ইসলামাবাদ, ২৫ নভেম্বর – তালেবান পাল্টা হামলার হুমকি দেওয়ার পর পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী আফগানিস্তানে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। মঙ্গলবার আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলে পাকিস্তানের হামলায় ১০ জনের প্রাণহানির ঘটনার পর কাবুলের তালেবান সরকার সঠিক সময়ে প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দিয়েছে। এই হুমকির পর পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী প্রতিবেশী দেশটিতে হামলা চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তালেবানের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ বলেছেন, খোস্ত প্রদেশে বিমান হামলায় ৯ শিশু ও এক নারী ‘‘শহীদ’’ হয়েছেন। তিনি এই হামলার জন্য পাকিস্তানি বাহিনীকে দায়ী করে বলেছেন, হামলার লক্ষ্য ছিল এক স্থানীয় বেসামরিক নাগরিকের বাড়ি।
কানাডার নতুন বাজেটে কার ভাগ্যে কতটা প্রাপ্তি
ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির একজন প্রতিবেদক পাকিস্তান সীমান্তের কাছে ওই এলাকায় হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির ধ্বংসস্তূপে হতাহতদের উদ্ধার ও মৃতদের কবর প্রস্তুত করতে দেখেছেন বলে জানিয়েছেন।
আফগানিস্তানের জিগে মুঘলগাই এলাকার বাসিন্দা সাজিদুর রহমান বলেছেন, পাকিস্তান সরকারের প্রতি আমাদের অনুরোধ, সাধারণ মানুষের ওপর বোমা ফেলবেন না। বেসামরিক মানুষ কোনও অপরাধ করেনি।
খোস্ত প্রদেশের গভর্নরের মুখপাত্র মুশতাগফির গুরবুজ বলেছেন, ‘‘এই হামলা বিমান থেকে চালানো হয়েছে, যার মধ্যে ড্রোনও ছিল।’’
তিনি বলেন, আমরা যখনই কোনও হামলা চালাই, তা প্রকাশ্যেই ঘোষণা করা হয়। পাকিস্তান কখনোই বেসামরিক জনগোষ্ঠীর ওপর হামলা করে না। আফগান অন্তর্বর্তী সরকারের অভিযোগ ভিত্তিহীন।
সোমবার পেশোয়ারে পাকিস্তানের আধাসামরিক বাহিনীর সদর দপ্তরে আত্মঘাতী হামলায় তিন কর্মকর্তা নিহত ও ১১ জন আহত হন। এই হামলার পর মঙ্গলবার আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলে বিমান হামলার ঘটনা ঘটেছে। যদিও উভয় হামলার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও গোষ্ঠীই এখন পর্যন্ত দায় স্বীকার করেনি। তবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন চ্যানেল পিটিভি বলেছে, আধাসামরিক বাহিনীর সদরদপ্তরের হামলাকারীরা আফগান নাগরিক।
সূত্র: ঢাকা পোস্ট
এনএন/ ২৫ নভেম্বর ২০২৫




মন্তব্য করুন