হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

ঈদগাঁওতে স্নুইচ গেইট দিয়ে চিংড়ি ঘেরে পানি প্রবেশ ও বাহিরে বাঁধা সৃষ্টির অভিযোগ, লোকসানের মুখে ঘের মালিকরা

আনোয়ার হোছাইন, ঈদগাঁও::

আনোয়ার হোছাইন, ঈদগাঁও::

সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৯:২১ অপরাহ্ন

কক্সবাজারের ঈদগাঁওতে স্নুইচ গেইট দিয়ে চিংড়ি ঘেরে পানি প্রবেশ ও বাহিরে বাঁধা সৃষ্টির কারণে ডজনাধিক ঘের মালিক ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার বলে অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার চিংড়ি জোন খ্যাত উপকূলীয় ইউনিয়ন পোকখালীর গোমাতলী এলাকার মহেশখালী চ্যানেল নদীর বেড়িবাঁধে। পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক জোয়ার ভাটায় পানি প্রবেশ ও বাহিরের সুবিধার্থে নির্মিত ইআইপি টু স্নুইচ গেইটটি (প্রকাশ আবদুল্লাহ খান সুইস গেইট) চিংড়ি ঘেরে নদীর পানি প্রবেশ ও বাহিরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে বছরের পর বছর।

উক্ত স্নুইচ গেইটের বহির্মুখে জাল বসানোতে পানি প্রবেশ ও বাহিরে বিঘ্ন সৃষ্টি অব্যাহত থাকায় এ স্নুইচ গেইটের অধীন চিংড়ি ঘেরের মধ্যে সি বলক, কাটা গুনা, ৯ একর, ৮২ একর , মাঝের ঘোনা, বার ডললাই ঘোনা, কাটাখালী, নবীর ঘোনা, কোনা ঘোনা, ১ হাজার একর চিংড়িঘেরসহ শতশত একর চিংড়ি ঘের ধ্বংসের মুখে পড়েছে । যার কারণে দীর্ঘ কয়েক মৌসুম ধরে ঘের মালিকদের কোটি টাকার লোকসান গুনতে হচ্ছে বলে জানান ঘের মালিক সাবেক ইউপি সদস্য কলিম উল্লাহ ।

তিনি আরো জানান ঘের মালিকদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে চলতি মৌসুমে স্নুইচ গেইট কমিটি এবার স্নুইচ গেইটের বহির্মুখ ইজারা দেননি ঘের মালিকদের ক্ষতির কথা চিন্তা করে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে আবু বকর নামের যে লোকটি স্নুইচ গেইটের বহির্মুখে জাল বসিয়ে আসছিল সে কমিটির নির্দেশের তোয়াক্কা না করে পূর্বেরমত জাল বসানো অব্যাহত রাখাতে জোয়ারের পানির সাথে বিভিন্ন প্রজাতির নদীর মাছের পোনা প্রবেশ ও স্বাভাবিক গতিতে পানি প্রবেশ ও বাহিরে বাঁধা সৃষ্টি অব্যাহত থাকায় এবারও তাদের লোকসানের মুখে পড়তে হচ্ছে।

আরও পড়ুন

কানাডার নতুন বাজেটে কার ভাগ্যে কতটা প্রাপ্তি

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আবু বক্করের সাথে যোগাযোগ করা হলে জাল বসানোর কথা স্বীকার করে বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে উক্ত স্নুইচ গেইটটি দেখভালের বিনিময়ে তিনি ভোগ করে আসছেন। এ মৌসুমে তাকে না দেয়ার কথা বললে তিনি বিপাকে পড়ে বাধ্য হয়ে জাল বসাচ্ছেন এবং তারা অভিযোগ করলে আর বসাবেননা জানান।

স্নুইচ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মেম্বার আবদুল্লাহ খান,এ বছর ঘের মালিকদের অভিযোগ ও লোকসানের কথা চিন্তা করে আবু বকরকে জাল না বসাতে বলা হয়েছে । তারপরও জাল বসিয়ে ঘের মালিকদের বিঘ্ন সৃষ্টির অভিযোগ পেয়েছেন জানান।

ক্ষতিগ্রস্ত ঘের মালিকরা অবিলম্বে এ জাল বসানো বন্ধ করে সহজেই পানি প্রবেশ ও বাহিরের ব্যবস্থা নিতে স্নুইচ গেইট কমিটি ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

ঈদগাঁওতে স্নুইচ গেইট দিয়ে চিংড়ি ঘেরে পানি প্রবেশ ও বাহিরে বাঁধা সৃষ্টির অভিযোগ, লোকসানের মুখে ঘের মালিকরা

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

ঈদগাঁওতে স্নুইচ গেইট দিয়ে চিংড়ি ঘেরে পানি প্রবেশ ও বাহিরে বাঁধা সৃষ্টির অভিযোগ, লোকসানের মুখে ঘের মালিকরা

প্রতিবেদক: আনোয়ার হোছাইন, ঈদগাঁও:: | প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৯:২১ অপরাহ্ন
Print Image
কক্সবাজারের ঈদগাঁওতে স্নুইচ গেইট দিয়ে চিংড়ি ঘেরে পানি প্রবেশ ও বাহিরে বাঁধা সৃষ্টির কারণে ডজনাধিক ঘের মালিক ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার চিংড়ি জোন খ্যাত উপকূলীয় ইউনিয়ন পোকখালীর গোমাতলী এলাকার মহেশখালী চ্যানেল নদীর বেড়িবাঁধে। পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক জোয়ার ভাটায় পানি প্রবেশ ও বাহিরের সুবিধার্থে নির্মিত ইআইপি টু স্নুইচ গেইটটি (প্রকাশ আবদুল্লাহ খান সুইস গেইট) চিংড়ি ঘেরে নদীর পানি প্রবেশ ও বাহিরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে বছরের পর বছর। উক্ত স্নুইচ গেইটের বহির্মুখে জাল বসানোতে পানি প্রবেশ ও বাহিরে বিঘ্ন সৃষ্টি অব্যাহত থাকায় এ স্নুইচ গেইটের অধীন চিংড়ি ঘেরের মধ্যে সি বলক, কাটা গুনা, ৯ একর, ৮২ একর , মাঝের ঘোনা, বার ডললাই ঘোনা, কাটাখালী, নবীর ঘোনা, কোনা ঘোনা, ১ হাজার একর চিংড়িঘেরসহ শতশত একর চিংড়ি ঘের ধ্বংসের মুখে পড়েছে । যার কারণে দীর্ঘ কয়েক মৌসুম ধরে ঘের মালিকদের কোটি টাকার লোকসান গুনতে হচ্ছে বলে জানান ঘের মালিক সাবেক ইউপি সদস্য কলিম উল্লাহ । তিনি আরো জানান ঘের মালিকদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে চলতি মৌসুমে স্নুইচ গেইট কমিটি এবার স্নুইচ গেইটের বহির্মুখ ইজারা দেননি ঘের মালিকদের ক্ষতির কথা চিন্তা করে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে আবু বকর নামের যে লোকটি স্নুইচ গেইটের বহির্মুখে জাল বসিয়ে আসছিল সে কমিটির নির্দেশের তোয়াক্কা না করে পূর্বেরমত জাল বসানো অব্যাহত রাখাতে জোয়ারের পানির সাথে বিভিন্ন প্রজাতির নদীর মাছের পোনা প্রবেশ ও স্বাভাবিক গতিতে পানি প্রবেশ ও বাহিরে বাঁধা সৃষ্টি অব্যাহত থাকায় এবারও তাদের লোকসানের মুখে পড়তে হচ্ছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত আবু বক্করের সাথে যোগাযোগ করা হলে জাল বসানোর কথা স্বীকার করে বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে উক্ত স্নুইচ গেইটটি দেখভালের বিনিময়ে তিনি ভোগ করে আসছেন। এ মৌসুমে তাকে না দেয়ার কথা বললে তিনি বিপাকে পড়ে বাধ্য হয়ে জাল বসাচ্ছেন এবং তারা অভিযোগ করলে আর বসাবেননা জানান। স্নুইচ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মেম্বার আবদুল্লাহ খান,এ বছর ঘের মালিকদের অভিযোগ ও লোকসানের কথা চিন্তা করে আবু বকরকে জাল না বসাতে বলা হয়েছে । তারপরও জাল বসিয়ে ঘের মালিকদের বিঘ্ন সৃষ্টির অভিযোগ পেয়েছেন জানান। ক্ষতিগ্রস্ত ঘের মালিকরা অবিলম্বে এ জাল বসানো বন্ধ করে সহজেই পানি প্রবেশ ও বাহিরের ব্যবস্থা নিতে স্নুইচ গেইট কমিটি ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×