কুয়াকাটা, ১৬ মার্চ – সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের মনোরম দৃশ্য উপভোগের স্থান সাগরকন্যা খ্যাত কুয়াকাটা সৈকত পর্যটকদের বরণে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। দীর্ঘ এক মাসের রমজানের নীরবতা কাটিয়ে ঈদের লম্বা ছুটিতে বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থীর আগমনের প্রত্যাশা করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। পর্যটকদের জন্য হোটেল ও মোটেলগুলোতে ধোয়ামোছা এবং রংতুলির কাজ শেষ করে নতুন রূপে সাজানো হয়েছে। সৈকতের ছাতা ও বেঞ্চগুলোতেও আনা হয়েছে নতুনত্বের ছোঁয়া। ইতোমধ্যে অনেক হোটেলে অগ্রিম বুকিং শুরু হয়েছে।
রমজান মাসে পর্যটক সমাগম না থাকায় ব্যবসায়ীদের কিছুটা লোকসান গুনতে হলেও এবারের ঈদে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে সর্বোচ্চ সংখ্যক পর্যটক আসবেন বলে তারা আশাবাদী। দীর্ঘ সময় দর্শনার্থীদের পদচারণা না থাকায় ১৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সৈকতের প্রকৃতি যেন নতুন করে ডানা মেলেছে। সৈকতের বিভিন্ন স্থানে ফুটেছে বুনো ফুল এবং সাদা ঝিনুক ও লাল কাঁকড়ার অবাধ বিচরণ এক অপরূপ সৌন্দর্যের সৃষ্টি করেছে। ট্যুরিজম ব্যবসায়ী জনি আলম জানান পুরো এক মাস কুয়াকাটা পর্যটকশূন্য থাকলেও ঈদের ছুটিতে ব্যাপক দর্শনার্থীর চাপ থাকবে। তাই মালিকরা আগেভাগেই সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন।
টোকিওর মতবিনিময় সভায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার রোডম্যাপ তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটার সেক্রেটারি আহাদুজ্জামান মিরাজ বলেন পর্যটকদের বরণে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে এবং অগ্রিম রুম বুকিং চলছে। তারা আশা করছেন এবারের ছুটিতে রেকর্ড সংখ্যক মানুষের আগমন ঘটবে। সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়ে ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের পরিদর্শক মো. নাজমুল আহসান জানান বর্তমানে ভিড় না থাকলেও পুলিশের টহল অব্যাহত রয়েছে। ঈদের সময় পর্যটকদের বাড়তি চাপ সামলাতে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ট্যুরিস্ট পুলিশের পাশাপাশি থানা পুলিশ নৌ পুলিশ ও সাদা পোশাকের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে মোতায়েন থাকবে। পর্যটন স্থানগুলোতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
এস এম/ ১৬ মার্চ ২০২৬




মন্তব্য করুন