হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

ইরানের ভূগর্ভস্থ ‘ক্ষেপণাস্ত্র শহর’ এখন ঝুঁকির মুখে, কৌশল বদলাচ্ছে তেহরান

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬, ০৬:০৬ অপরাহ্ন


তেহরান, ৬ মার্চ – শত্রুপক্ষের বিমান হামলা থেকে নিজেদের অস্ত্রাগার রক্ষায় দীর্ঘ এক দশক ধরে অত্যন্ত গোপনে মাটির নিচে বিশাল ‘ক্ষেপণাস্ত্র শহর’ বা আন্ডারগ্রাউন্ড বাংকার তৈরি করেছিল ইরান। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাতের জেরে তেহরানের সেই দীর্ঘমেয়াদী প্রতিরক্ষা কৌশল এখন বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়েছে বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা। সাম্প্রতিক গোয়েন্দা তথ্য ও স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা যাচ্ছে, ইরানের এই সুড়ঙ্গপথের প্রবেশদ্বারগুলোই এখন তাদের জন্য ফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মার্কিন ও ইসরায়েলি ড্রোন এবং যুদ্ধবিমানগুলো এসব সুড়ঙ্গের মুখে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালাচ্ছে। ফলে যখনই কোনো ক্ষেপণাস্ত্রবাহী ট্রাক বা লঞ্চার বাইরে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছে, তখনই আকাশ থেকে হামলা চালিয়ে সেগুলোকে ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া শক্তিশালী মার্কিন বোমারু বিমান থেকে ছোড়া গোলার আঘাতে অনেক সুড়ঙ্গের মুখ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মাটির নিচেই আটকা পড়েছে ইরানের বিশাল অস্ত্রভাণ্ডার।

আরও পড়ুন

টোকিওর মতবিনিময় সভায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার রোডম্যাপ তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, শিরাজ, ইসফাহান, তাবরিজ ও কেরমানশাহের কাছে অবস্থিত বেশ কিছু ভূগর্ভস্থ ঘাঁটি ইতিমধ্যে একাধিকবার হামলার শিকার হয়েছে। গত বছরের মার্চ মাসে ইরান তাদের একটি বিশাল ভূগর্ভস্থ স্থাপনার ভিডিও প্রকাশ করে নিজেদের শক্তির জানান দিলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই কৌশল খুব একটা কাজে আসছে না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুড়ঙ্গের ভেতর থেকে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের কারিগরি জটিলতা এবং এক জায়গায় বড় মজুদ রাখার বিপদ বুঝতে পেরে ইরান এখন তাদের কৌশল পরিবর্তন করছে।

বাংকারগুলো বিমান হামলার সহজ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হওয়ায় ইরান এখন তাদের ট্রাক মাউন্টেড লঞ্চার এবং ক্ষেপণাস্ত্রগুলো খোলা জায়গায় ছড়িয়ে দিচ্ছে, যা আকাশপথে হামলা থেকে বাঁচার একটি মরিয়া চেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে পেন্টাগন ও ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের মতে, গত কয়েক দিনে ইরান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার হার কিছুটা কমেছে। এর কারণ হিসেবে তারা ধারণা করছেন, হয় ইরানি উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, অথবা তেহরান দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের কথা মাথায় রেখে তাদের অবশিষ্ট আড়াই থেকে ছয় হাজার ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ সংরক্ষণ করছে। বর্তমান এই পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ কৌশলে এক নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে।

এস এম/ ৬ মার্চ ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

ইরানের ভূগর্ভস্থ ‘ক্ষেপণাস্ত্র শহর’ এখন ঝুঁকির মুখে, কৌশল বদলাচ্ছে তেহরান

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

ইরানের ভূগর্ভস্থ ‘ক্ষেপণাস্ত্র শহর’ এখন ঝুঁকির মুখে, কৌশল বদলাচ্ছে তেহরান

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬, ০৬:০৬ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] তেহরান, ৬ মার্চ – শত্রুপক্ষের বিমান হামলা থেকে নিজেদের অস্ত্রাগার রক্ষায় দীর্ঘ এক দশক ধরে অত্যন্ত গোপনে মাটির নিচে বিশাল ‘ক্ষেপণাস্ত্র শহর’ বা আন্ডারগ্রাউন্ড বাংকার তৈরি করেছিল ইরান। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাতের জেরে তেহরানের সেই দীর্ঘমেয়াদী প্রতিরক্ষা কৌশল এখন বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়েছে বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা। সাম্প্রতিক গোয়েন্দা তথ্য ও স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা যাচ্ছে, ইরানের এই সুড়ঙ্গপথের প্রবেশদ্বারগুলোই এখন তাদের জন্য ফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে।মার্কিন ও ইসরায়েলি ড্রোন এবং যুদ্ধবিমানগুলো এসব সুড়ঙ্গের মুখে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালাচ্ছে। ফলে যখনই কোনো ক্ষেপণাস্ত্রবাহী ট্রাক বা লঞ্চার বাইরে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছে, তখনই আকাশ থেকে হামলা চালিয়ে সেগুলোকে ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া শক্তিশালী মার্কিন বোমারু বিমান থেকে ছোড়া গোলার আঘাতে অনেক সুড়ঙ্গের মুখ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মাটির নিচেই আটকা পড়েছে ইরানের বিশাল অস্ত্রভাণ্ডার।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, শিরাজ, ইসফাহান, তাবরিজ ও কেরমানশাহের কাছে অবস্থিত বেশ কিছু ভূগর্ভস্থ ঘাঁটি ইতিমধ্যে একাধিকবার হামলার শিকার হয়েছে। গত বছরের মার্চ মাসে ইরান তাদের একটি বিশাল ভূগর্ভস্থ স্থাপনার ভিডিও প্রকাশ করে নিজেদের শক্তির জানান দিলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই কৌশল খুব একটা কাজে আসছে না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুড়ঙ্গের ভেতর থেকে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের কারিগরি জটিলতা এবং এক জায়গায় বড় মজুদ রাখার বিপদ বুঝতে পেরে ইরান এখন তাদের কৌশল পরিবর্তন করছে।বাংকারগুলো বিমান হামলার সহজ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হওয়ায় ইরান এখন তাদের ট্রাক মাউন্টেড লঞ্চার এবং ক্ষেপণাস্ত্রগুলো খোলা জায়গায় ছড়িয়ে দিচ্ছে, যা আকাশপথে হামলা থেকে বাঁচার একটি মরিয়া চেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে পেন্টাগন ও ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের মতে, গত কয়েক দিনে ইরান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার হার কিছুটা কমেছে। এর কারণ হিসেবে তারা ধারণা করছেন, হয় ইরানি উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, অথবা তেহরান দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের কথা মাথায় রেখে তাদের অবশিষ্ট আড়াই থেকে ছয় হাজার ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ সংরক্ষণ করছে। বর্তমান এই পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ কৌশলে এক নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে।এস এম/ ৬ মার্চ ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×