হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

ইতা‌লি গমনেচ্ছুদের ফি নিয়ে যা জানাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

সোমবার, ১১ আগস্ট ২০২৫, ০৯:৪৭ অপরাহ্ন


ঢাকা, ১১ আগস্ট – ইতালিতে অভিবাসনের জন্য আগ্রহীদের কেবলমাত্র সরকারি কনস্যুলার ও প্রশাসনিক ফি ছাড়া অন্য কিছু পরিশোধের প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

সোমবার (১১ আগস্ট) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন

শাহজালাল বিমানবন্দরে ভেপ, সিগারেট, স্বর্ণালংকারসহ ৩২ লাখ টাকার পণ্য জব্দ

এ ছাড়াও বিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করে বলা হয়েছে, উল্লেখিত ফি ছাড়া যারা অতিরিক্ত টাকা পরিশোধ করছেন, এই অর্থ ভিসা প্রক্রিয়াকে দুর্নীতির মাধ্যমে প্রভাবিত করতে পারে, যার ফলে তাদের ভিসা বাতিল হতে পারে এমনকি আইনি জটিলতাও দেখা দিতে পারে।

এতে উল্লেখ্য করা হয়, ইতালি সরকার ‘ফ্লুসি ডিক্রি’ কর্মসূচির অধীনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের দেশগুলো থেকে মৌসুমি ও অমৌসুমি খাতে কর্মী নিয়োগ করে থাকে। আট বছর বন্ধ থাকার পর ২০২২ সাল থেকে বাংলাদেশ পুনরায় এ কর্মসূচির আওতায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ইতালিতে নতুন করে মৌসুমি কাজে অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকাস্থ ইতালীয় দূতাবাসে ভিসার জন্য আবেদনকারীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

ইতালীয় দূতাবাসে মুলতবি থাকা নুলা ওস্তা তথা ওয়ার্ক পারমিটগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির বিষয়টি দুই পক্ষই গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছে। এ বছরের মে মাসের প্রথম দিকে ইতালির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাত্তেও পিয়ান্তেদোসির সফরসহ ইতালীয় রাষ্ট্রদূত এবং সফররত ইতালীয় কর্তৃপক্ষের সাথে সকল বৈঠকে বিষয়টি অত্যন্ত জোরালোভাবে উত্থাপন করা হয়েছে। ইতালির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমীমাংসিত ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ার এই দীর্ঘসূত্রিতা নিরসনে তাদের সরকারের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।

এই প্রেক্ষাপটে, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং রোমস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস যথাক্রমে ঢাকাস্থ ইতালির দূতাবাস ও ইতালির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করছে। ফলশ্রুতিতে, ইতালি দূতাবাস ভিসা প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে জনবল বৃদ্ধি করেছে। তবে এক বা একাধিক অসাধু চক্রের মাধ্যমে জাল ওয়ার্ক পারমিট এবং নকল নথিপত্র জমা পড়ায় আবেদনগুলোর যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় দীর্ঘ সময় লাগছে বলে জানা গেছে। ইতোমধ্যে ইতালিতে এ সংক্রান্ত একাধিক ফৌজদারি তদন্তও চলমান রয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ইতালিতে অভিবাসনের জন্য আগ্রহীদের কেবলমাত্র সরকারি কনস্যুলার ও প্রশাসনিক ফি ছাড়া অন্য কিছু পরিশোধের প্রয়োজন নেই। যারা অসাধু ব্যক্তিদের কাছে উল্লিখিত ফি ছাড়াও লাখ লাখ টাকা পরিশোধ করছেন, তাদের জ্ঞাতার্থে জানানো যাচ্ছে যে, এই অর্থ ভিসা প্রক্রিয়াকে দুর্নীতির মাধ্যমে প্রভাবিত করার জন্য ব্যবহৃত হতে পারে, যার ফলে তাদের ভিসা বাতিল হতে পারে। এমনকি আইনি জটিলতাও দেখা দিতে পারে। এর ফলে সঠিক কাগজপত্র জমা দিয়েছেন বা দেবেন এমন আবেদনকারীদের কাগজপত্র বাছাই করতেও দীর্ঘ সময় লাগছে বা লাগতে পারে এবং এর দরুণ ভিসা দিতে বিলম্ব ঘটছে বা ঘটতে পারে।

অন্যদিকে গত ৬ মে বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে অভিবাসন সংক্রান্ত একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর মাধ্যমে বৈধ উপায়ে দক্ষ কর্মী পাঠানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে এবং অনিয়মিত অভিবাসন নিয়ন্ত্রণের পথ সুগম হয়েছে। এই চুক্তি বাংলাদেশ থেকে নিয়মিতভাবে ইতালিতে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক কর্মী পাঠানোর দ্বার উন্মোচন করবে বলে আশা করা যায়।

ইতালিতে কর্মী হিসেবে যেতে আগ্রহী অথবা ইতোমধ্যে নুলাওস্তা প্রাপ্ত প্রার্থীদের উদ্দেশ্যে জানানো যাচ্ছে যে, ভিসা প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপ এবং ইতালি সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য অনুগ্রহপূর্বক ধৈর্যধারণ করা অনিবার্য। এ প্রক্রিয়া একটি স্বতন্ত্র প্রশাসনিক পদ্ধতির মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে, যার প্রতি আমাদের আস্থা রাখা প্রয়োজন।

সূত্র: আরটিভি নিউজ
এনএন/ ১১ আগস্ট ২০২৫

 


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

ইতা‌লি গমনেচ্ছুদের ফি নিয়ে যা জানাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

ইতা‌লি গমনেচ্ছুদের ফি নিয়ে যা জানাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: সোমবার, ১১ আগস্ট ২০২৫, ০৯:৪৭ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ১১ আগস্ট – ইতালিতে অভিবাসনের জন্য আগ্রহীদের কেবলমাত্র সরকারি কনস্যুলার ও প্রশাসনিক ফি ছাড়া অন্য কিছু পরিশোধের প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।সোমবার (১১ আগস্ট) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।এ ছাড়াও বিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করে বলা হয়েছে, উল্লেখিত ফি ছাড়া যারা অতিরিক্ত টাকা পরিশোধ করছেন, এই অর্থ ভিসা প্রক্রিয়াকে দুর্নীতির মাধ্যমে প্রভাবিত করতে পারে, যার ফলে তাদের ভিসা বাতিল হতে পারে এমনকি আইনি জটিলতাও দেখা দিতে পারে।এতে উল্লেখ্য করা হয়, ইতালি সরকার ‘ফ্লুসি ডিক্রি’ কর্মসূচির অধীনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের দেশগুলো থেকে মৌসুমি ও অমৌসুমি খাতে কর্মী নিয়োগ করে থাকে। আট বছর বন্ধ থাকার পর ২০২২ সাল থেকে বাংলাদেশ পুনরায় এ কর্মসূচির আওতায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ইতালিতে নতুন করে মৌসুমি কাজে অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকাস্থ ইতালীয় দূতাবাসে ভিসার জন্য আবেদনকারীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।ইতালীয় দূতাবাসে মুলতবি থাকা নুলা ওস্তা তথা ওয়ার্ক পারমিটগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির বিষয়টি দুই পক্ষই গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছে। এ বছরের মে মাসের প্রথম দিকে ইতালির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাত্তেও পিয়ান্তেদোসির সফরসহ ইতালীয় রাষ্ট্রদূত এবং সফররত ইতালীয় কর্তৃপক্ষের সাথে সকল বৈঠকে বিষয়টি অত্যন্ত জোরালোভাবে উত্থাপন করা হয়েছে। ইতালির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমীমাংসিত ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ার এই দীর্ঘসূত্রিতা নিরসনে তাদের সরকারের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।এই প্রেক্ষাপটে, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং রোমস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস যথাক্রমে ঢাকাস্থ ইতালির দূতাবাস ও ইতালির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করছে। ফলশ্রুতিতে, ইতালি দূতাবাস ভিসা প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে জনবল বৃদ্ধি করেছে। তবে এক বা একাধিক অসাধু চক্রের মাধ্যমে জাল ওয়ার্ক পারমিট এবং নকল নথিপত্র জমা পড়ায় আবেদনগুলোর যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় দীর্ঘ সময় লাগছে বলে জানা গেছে। ইতোমধ্যে ইতালিতে এ সংক্রান্ত একাধিক ফৌজদারি তদন্তও চলমান রয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ইতালিতে অভিবাসনের জন্য আগ্রহীদের কেবলমাত্র সরকারি কনস্যুলার ও প্রশাসনিক ফি ছাড়া অন্য কিছু পরিশোধের প্রয়োজন নেই। যারা অসাধু ব্যক্তিদের কাছে উল্লিখিত ফি ছাড়াও লাখ লাখ টাকা পরিশোধ করছেন, তাদের জ্ঞাতার্থে জানানো যাচ্ছে যে, এই অর্থ ভিসা প্রক্রিয়াকে দুর্নীতির মাধ্যমে প্রভাবিত করার জন্য ব্যবহৃত হতে পারে, যার ফলে তাদের ভিসা বাতিল হতে পারে। এমনকি আইনি জটিলতাও দেখা দিতে পারে। এর ফলে সঠিক কাগজপত্র জমা দিয়েছেন বা দেবেন এমন আবেদনকারীদের কাগজপত্র বাছাই করতেও দীর্ঘ সময় লাগছে বা লাগতে পারে এবং এর দরুণ ভিসা দিতে বিলম্ব ঘটছে বা ঘটতে পারে।অন্যদিকে গত ৬ মে বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে অভিবাসন সংক্রান্ত একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর মাধ্যমে বৈধ উপায়ে দক্ষ কর্মী পাঠানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে এবং অনিয়মিত অভিবাসন নিয়ন্ত্রণের পথ সুগম হয়েছে। এই চুক্তি বাংলাদেশ থেকে নিয়মিতভাবে ইতালিতে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক কর্মী পাঠানোর দ্বার উন্মোচন করবে বলে আশা করা যায়।ইতালিতে কর্মী হিসেবে যেতে আগ্রহী অথবা ইতোমধ্যে নুলাওস্তা প্রাপ্ত প্রার্থীদের উদ্দেশ্যে জানানো যাচ্ছে যে, ভিসা প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপ এবং ইতালি সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য অনুগ্রহপূর্বক ধৈর্যধারণ করা অনিবার্য। এ প্রক্রিয়া একটি স্বতন্ত্র প্রশাসনিক পদ্ধতির মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে, যার প্রতি আমাদের আস্থা রাখা প্রয়োজন।সূত্র: আরটিভি নিউজএনএন/ ১১ আগস্ট ২০২৫  [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×