হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

উইঘুরদের রোজা বন্ধে চীনের গোয়েন্দাগিরি

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শুক্রবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৩, ০৯:০৭ অপরাহ্ন


বেইজিং, ১৪ এপ্রিল – চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে গুরুতরভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন করার অভিযোগ অনেক দিনের। ওই প্রদেশের উইঘুর মুসলিমদের বিরুদ্ধে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং প্রশাসনের দমনপীড়নের অভিযোগ উঠেছে বার বার। জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো সোচ্চার হয়েছে চরম মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে।

কিন্তু কোনো কিছুকেই তোয়াক্কা করছে না বেইজিং। উল্টো আত্মপক্ষ সমর্থনের নামে নানা সাফাই গেয়ে যাচ্ছে চীনা প্রশাসন। এবার জানা গেল, পবিত্র রমজান মাসে উইঘুররা যাতে রোজা না রাখতে পারে, তা নিশ্চিত করতে গুপ্তচর ব্যবহার করছে চীনা পুলিশ। সাম্প্রতিক রিপোর্টে এমনই অভিযোগ উঠেছে চীনা পুলিশের বিরুদ্ধে।

আরও পড়ুন

এবার মিরপুরে প্রাইভেটকার লক্ষ্য করে ককটেল বিস্ফোরণ, রাজধানীতে বাড়ছে নিরাপত্তা উদ্বেগ

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে। চীনের এক পুলিশ কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় জানিয়েছেন, দেশটির গোয়েন্দাদের ‘কান’ বলা হয়। তারা সাধারণ নাগরিক, পুলিশ ইত্যাদি সেজে ঘুরে বেড়ায়। তাদের দেশে এই ধরনের ‘সিক্রেট এজেন্ট’ অনেক রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। তারাই নজর রাখছেন, কোনো উইঘুর মুসলিম রোজা রাখছেন কি না।

অবশ্য ২০১৭ সাল থেকেই উইঘুর মুসলিমদের রোজা রাখা নিষিদ্ধ করেছে জিনপিং প্রশাসন। সেই সময় থেকেই কথিত পুনঃশিক্ষা শিবির গড়ে উইঘুরদের সংস্কৃতি, ধর্ম ও ভাষাকে ধ্বংস করার প্রয়াস চালাচ্ছে চীনা প্রশাসন।

গত বছর আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপক সমালোচনার চীনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল যে, জিনজিয়াং প্রদেশের উইঘুর মুসলিমদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদ ও বিচ্ছিন্নতাবাদে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগের কারণেই তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বাধ্য হয়েছে প্রশাসন।

গত বছর প্রকাশিত জাতিসংঘের এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, ধর্ষণ, পুরুষদের জোর করে নির্বীজকরণের মতো ঘটনা ঘটেছে সেখানে। এমনকি হঠাৎ করেই নিজের বাড়ি থেকে উধাও হয়ে গেছেন অনেকে। পরে তাদের আর কোনো খোঁজ মেলেনি।

অভিযোগ রয়েছে, চীনা প্রশাসন উইঘুর ও অন্যান্য মুসলিম জনগোষ্ঠীর সদস্যদের সাধারণ নাগরিক অধিকার কেড়ে নিয়েছে। জোর করে ডিটেনশন ক্যাম্পে আটকে রাখার পাশাপাশি তাদের ওপর অমানবিক দমনপীড়ন চালানো হচ্ছে।

সূত্র: যুগান্তর
এম ইউ/১৪ এপ্রিল ২০২৩




coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

উইঘুরদের রোজা বন্ধে চীনের গোয়েন্দাগিরি

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

উইঘুরদের রোজা বন্ধে চীনের গোয়েন্দাগিরি

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৩, ০৯:০৭ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] বেইজিং, ১৪ এপ্রিল – চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে গুরুতরভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন করার অভিযোগ অনেক দিনের। ওই প্রদেশের উইঘুর মুসলিমদের বিরুদ্ধে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং প্রশাসনের দমনপীড়নের অভিযোগ উঠেছে বার বার। জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো সোচ্চার হয়েছে চরম মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে। কিন্তু কোনো কিছুকেই তোয়াক্কা করছে না বেইজিং। উল্টো আত্মপক্ষ সমর্থনের নামে নানা সাফাই গেয়ে যাচ্ছে চীনা প্রশাসন। এবার জানা গেল, পবিত্র রমজান মাসে উইঘুররা যাতে রোজা না রাখতে পারে, তা নিশ্চিত করতে গুপ্তচর ব্যবহার করছে চীনা পুলিশ। সাম্প্রতিক রিপোর্টে এমনই অভিযোগ উঠেছে চীনা পুলিশের বিরুদ্ধে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে। চীনের এক পুলিশ কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় জানিয়েছেন, দেশটির গোয়েন্দাদের ‘কান’ বলা হয়। তারা সাধারণ নাগরিক, পুলিশ ইত্যাদি সেজে ঘুরে বেড়ায়। তাদের দেশে এই ধরনের ‘সিক্রেট এজেন্ট’ অনেক রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। তারাই নজর রাখছেন, কোনো উইঘুর মুসলিম রোজা রাখছেন কি না। অবশ্য ২০১৭ সাল থেকেই উইঘুর মুসলিমদের রোজা রাখা নিষিদ্ধ করেছে জিনপিং প্রশাসন। সেই সময় থেকেই কথিত পুনঃশিক্ষা শিবির গড়ে উইঘুরদের সংস্কৃতি, ধর্ম ও ভাষাকে ধ্বংস করার প্রয়াস চালাচ্ছে চীনা প্রশাসন। গত বছর আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপক সমালোচনার চীনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল যে, জিনজিয়াং প্রদেশের উইঘুর মুসলিমদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদ ও বিচ্ছিন্নতাবাদে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগের কারণেই তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বাধ্য হয়েছে প্রশাসন। গত বছর প্রকাশিত জাতিসংঘের এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, ধর্ষণ, পুরুষদের জোর করে নির্বীজকরণের মতো ঘটনা ঘটেছে সেখানে। এমনকি হঠাৎ করেই নিজের বাড়ি থেকে উধাও হয়ে গেছেন অনেকে। পরে তাদের আর কোনো খোঁজ মেলেনি। অভিযোগ রয়েছে, চীনা প্রশাসন উইঘুর ও অন্যান্য মুসলিম জনগোষ্ঠীর সদস্যদের সাধারণ নাগরিক অধিকার কেড়ে নিয়েছে। জোর করে ডিটেনশন ক্যাম্পে আটকে রাখার পাশাপাশি তাদের ওপর অমানবিক দমনপীড়ন চালানো হচ্ছে। সূত্র: যুগান্তরএম ইউ/১৪ এপ্রিল ২০২৩ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×