কক্সবাজারের উখিয়ায় ইভটিজিংয়ের বিচার চাইতে গিয়ে সন্ত্রাসী দুর্বৃত্তদের হামলায় এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। এইসময় নগদ টাকা লুট ও মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। আহত যুবক জিয়াউল হক (৪৩) উখিয়ার রত্নাপালং ইউনিয়নের পশ্চিম রত্না গ্রামের হাজী রশিদ আহমদের পুত্র।
সোমবার (২৭ জানুয়ারি) উপজেলার কোটবাজারের মসজিদ রোড়ে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
ইভটিজিংয়ের শিকার ভোক্তভোগী নারী সালমা ইয়াছমিন জানান, তিনি বাড়ি ফেরার জন্য গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় জালিয়া পালং ইউনিয়নের পূর্ব পাইন্যাশিয়ার ছালামত উল্লাহর পুত্র শামীম কায়সার ইমন (২২), একই এলাকার মোহাম্মদ আলম প্রকাশ ভুলুর পুত্র শহিদুল ইসলাম মানিক (২০) ও রাজাপালং ইউনিয়নের পিনজিরকুল এলাকার আমির আলীর পুত্র ওমর ফারুক (২১) নামে তিন যুবক তাকে অশ্লীল কথাবার্তা বলে উত্যক্ত করে।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমার স্বামী জিয়াউল হক (৪৩) এলাকার গন্যমান্য লোকজনের নিকট বিচার প্রার্থী হইলে ঘটনার দিন মোটরসাইকেল চালিয়ে বাড়ি ফেরার পথে শামীম কায়সার ইমন (২২), শহিদুল ইসলাম মানিক (২০) ও ওমর ফারুক (২১) অজ্ঞাত নামা ৩/৪ জনসহ হামলা চালায়। তারা ধারালো ছোরা, লোহার রড ও হাতুড়ি দিয়ে তাকে এলোপাথারি মারধর করে।
চকরিয়ায় বৃত্তি পরীক্ষার নামে রমরমা বাণিজ্য, প্রতারনার শিকার শিক্ষার্থীরা, ১৪৫ বিদ্যালয়ে জরুরি নোটিশ
এ সময় শামীম কায়সার ইমন জিয়াউল হকের ডান কানে ছোরা দিয়ে আঘাত করে এবং শহিদুল ইসলাম মানিক লোহার রড দিয়ে তার কানের পর্দা ফাটিয়ে দেয়। ওমর ফারুক লোহার রড দিয়ে তার ঠোঁট ফাটিয়ে দেয় এবং তিনটি দাঁত নড়িয়ে দেয়।
এছাড়াও অভিযুক্তরা জিয়াউল হকের পকেট থেকে ৪৩ হাজার ৫শত টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং তার মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে ২০ হাজার টাকার ক্ষতি করে।পরে স্থানীয়রা জিয়াউল হককে উদ্ধার করে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
এ ঘটনায় সালমা ইয়াছমিন বাদী হয়ে উখিয়া থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন। তিনি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
###




মন্তব্য করুন