হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

আগামী বাজেটে রেকর্ড ঘাটতির আশঙ্কা, চ্যালেঞ্জের মুখে ইশতেহার বাস্তবায়ন

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬, ১১:৩২ পূর্বাহ্ন


ঢাকা, ৪ মার্চ – নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন, কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ডসহ নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া জনবান্ধব অঙ্গীকার পূরণের কাজ শুরু করেছে সরকার। এসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বিপুল অর্থের প্রয়োজন হলেও ব্যবসা বাণিজ্যে স্থবিরতা এবং রাজস্ব আয়ের শ্লথগতি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আইএমএফের কঠোর শর্ত পূরণের চাপ, যা বাজেট প্রণয়নে সরকারকে এক কঠিন বাস্তবতার মুখে দাঁড় করিয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে প্রত্যাশা ও বাস্তবতার এই টানাপোড়েনে শেষ পর্যন্ত ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অঙ্কের ঘাটতি বাজেট পেশের পথে হাঁটতে যাচ্ছে সরকার।

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী স্পষ্ট করেছেন যে এবারের বাজেট গতানুগতিক হবে না। তিনি জানিয়েছেন এটি হবে জনগণের অংশগ্রহণমূলক এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতকারী। তবে অর্থনীতিবিদরা আশঙ্কা করছেন যে আইএমএফের শর্ত মেনে ভ্যাট বাড়ানো ও ভর্তুকি কমানোর ফলে জনগণের ওপর অতিরিক্ত বোঝা চাপতে পারে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটের আকার আট লাখ ৪৮ হাজার থেকে সাড়ে আট লাখ কোটি টাকার মধ্যে হতে পারে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আকার হতে পারে প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকা।

আরও পড়ুন

শাহজালাল বিমানবন্দরে ভেপ, সিগারেট, স্বর্ণালংকারসহ ৩২ লাখ টাকার পণ্য জব্দ

চলতি অর্থবছরে রাজস্ব ঘাটতি উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। এনবিআরের তথ্যানুযায়ী অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে রাজস্ব ঘাটতি ষাট হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। এর মধ্যেই সরকার আগামী ১০ মার্চ থেকে পরীক্ষামূলকভাবে ফ্যামিলি কার্ড চালুর ঘোষণা দিয়েছে যেখানে কার্ডধারীরা আড়াই হাজার টাকা করে পাবেন। সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন আপাতত থোক বরাদ্দ থেকে এই অর্থ দেওয়া হবে। এছাড়া সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে স্কেল কার্যকরের লক্ষ্যে চলতি বাজেটে বেতন ভাতা খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে।

সিপিডির গবেষণা পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম খান মন্তব্য করেছেন যে বিপুল প্রত্যাশা পূরণ করতে গিয়ে সরকারকে ব্যয় কমানোর সুযোগ নেই, ফলে ঘাটতি মেটাতে ঋণের ওপর নির্ভরতা বাড়বে যা মূল্যস্ফীতি উসকে দিতে পারে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের শর্ত অনুযায়ী ভর্তুকি কমানো ও কর জিডিপি অনুপাত বাড়ানোর চাপ রয়েছে। অন্যদিকে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়া এবং বিনিয়োগে স্থবিরতা অর্থনীতিতে উদ্বেগ তৈরি করেছে। এমন পরিস্থিতিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড প্রাক বাজেট আলোচনা শুরু করেছে এবং বিভিন্ন সংগঠনের কাছ থেকে প্রস্তাব আহ্বান করেছে। অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী কাঠামোগত সংস্কার ও সুশাসন নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন।

এস এম/ ৪ মার্চ ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

আগামী বাজেটে রেকর্ড ঘাটতির আশঙ্কা, চ্যালেঞ্জের মুখে ইশতেহার বাস্তবায়ন

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

আগামী বাজেটে রেকর্ড ঘাটতির আশঙ্কা, চ্যালেঞ্জের মুখে ইশতেহার বাস্তবায়ন

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬, ১১:৩২ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ৪ মার্চ – নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন, কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ডসহ নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া জনবান্ধব অঙ্গীকার পূরণের কাজ শুরু করেছে সরকার। এসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বিপুল অর্থের প্রয়োজন হলেও ব্যবসা বাণিজ্যে স্থবিরতা এবং রাজস্ব আয়ের শ্লথগতি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আইএমএফের কঠোর শর্ত পূরণের চাপ, যা বাজেট প্রণয়নে সরকারকে এক কঠিন বাস্তবতার মুখে দাঁড় করিয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে প্রত্যাশা ও বাস্তবতার এই টানাপোড়েনে শেষ পর্যন্ত ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অঙ্কের ঘাটতি বাজেট পেশের পথে হাঁটতে যাচ্ছে সরকার।অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী স্পষ্ট করেছেন যে এবারের বাজেট গতানুগতিক হবে না। তিনি জানিয়েছেন এটি হবে জনগণের অংশগ্রহণমূলক এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতকারী। তবে অর্থনীতিবিদরা আশঙ্কা করছেন যে আইএমএফের শর্ত মেনে ভ্যাট বাড়ানো ও ভর্তুকি কমানোর ফলে জনগণের ওপর অতিরিক্ত বোঝা চাপতে পারে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটের আকার আট লাখ ৪৮ হাজার থেকে সাড়ে আট লাখ কোটি টাকার মধ্যে হতে পারে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আকার হতে পারে প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকা।চলতি অর্থবছরে রাজস্ব ঘাটতি উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। এনবিআরের তথ্যানুযায়ী অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে রাজস্ব ঘাটতি ষাট হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। এর মধ্যেই সরকার আগামী ১০ মার্চ থেকে পরীক্ষামূলকভাবে ফ্যামিলি কার্ড চালুর ঘোষণা দিয়েছে যেখানে কার্ডধারীরা আড়াই হাজার টাকা করে পাবেন। সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন আপাতত থোক বরাদ্দ থেকে এই অর্থ দেওয়া হবে। এছাড়া সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে স্কেল কার্যকরের লক্ষ্যে চলতি বাজেটে বেতন ভাতা খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে।সিপিডির গবেষণা পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম খান মন্তব্য করেছেন যে বিপুল প্রত্যাশা পূরণ করতে গিয়ে সরকারকে ব্যয় কমানোর সুযোগ নেই, ফলে ঘাটতি মেটাতে ঋণের ওপর নির্ভরতা বাড়বে যা মূল্যস্ফীতি উসকে দিতে পারে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের শর্ত অনুযায়ী ভর্তুকি কমানো ও কর জিডিপি অনুপাত বাড়ানোর চাপ রয়েছে। অন্যদিকে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়া এবং বিনিয়োগে স্থবিরতা অর্থনীতিতে উদ্বেগ তৈরি করেছে। এমন পরিস্থিতিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড প্রাক বাজেট আলোচনা শুরু করেছে এবং বিভিন্ন সংগঠনের কাছ থেকে প্রস্তাব আহ্বান করেছে। অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী কাঠামোগত সংস্কার ও সুশাসন নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন।এস এম/ ৪ মার্চ ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×