কক্সবাজারের উখিয়া থানার প্রধান ফটকে কয়েক হাজার শিক্ষক সহ নানান শ্রেণী পেশার লোকজন বিক্ষোভ করতে দেখা গেছে।
উখিয়ার ফলিয়া পাড়া ও হাসপাতাল থেকে গ্রেপ্তারকৃতদের এখনো ও পযর্ন্ত ছেড়ে দেয়নি। পুলিশের লাঠিচার্জে আহত হয়েছে প্রায় দশজন।
এর মধ্যে চারজনকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষক জানিয়েছেন।
প্রায় ঘন্টাখানেক আগে এনসিপি ও বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল থানার ভেতরে আলাপ করতে গেছেন। এখন ও পর্যন্ত কোন সুরাহা হয়নি।
কানাডার নতুন বাজেটে কার ভাগ্যে কতটা প্রাপ্তি
চাকরিচ্যুত শিক্ষকরা উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোহাম্মদ আরিফ হোসেনের প্রত্যাহারের দাবীতে স্লোগান দিতে দেখা যাচ্ছে।
এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ন সদস্য সচিব সুজা উদ্দিন সুজা,জেলা সংগঠক উমর ফারুক, উখিয়ার সোহেল, উখিয়া উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সরোয়ার জাহান চৌধুরী,উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা নুরুল হক,উপজেলা জামায়াত আমির মাওলানা আবুল ফজল, উপজেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব সাদমান জামি চৌধুরী। বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে আন্দোলনকারী -পুলিশের সাথে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
এতে ৪-৫ জন আহত হয়েছে। এ ব্যাপারে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোহাম্মদ আরিফ হোসেন বলেন একটা সুন্দর সমাধান হয়েছে।পুলিশ হেফাজতে থাকা শিক্ষকদের ছেড়ে দেওয়া হবে।
বুধবার সকাল সাতটার দিকে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন ফলিয়াপাড়া রাস্তার মাথা ও উখিয়া হাসপাতাল থেকে আন্দোলনকারীদের গ্রেপ্তার করে উখিয়া থানায় নিয়ে আসেন। এছাড়া পুলিশের লাঠিচার্জে আহতদের প্রথমে উখিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে চারজনের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় কক্সবাজার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।
এ ঘটনার পর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্থানীয় বাংলাদেশি শিক্ষকরা দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন। তবে অর্থ সংকটের কারণে ইউনিসেফসহ কয়েকটি এনজিও সম্প্রতি তাদের চাকরি বাতিল করে। এ সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়ে শিক্ষকরা ধারাবাহিকভাবে আন্দোলনে নামেন।
এর আগে (১৮ আগস্ট, সোমবার) সকাল ৭টা থেকে তারা কক্সবাজার-টেকনাফ শহিদ এটিএম জাফর আলম মহাসড়ক অবরোধ করেন। টানা পাঁচ ঘণ্টা এই আন্দোলনের কারণে উভয় পাশে শত শত গাড়ি আটকা পড়ে, যাত্রী ও চালকেরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।
চাকরিচ্যুত শিক্ষকদের দাবি, প্রশাসন সমাধানের আশ্বাস দিলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে তারা আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছেন। স্থানীয় শিক্ষক নেতা সাইদুল ইসলাম শামীম সে সময় বলেছিলেন, আমরা দাবি করছি, চাকরিচ্যুত শিক্ষকদের পুনর্বহাল করা হোক এবং ক্যাম্পে শিক্ষা কার্যক্রম পুনরায় চালু করা হোক।
####




মন্তব্য করুন