হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

ওডিশা ট্রেন দুর্ঘটনা: তদন্ত শুরু করল সিবিআই

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বুধবার, ৭ জুন ২০২৩, ০৬:০৭ পূর্বাহ্ন


নয়াদিল্লি, ০৬ জুন – গেলো শুক্রবার ভারতের ওডিশায় দুই দশকের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনার কারণ জানতে ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা সেন্ট্রাল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (সিবিআই) তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় রেলওয়ে বিভাগ। সেই সঙ্গে রেল দপ্তর থেকেও পৃথকভাবে এই ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে সিবিআইয়ের ১০ সদস্যের একটি তদন্ত দল বালেশ্বরে দুর্ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছেছেন। তারা ওডিশা পুলিশের কাছ থেকে তদন্তের দায়িত্ব বুঝে নেবে বলে জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি।

আরও পড়ুন

টোকিওতে বাংলাদেশ-জাপান ঐতিহাসিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু

এই দুর্ঘটনায় ওডিশা পুলিশ ‘অবহেলাজনিত কারণে মৃত্যু ও জীবনকে বিপদগ্রস্ত’ করার অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে।

কর্মকর্তাদের মতে, সিবিআইকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া একটি উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ। কারণ শুধু একটি শীর্ষ সংস্থার পক্ষেই বিস্তারিত তদন্তের মাধ্যমে পয়েন্ট মেশিন বা ইলেকট্রনিক ইন্টারলকিং ব্যবস্থায় কোনো ধরনের নাশকতা হয়েছে কি না, তা চিহ্নিত করা সম্ভব। এ ছাড়া দুর্ঘটনার অন্য সম্ভাব্য কারণের মধ্যে আছে, ট্র্যাকের রূপান্তর বা ভুল সিগনাল পেয়ে ট্রেনের ট্র্যাক বদলানো।

রেল কর্মকর্তারা এর আগে সম্ভাব্য ‘নাশকতা’ ও ইন্টারলকিং ব্যবস্থার ক্ষতি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন। এই ব্যবস্থাটি ট্রেনের উপস্থিতি চিহ্নিত করার কথা থাকলেও তা করেনি এবং এ কারণেই মূলত শালিমার-চেন্নাই কেন্দ্রীয় করমণ্ডল এক্সপ্রেস, বেঙ্গালুরু-হাওড়া সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস ও একটি মালবাহী ট্রেনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সেই ট্রেন দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ২৭৫ জন এবং আহত হয়েছেন আরও ১ হাজারের বেশি মানুষ ।

রেল কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক তদন্তে বলা হয়, ভুল সিগনালের জন্য এই দুর্ঘটনা ঘটে।

তবে কিছু রেল বিশেষজ্ঞ জানান, করমণ্ডল এক্সপ্রেস খুব সম্ভবত একটি ‘লুপ লাইনের’ ভেতরে সরাসরি মালবাহী ট্রেনকে আঘাত করে।

ব্যস্ত রেল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় বহুল ব্যবহৃত প্রক্রিয়া হচ্ছে ‘লুপ লাইন’, যেটি মূল রেলওয়ে ট্র্যাক থেকে আলাদা হয়ে কিছু দূরত্ব যেয়ে আবার মূল লাইনের সঙ্গে যুক্ত হয়।

ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে করমণ্ডল এক্সপ্রেসের ইঞ্জিনটি মালবাহী ট্রেনের ওপরে উঠে গেছে, যা থেকে সরাসরি সংঘর্ষের বিষয়টি প্রমাণিত হয়।

সিবিআইর তদন্তে এই দুর্ঘটনা সংশ্লিষ্ট সব প্রশ্নের উত্তর খোজা হবে। সরকারি সূত্র জানিয়েছে, সব ধরনের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হবে, যার মধ্যে আছে যান্ত্রিক ত্রুটি, ভুল ও নাশকতা।

সূত্র: বাংলাদেশ জার্নাল
আইএ/ ০৬ জুন ২০২৩




coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

ওডিশা ট্রেন দুর্ঘটনা: তদন্ত শুরু করল সিবিআই

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

ওডিশা ট্রেন দুর্ঘটনা: তদন্ত শুরু করল সিবিআই

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বুধবার, ৭ জুন ২০২৩, ০৬:০৭ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] নয়াদিল্লি, ০৬ জুন – গেলো শুক্রবার ভারতের ওডিশায় দুই দশকের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনার কারণ জানতে ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা সেন্ট্রাল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (সিবিআই) তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় রেলওয়ে বিভাগ। সেই সঙ্গে রেল দপ্তর থেকেও পৃথকভাবে এই ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে সিবিআইয়ের ১০ সদস্যের একটি তদন্ত দল বালেশ্বরে দুর্ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছেছেন। তারা ওডিশা পুলিশের কাছ থেকে তদন্তের দায়িত্ব বুঝে নেবে বলে জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি। এই দুর্ঘটনায় ওডিশা পুলিশ ‘অবহেলাজনিত কারণে মৃত্যু ও জীবনকে বিপদগ্রস্ত’ করার অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে। কর্মকর্তাদের মতে, সিবিআইকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া একটি উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ। কারণ শুধু একটি শীর্ষ সংস্থার পক্ষেই বিস্তারিত তদন্তের মাধ্যমে পয়েন্ট মেশিন বা ইলেকট্রনিক ইন্টারলকিং ব্যবস্থায় কোনো ধরনের নাশকতা হয়েছে কি না, তা চিহ্নিত করা সম্ভব। এ ছাড়া দুর্ঘটনার অন্য সম্ভাব্য কারণের মধ্যে আছে, ট্র্যাকের রূপান্তর বা ভুল সিগনাল পেয়ে ট্রেনের ট্র্যাক বদলানো। রেল কর্মকর্তারা এর আগে সম্ভাব্য ‘নাশকতা’ ও ইন্টারলকিং ব্যবস্থার ক্ষতি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন। এই ব্যবস্থাটি ট্রেনের উপস্থিতি চিহ্নিত করার কথা থাকলেও তা করেনি এবং এ কারণেই মূলত শালিমার-চেন্নাই কেন্দ্রীয় করমণ্ডল এক্সপ্রেস, বেঙ্গালুরু-হাওড়া সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস ও একটি মালবাহী ট্রেনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সেই ট্রেন দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ২৭৫ জন এবং আহত হয়েছেন আরও ১ হাজারের বেশি মানুষ । রেল কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক তদন্তে বলা হয়, ভুল সিগনালের জন্য এই দুর্ঘটনা ঘটে। তবে কিছু রেল বিশেষজ্ঞ জানান, করমণ্ডল এক্সপ্রেস খুব সম্ভবত একটি ‘লুপ লাইনের’ ভেতরে সরাসরি মালবাহী ট্রেনকে আঘাত করে। ব্যস্ত রেল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় বহুল ব্যবহৃত প্রক্রিয়া হচ্ছে ‘লুপ লাইন’, যেটি মূল রেলওয়ে ট্র্যাক থেকে আলাদা হয়ে কিছু দূরত্ব যেয়ে আবার মূল লাইনের সঙ্গে যুক্ত হয়। ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে করমণ্ডল এক্সপ্রেসের ইঞ্জিনটি মালবাহী ট্রেনের ওপরে উঠে গেছে, যা থেকে সরাসরি সংঘর্ষের বিষয়টি প্রমাণিত হয়। সিবিআইর তদন্তে এই দুর্ঘটনা সংশ্লিষ্ট সব প্রশ্নের উত্তর খোজা হবে। সরকারি সূত্র জানিয়েছে, সব ধরনের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হবে, যার মধ্যে আছে যান্ত্রিক ত্রুটি, ভুল ও নাশকতা। সূত্র: বাংলাদেশ জার্নালআইএ/ ০৬ জুন ২০২৩ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×