হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

ইন্দোনেশিয়ায় ভোর পাঁচটায় স্কুল, ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বৃহস্পতিবার, ১৬ মার্চ ২০২৩, ১০:০৭ অপরাহ্ন


জাকার্তা, ১৬ মার্চ – ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলের একটি শহরের কর্তৃপক্ষ দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুলের কার্যক্রম ভোর ৫টা ৩০ মিনিট থেকে চালু করেছে।

এখন সেই শহরে দেখা যায়, কিশোর-কিশোরীরা ভোরে অন্ধকারে চোখে ঘুম নিয়েই স্কুলের দিকে ছুটছে।

আরও পড়ুন

এবার মিরপুরে প্রাইভেটকার লক্ষ্য করে ককটেল বিস্ফোরণ, রাজধানীতে বাড়ছে নিরাপত্তা উদ্বেগ

গার্ডিয়ান এই খবর জানিয়েছে।
পরীক্ষামূলকভাবে ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের রাজধানী কুপাং শহরে ভোরে স্কুল শুরুর কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

এর অংশ হিসেবে ১০টি স্কুলে দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হয় ভোর ৫টা ৩০ মিনিটে।

কর্তৃপক্ষ বলছে, কিশোর-কিশোরীদের নিয়মের মধ্যে আনতে গেল মাসে গভর্নর ভিকটর লাইকোডাট এই কার্যক্রমের ঘোষণা দেন।

অভিভাবকরা বলছেন, কিশোর-কিশোরীরা এত ভোরে ঘুম থেকে উঠে বাড়ি ফিরে ক্লান্ত হয়ে যায়। ইন্দোনেশিয়ায় সাধারণত স্কুলের কার্যক্রম শুরু হয়ে থাকে ৭টা-৮টায়।

১৬ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর মা রাম্বু আটা এএফপিকে বলেন, এটি সত্যিই কঠিন। অন্ধকার থাকতেই তাদের ঘর থেকে বের হতে হয়। আমি এটি মানতে পারি না। অন্ধকার ও নীরব পরিবেশে তাদের নিরাপত্তার কোনো নিশ্চয়তা নেই।

তার মেয়ে ইউরেকাকে ভোর ৪টায় ঘুম থেকে উঠে রেডি হতে হয় এবং মোটরবাইক চালিয়ে স্কুলে যেতে হয়। আটা বলেন, এখন বাড়ি ফিরে সে ক্লান্ত হয়ে যায়। তাড়াতাড়ি সে ঘুমিয়ে পড়ে।

সাধারণত স্কুল ইন্দোনেশিয়ায় শেষ হয় বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে।

নুসা সেন্দানা ইউনিভার্সিটির শিক্ষা বিশেষজ্ঞ মার্সেল রোবট বলেন, শিক্ষার মান উন্নয়নের ক্ষেত্রে এই প্রচেষ্টার কোনো সম্পর্ক নেই।

তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে পরিশ্রম এবং কম শিক্ষার্থীদের বিপদে ঠেলে দিতে পারে। এতে তাদের আচরণে পরিবর্তন হতে পারে।

সূত্র: বাংলানিউজ
আইএ/ ১৬ মার্চ ২০২৩




coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

ইন্দোনেশিয়ায় ভোর পাঁচটায় স্কুল, ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

ইন্দোনেশিয়ায় ভোর পাঁচটায় স্কুল, ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ মার্চ ২০২৩, ১০:০৭ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] জাকার্তা, ১৬ মার্চ – ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলের একটি শহরের কর্তৃপক্ষ দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুলের কার্যক্রম ভোর ৫টা ৩০ মিনিট থেকে চালু করেছে। এখন সেই শহরে দেখা যায়, কিশোর-কিশোরীরা ভোরে অন্ধকারে চোখে ঘুম নিয়েই স্কুলের দিকে ছুটছে। গার্ডিয়ান এই খবর জানিয়েছে।পরীক্ষামূলকভাবে ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের রাজধানী কুপাং শহরে ভোরে স্কুল শুরুর কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ১০টি স্কুলে দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হয় ভোর ৫টা ৩০ মিনিটে। কর্তৃপক্ষ বলছে, কিশোর-কিশোরীদের নিয়মের মধ্যে আনতে গেল মাসে গভর্নর ভিকটর লাইকোডাট এই কার্যক্রমের ঘোষণা দেন। অভিভাবকরা বলছেন, কিশোর-কিশোরীরা এত ভোরে ঘুম থেকে উঠে বাড়ি ফিরে ক্লান্ত হয়ে যায়। ইন্দোনেশিয়ায় সাধারণত স্কুলের কার্যক্রম শুরু হয়ে থাকে ৭টা-৮টায়। ১৬ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর মা রাম্বু আটা এএফপিকে বলেন, এটি সত্যিই কঠিন। অন্ধকার থাকতেই তাদের ঘর থেকে বের হতে হয়। আমি এটি মানতে পারি না। অন্ধকার ও নীরব পরিবেশে তাদের নিরাপত্তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। তার মেয়ে ইউরেকাকে ভোর ৪টায় ঘুম থেকে উঠে রেডি হতে হয় এবং মোটরবাইক চালিয়ে স্কুলে যেতে হয়। আটা বলেন, এখন বাড়ি ফিরে সে ক্লান্ত হয়ে যায়। তাড়াতাড়ি সে ঘুমিয়ে পড়ে। সাধারণত স্কুল ইন্দোনেশিয়ায় শেষ হয় বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে। নুসা সেন্দানা ইউনিভার্সিটির শিক্ষা বিশেষজ্ঞ মার্সেল রোবট বলেন, শিক্ষার মান উন্নয়নের ক্ষেত্রে এই প্রচেষ্টার কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে পরিশ্রম এবং কম শিক্ষার্থীদের বিপদে ঠেলে দিতে পারে। এতে তাদের আচরণে পরিবর্তন হতে পারে। সূত্র: বাংলানিউজআইএ/ ১৬ মার্চ ২০২৩ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×