জেরুজালেম, ১৭ নভেম্বর – গাজায় ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর হামলায় কমপক্ষে তিন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। রোববার(১৬ নভেম্বর) দক্ষিণ গাজার খান ইউনুসের পূর্বাঞ্চলে ইসরায়েলি বাহিনী বোমা হামলায় ওই তিনজন নিহত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে নাসের মেডিকেল কর্তৃপক্ষ। এছাড়া একই দিনে ইসরায়েল গাজা সিটির জাইতুন এলাকা এবং রাফাহর নিকটবর্তী অঞ্চলেও হামলা চালিয়েছে।
এদিকে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় অস্থায়ী তাবুগুলোতে থাকা হাজারো বাস্তুচ্যুত মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। পাশাপাশি বিদেশি ত্রাণ সাহায্য সরবরাহে ইসরায়েলি বাধার করার কারণে এখনো সংকট আরও তীব্র হয়েছে।
ইসরায়েল নির্বাচনে নেতানিয়াহুর জোট এগিয়ে, জয়ের পেছনে নিজের সমর্থনকে কৃতিত্ব দিলেন ট্রাম্প
গাজা সিটি থেকে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদক ইব্রাহিম আল–খালিলি জানিয়েছেন, ইসরায়েলি সেনারা এখনো তথাকথিত ‘ইয়েলো লাইন’-এর ভেতরের এলাকাগুলোতে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। যুদ্ধবিরতির অংশ হিসেবে এ হলুদ রেখা সেনা প্রত্যাহারের সীমারেখা নির্দেশ করলেও তা বারবার লঙ্ঘন করছে ইসরায়েলি বাহিনী। ইয়েলো লাইনের কাছে বসবাসকারী পরিবারগুলোর জন্য পরিস্থিতি খারাপ থেকে আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী একদিকে ঘরবাড়ি ধ্বংস করছে, অন্যদিকে ভয়-ভীতি ছড়াচ্ছে।
ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য জাতিসংঘের সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ জানিয়েছে, গত দুই বছরের নির্বিচার ইসরায়েলি হামলায় যাদের বাড়ি ধ্বংস হয়েছে এমন ১৩ হাজার পরিবার এখন শীত ও বন্যার কারণে চরম দুর্ভোগের মধ্যে জীবনযাপন করছে।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গাজার ৮০ শতাংশেরও বেশি ভবন ও ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। কিন্তু যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকা সত্ত্বেও ইসরায়েল এখনো গাজায় তাঁবু ও মোবাইল হোম প্রবেশে বাধা দিচ্ছে।




মন্তব্য করুন