মস্কো, ৪ মার্চ – ইরানের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ আক্রমণের তীব্র সমালোচনা করেছে রাশিয়া ও চীন। মস্কো সাফ জানিয়েছে যে তেহরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছে এমন কোনো প্রমাণ তাদের কাছে নেই।
অন্যদিকে বেইজিং অবিলম্বে এই যৌথ আক্রমণ বন্ধ করার দাবি জানিয়েছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে মঙ্গলবার চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সারকে বলেছেন যে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে আলোচনার ঠিক পরেই এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন সামরিক পদক্ষেপের কারণে আলোচনার প্রক্রিয়াটি ব্যাহত হয়েছে।
অস্কারজয়ী চিলিয়ান চলচ্চিত্র নির্মাতা সেবাস্তিয়ান লেলিও আর নেই
চীন ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো সামরিক হামলার বিরোধিতা করে। ওয়াং ই সতর্ক করে বলেছেন সংঘাতের তীব্রতা ও নিয়ন্ত্রণহীনতা রোধ করতে অবিলম্বে সামরিক অভিযান বন্ধ করা প্রয়োজন। তাঁর মতে শক্তি প্রয়োগ সমস্যার সমাধান করতে পারে না বরং তা নতুন সমস্যা ও দীর্ঘমেয়াদী গুরুতর পরিণতি ডেকে আনে। চীনের অনুরোধে ইরানে অবস্থানরত চীনা কর্মী ও প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী সম্মত হয়েছেন বলে বেইজিং জানিয়েছে।
আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় চীন ইসরায়েলকে সংযত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। এর আগে সোমবার চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরান ওমান ও ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গেও টেলিফোনে কথা বলেছেন। এদিকে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ মঙ্গলবার আমেরিকা ও ইসরায়েলের কড়া সমালোচনা করেছেন।
এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন ইরানের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধ পারমাণবিক বিস্তার রোধের নামে শুরু হলেও এর ফলাফল উল্টো হতে পারে। তাঁর মতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই পদক্ষেপ ইরানকে পারমাণবিক বোমা অর্জনের দিকে ঠেলে দিতে পারে যা আমেরিকানরা এড়াতে চায়।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অভিযোগ করেছে যে এটি একটি সার্বভৌম ও স্বাধীন জাতিসংঘ সদস্য রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পূর্বপরিকল্পিত ও বিনা উসকানিতে সশস্ত্র আগ্রাসন। মস্কো সতর্ক করে বলেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এই অঞ্চলকে মানবিক অর্থনৈতিক এবং সম্ভাব্য তেজস্ক্রিয় বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
এম ম/ ৪ মার্চ ২০২৬




মন্তব্য করুন