হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

কানাডায় গত পাঁচ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় ১৮ বাংলাদেশি নিহত

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শুক্রবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন


টরন্টো, ১৬ ফেব্রুয়ারি – কানাডার অন্টারিওর ডান্ডাস স্ট্রিট সাউথবাউন্ড হাইওয়েতে গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টায় সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। তারা হলেন-শাহরিয়ার খান (২০), এঞ্জেলা বাড়ৈ (২০) ও আরিয়ান দীপ্ত (১৭)। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন সঙ্গীতশিল্পী কুমার বিশ্বজিতের একমাত্র ছেলে নিবিড় কুমার দে (২১)।

এক জরিপে দেখা গেছে, ২০২০ সালে শুধু টরন্টো শহরে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে ৫৫৩ জন। আর গত কয়েক বছরে কানাডায় মারা গেছে ১৮ জন বাংলাদেশি। তাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী।

আরও পড়ুন

কক্সবাজারে কৃষক লীগ নেতা সেলিম রেজা আটক

২০২১ সালের অক্টোবরে নিহত হয় ১৭ বছর বয়সী টরন্টোর বার্চমাউন্ট পার্ক কলেজিয়েট ইনস্টিটিউটের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী নাদিয়া মজুমদার। কানাডাস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রশাসনিক হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার সন্তান নুসরাত জাহান (২৩) সাইকেল চালিয়ে কলেজে যাওয়ার সময় ২০১৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন।

২০১৮ সালের ১ ফেব্রুয়ারি কানাডার ওয়াটারলু বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র মিসকাতুল ইসলাম ক্যাম্পাসে রাস্তায় গাড়ির ধাক্কায় আহত হয়ে পরবর্তীতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হ্যামিলটন জেনারেল হাসপাতালে মারা যান। ২০১৮ সালের ২৪ জুলাই ক্যালগরিতে যুগ্ম সচিব আব্দুল লতিফ খানের কন্যা সামিরা লতিফ লিরা (২৪) মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগামী গাড়ির চাপায় ঘটনাস্থলেই সহপাঠীসহ মারা যান।

২০১৯ সালের ২২ জুন টরন্টোর ডাউন টাউনে রিজেন্ট পার্ক এলাকায় চলন্ত গাড়ির ধাক্কায় নিহত হন মাওলানা মিসবাহ উদ্দিনের স্ত্রী রত্না বেগম। ২০২০ সালের ১০ আগস্ট ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক শেষ করা শাবাব আহমেদ আলভী মন্ট্রিলে বাস দুর্ঘটনায় নিহত হন।

২০২১ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি কানাডার ইউনিভার্সিটি অব ম্যানিটোবার আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী উইনিপেগ থেকে প্রায় ১১৫ কিলোমিটার উত্তরে হাইওয়ে ৭-এ দু’টি গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে তিন বাংলাদেশি আল নোমান আদিত্য, রসুল বাধন ও অরণ্য আজাদ চৌধুরী মৃত্যুবরণ করে। ২০২১ সালের ১৩ মে অটোয়া শহর থেকে টরন্টো ফেরার পথে ৪০১ নম্বর হাইওয়েতে দুর্ঘটনায় নিহত হন ৩ জন। তারা হলো, প্রিমিয়াম সুইটসের পরিচালক মনিরুজ্জামান বিজয়, তার স্ত্রী ও লিয়াকত হোসেন নামে আরও একজন।

শুধু মৃত্যুই নয় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে অনেকেই দুর্বিষহ জীবনযাপন করছে। তাদের মধ্যে অনলাইন পত্রিকা জালালাবাদ বার্তার সম্পাদক এবং সাপ্তাহিক ভোরের আলোর নির্বাহী সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস চৌধুরীর চার বছরের ছেলে রাশিদুল চৌধুরী।

২০১৯ সালের ২৬ মে ভিক্টোরিয়া পার্ক অ্যাভিনিউ এবং আদায়ের রোড এলাকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় মাথায় মারাত্মক আঘাতপ্রাপ্ত হয় রাশিদুল। বর্তমানে সে পঙ্গু হয়ে বিছানায় দিন কাটাচ্ছে।

এন এ/ ১৬ ফেব্রুয়ারী





,

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

অন্যান্য
Card Image

কানাডায় গত পাঁচ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় ১৮ বাংলাদেশি নিহত

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

কানাডায় গত পাঁচ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় ১৮ বাংলাদেশি নিহত

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] টরন্টো, ১৬ ফেব্রুয়ারি – কানাডার অন্টারিওর ডান্ডাস স্ট্রিট সাউথবাউন্ড হাইওয়েতে গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টায় সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। তারা হলেন-শাহরিয়ার খান (২০), এঞ্জেলা বাড়ৈ (২০) ও আরিয়ান দীপ্ত (১৭)। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন সঙ্গীতশিল্পী কুমার বিশ্বজিতের একমাত্র ছেলে নিবিড় কুমার দে (২১)। এক জরিপে দেখা গেছে, ২০২০ সালে শুধু টরন্টো শহরে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে ৫৫৩ জন। আর গত কয়েক বছরে কানাডায় মারা গেছে ১৮ জন বাংলাদেশি। তাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী। ২০২১ সালের অক্টোবরে নিহত হয় ১৭ বছর বয়সী টরন্টোর বার্চমাউন্ট পার্ক কলেজিয়েট ইনস্টিটিউটের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী নাদিয়া মজুমদার। কানাডাস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রশাসনিক হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার সন্তান নুসরাত জাহান (২৩) সাইকেল চালিয়ে কলেজে যাওয়ার সময় ২০১৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন। ২০১৮ সালের ১ ফেব্রুয়ারি কানাডার ওয়াটারলু বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র মিসকাতুল ইসলাম ক্যাম্পাসে রাস্তায় গাড়ির ধাক্কায় আহত হয়ে পরবর্তীতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হ্যামিলটন জেনারেল হাসপাতালে মারা যান। ২০১৮ সালের ২৪ জুলাই ক্যালগরিতে যুগ্ম সচিব আব্দুল লতিফ খানের কন্যা সামিরা লতিফ লিরা (২৪) মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগামী গাড়ির চাপায় ঘটনাস্থলেই সহপাঠীসহ মারা যান। ২০১৯ সালের ২২ জুন টরন্টোর ডাউন টাউনে রিজেন্ট পার্ক এলাকায় চলন্ত গাড়ির ধাক্কায় নিহত হন মাওলানা মিসবাহ উদ্দিনের স্ত্রী রত্না বেগম। ২০২০ সালের ১০ আগস্ট ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক শেষ করা শাবাব আহমেদ আলভী মন্ট্রিলে বাস দুর্ঘটনায় নিহত হন। ২০২১ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি কানাডার ইউনিভার্সিটি অব ম্যানিটোবার আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী উইনিপেগ থেকে প্রায় ১১৫ কিলোমিটার উত্তরে হাইওয়ে ৭-এ দু’টি গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে তিন বাংলাদেশি আল নোমান আদিত্য, রসুল বাধন ও অরণ্য আজাদ চৌধুরী মৃত্যুবরণ করে। ২০২১ সালের ১৩ মে অটোয়া শহর থেকে টরন্টো ফেরার পথে ৪০১ নম্বর হাইওয়েতে দুর্ঘটনায় নিহত হন ৩ জন। তারা হলো, প্রিমিয়াম সুইটসের পরিচালক মনিরুজ্জামান বিজয়, তার স্ত্রী ও লিয়াকত হোসেন নামে আরও একজন। শুধু মৃত্যুই নয় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে অনেকেই দুর্বিষহ জীবনযাপন করছে। তাদের মধ্যে অনলাইন পত্রিকা জালালাবাদ বার্তার সম্পাদক এবং সাপ্তাহিক ভোরের আলোর নির্বাহী সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস চৌধুরীর চার বছরের ছেলে রাশিদুল চৌধুরী। ২০১৯ সালের ২৬ মে ভিক্টোরিয়া পার্ক অ্যাভিনিউ এবং আদায়ের রোড এলাকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় মাথায় মারাত্মক আঘাতপ্রাপ্ত হয় রাশিদুল। বর্তমানে সে পঙ্গু হয়ে বিছানায় দিন কাটাচ্ছে। এন এ/ ১৬ ফেব্রুয়ারী [ad_2] ,

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×