০১ অপরাহ্ন

কক্সবাজারের উখিয়ার একাধিক রোহিঙ্গা ক্যাম্প গুলোতে টানা ভারী বৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে মানবিক পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। গত শনিবার (৪ জুলাই) রাত থেকে বৃহস্পতিবার(৯জুলাই) দুপুর পর্যন্ত নানা দুর্যোগে ১৫ জন রোহিঙ্গা নিহত হয়।এর মধ্যে ১৮ জন আহত হয়।

এছাড়া ২৬ হাজার ১১৯ জন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। একই সময়ে ৪ হাজার ৩০৭ জনকে নিরাপদ স্থানে সাময়িকভাবে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

রোহিঙ্গা কোঅর্ডিনেশন প্ল্যাটফর্মের (আরসিপি) সর্বশেষ তথ্য এবং জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)-এর বাংলাদেশ প্রতিনিধি ইভো ফ্রেইসেনের বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ক্যাম্পগুলোতে আবহাওয়াজনিত মোট ২৮৬টি ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ৯৫টি ভূমিধস, ১৫৬টি ঝড়ো হাওয়া এবং ২১টি বন্যার ঘটনা রয়েছে।

আরও পড়ুন

টেকনাফে সিএনজির বিশেষ চেম্বার থেকে ১৩ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, চালক আটক

এছাড়া টানা বৃষ্টিতে ২ হাজার ৮০৯টি আশ্রয়কেন্দ্র আংশিক এবং ১৩টি আশ্রয় সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।দুর্যোগের কারণে শিক্ষা কেন্দ্র, স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র, পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন অবকাঠামোসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাও ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে। এতে ক্যাম্পে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের জীবনযাপন আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে।

ইউএনএইচসিআরের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ইভো ফ্রেইসেন বলেন, “টানা ভারী বৃষ্টি ও ভূমিধসের কারণে রোহিঙ্গা শরণার্থীরা আবারও বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়েছে। মানবিক সহায়তা অব্যাহত থাকলেও প্রয়োজন অনেক বেশি। জীবন রক্ষায় জরুরি সহায়তার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি দুর্যোগ-সহনশীল অবকাঠামো গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে।”

এদিকে, মানবিক সংস্থাগুলো বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে উদ্ধার কার্যক্রম, নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর, খাদ্য, চিকিৎসা, আশ্রয় এবং অন্যান্য জরুরি সহায়তা প্রদান অব্যাহত রেখেছে।তবে পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর আগামী শনিবার (১১ জুলাই) পর্যন্ত কক্সবাজারে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে।

ফলে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে নতুন করে ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি বহাল রয়েছে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সতর্কতা জোরদার এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

কক্সবাজার
Card Image

টানা বৃষ্টি, বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিহত ১৫, ক্ষতিগ্রস্ত ২৬ হাজারের বেশি

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

টানা বৃষ্টি, বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিহত ১৫, ক্ষতিগ্রস্ত ২৬ হাজারের বেশি

প্রতিবেদক: শহিদুল ইসলাম :: | প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬, ১০:০১ অপরাহ্ন
Print Image
কক্সবাজারের উখিয়ার একাধিক রোহিঙ্গা ক্যাম্প গুলোতে টানা ভারী বৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে মানবিক পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। গত শনিবার (৪ জুলাই) রাত থেকে বৃহস্পতিবার(৯জুলাই) দুপুর পর্যন্ত নানা দুর্যোগে ১৫ জন রোহিঙ্গা নিহত হয়।এর মধ্যে ১৮ জন আহত হয়। এছাড়া ২৬ হাজার ১১৯ জন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। একই সময়ে ৪ হাজার ৩০৭ জনকে নিরাপদ স্থানে সাময়িকভাবে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। রোহিঙ্গা কোঅর্ডিনেশন প্ল্যাটফর্মের (আরসিপি) সর্বশেষ তথ্য এবং জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)-এর বাংলাদেশ প্রতিনিধি ইভো ফ্রেইসেনের বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ক্যাম্পগুলোতে আবহাওয়াজনিত মোট ২৮৬টি ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ৯৫টি ভূমিধস, ১৫৬টি ঝড়ো হাওয়া এবং ২১টি বন্যার ঘটনা রয়েছে। এছাড়া টানা বৃষ্টিতে ২ হাজার ৮০৯টি আশ্রয়কেন্দ্র আংশিক এবং ১৩টি আশ্রয় সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।দুর্যোগের কারণে শিক্ষা কেন্দ্র, স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র, পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন অবকাঠামোসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাও ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে। এতে ক্যাম্পে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের জীবনযাপন আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে। ইউএনএইচসিআরের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ইভো ফ্রেইসেন বলেন, "টানা ভারী বৃষ্টি ও ভূমিধসের কারণে রোহিঙ্গা শরণার্থীরা আবারও বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়েছে। মানবিক সহায়তা অব্যাহত থাকলেও প্রয়োজন অনেক বেশি। জীবন রক্ষায় জরুরি সহায়তার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি দুর্যোগ-সহনশীল অবকাঠামো গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে।" এদিকে, মানবিক সংস্থাগুলো বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে উদ্ধার কার্যক্রম, নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর, খাদ্য, চিকিৎসা, আশ্রয় এবং অন্যান্য জরুরি সহায়তা প্রদান অব্যাহত রেখেছে।তবে পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর আগামী শনিবার (১১ জুলাই) পর্যন্ত কক্সবাজারে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে। ফলে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে নতুন করে ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি বহাল রয়েছে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সতর্কতা জোরদার এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×