হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

বিজিবির তৎপরতায় আর্মির হাতে আটক ৪৩৪ জন জেলের মধ্যে ৩৪৮ জন ফিরেছেন দেশে

শহিদুল ইসলাম ::

শহিদুল ইসলাম ::

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬, ০৯:০২ অপরাহ্ন
📌 সংক্ষেপ: ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ১৯ আগস্ট পর্যন্ত মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির হাতে ৪৩৪ জন বাংলাদেশি ও এফডিএমএন জেলে আটক হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ৩৪৮ জনকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। এখনো ৮৬ জন…

২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ১৯ আগস্ট পর্যন্ত মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির হাতে ৪৩৪ জন বাংলাদেশি ও এফডিএমএন জেলে আটক হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ৩৪৮ জনকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

এখনো ৮৬ জন জেলে মিয়ানমারে আটক রয়েছেন।বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আটক ৪৩৪ জনের মধ্যে ২২২ জন বাংলাদেশি এবং ২১২ জন এফডিএমএন (জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিক)। দেশে ফেরত আসা ৩৪৮ জনের মধ্যে ১৫৭ জন বাংলাদেশি এবং ১৯১ জন এফডিএমএন।

বিজিবির তথ্য বলছে, এখনো ৮৬ জন জেলে দেশে ফেরেননি। তাঁদের মধ্যে ৬৫ জন বাংলাদেশি ও ২১ জন এফডিএমএন।বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ ও ২০২৬ সালের বিভিন্ন সময়ে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে কয়েকজন বাংলাদেশি জেলে অনিচ্ছাকৃতভাবে মিয়ানমারের জলসীমায় প্রবেশ করেন।

এ সময় তাঁদের আটক করে আরাকান আর্মি। পরে তাঁদের মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সংগঠনটির নিয়ন্ত্রিত এলাকা অথবা কারাগারে রাখা হয়।

আরও পড়ুন

উখিয়ায় মাটির নিচে পুঁতে রাখা অস্ত্র-গুলি উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

আটক জেলেদের দেশে ফিরিয়ে আনতে মানবিক বিবেচনায় বিজিবির পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয়ের মাধ্যমে ধাপে ধাপে তাঁদের দেশে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে।এরই ধারাবাহিকতায় ১৯ আগস্ট ২৪ জন জেলেকে মিয়ানমার থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়।

তাঁদের মধ্যে ১৮ জন বাংলাদেশি ও ৬ জন এফডিএমএন। নাফ নদীর শূন্যরেখায় আরাকান আর্মির কাছ থেকে তাঁদের গ্রহণ করে বিজিবির একটি প্রতিনিধিদল।

পরে তাঁদের টেকনাফ জেটিঘাটে নিয়ে আসা হয়।বিজিবি জানিয়েছে, দেশে ফিরিয়ে আনা জেলেদের পরিচয় যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর তাঁদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

টেকনাফ ব্যাটালিয়নের (২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি দেশের জনগণের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে আসছে। মানবিক সংকট মোকাবিলায় সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে আটক জেলেদের দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।

তিনি বলেন, অবশিষ্ট আটক জেলেদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে বিজিবির প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।বিজিবির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শুরু থেকে এ পর্যন্ত আটক জেলেদের প্রায় ৮০ শতাংশই দেশে ফিরেছেন।

তবে ৮৬ জন এখনো মিয়ানমারে আটক থাকায় তাঁদের পরিবারের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে।

❓ সাধারণ জিজ্ঞাসা

প্রশ্ন: বিজিবির তৎপরতায় আর্মির হাতে আটক ৪৩৪ জন জেলের মধ্যে ৩৪৮ জন ফিরেছেন দেশে সম্পর্কিত তথ্য কী?

উত্তর: ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ১৯ আগস্ট পর্যন্ত মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির হাতে ৪৩৪ জন বাংলাদেশি ও এফডিএমএন জেলে আটক হয়ে। মূল সংবাদ থেকে বিস্তারিত জানুন।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

কক্সবাজার
Card Image

বিজিবির তৎপরতায় আর্মির হাতে আটক ৪৩৪ জন জেলের মধ্যে ৩৪৮ জন ফিরেছেন দেশে

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

বিজিবির তৎপরতায় আর্মির হাতে আটক ৪৩৪ জন জেলের মধ্যে ৩৪৮ জন ফিরেছেন দেশে

প্রতিবেদক: শহিদুল ইসলাম :: | প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬, ০৯:০২ অপরাহ্ন
Print Image
২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ১৯ আগস্ট পর্যন্ত মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির হাতে ৪৩৪ জন বাংলাদেশি ও এফডিএমএন জেলে আটক হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ৩৪৮ জনকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। এখনো ৮৬ জন জেলে মিয়ানমারে আটক রয়েছেন।বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আটক ৪৩৪ জনের মধ্যে ২২২ জন বাংলাদেশি এবং ২১২ জন এফডিএমএন (জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিক)। দেশে ফেরত আসা ৩৪৮ জনের মধ্যে ১৫৭ জন বাংলাদেশি এবং ১৯১ জন এফডিএমএন। বিজিবির তথ্য বলছে, এখনো ৮৬ জন জেলে দেশে ফেরেননি। তাঁদের মধ্যে ৬৫ জন বাংলাদেশি ও ২১ জন এফডিএমএন।বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ ও ২০২৬ সালের বিভিন্ন সময়ে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে কয়েকজন বাংলাদেশি জেলে অনিচ্ছাকৃতভাবে মিয়ানমারের জলসীমায় প্রবেশ করেন। এ সময় তাঁদের আটক করে আরাকান আর্মি। পরে তাঁদের মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সংগঠনটির নিয়ন্ত্রিত এলাকা অথবা কারাগারে রাখা হয়। আটক জেলেদের দেশে ফিরিয়ে আনতে মানবিক বিবেচনায় বিজিবির পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয়ের মাধ্যমে ধাপে ধাপে তাঁদের দেশে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে।এরই ধারাবাহিকতায় ১৯ আগস্ট ২৪ জন জেলেকে মিয়ানমার থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। তাঁদের মধ্যে ১৮ জন বাংলাদেশি ও ৬ জন এফডিএমএন। নাফ নদীর শূন্যরেখায় আরাকান আর্মির কাছ থেকে তাঁদের গ্রহণ করে বিজিবির একটি প্রতিনিধিদল। পরে তাঁদের টেকনাফ জেটিঘাটে নিয়ে আসা হয়।বিজিবি জানিয়েছে, দেশে ফিরিয়ে আনা জেলেদের পরিচয় যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর তাঁদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। টেকনাফ ব্যাটালিয়নের (২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি দেশের জনগণের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে আসছে। মানবিক সংকট মোকাবিলায় সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে আটক জেলেদের দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, অবশিষ্ট আটক জেলেদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে বিজিবির প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।বিজিবির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শুরু থেকে এ পর্যন্ত আটক জেলেদের প্রায় ৮০ শতাংশই দেশে ফিরেছেন। তবে ৮৬ জন এখনো মিয়ানমারে আটক থাকায় তাঁদের পরিবারের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×