হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সন্ত্রাসী সংগঠন ‘ইসলামী মাহাজ’-এর প্রধান ফের আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক ::

নিজস্ব প্রতিবেদক ::

রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৭ অপরাহ্ন
📌 সংক্ষেপ: কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গোপন বৈঠকে নাশকতার পরিকল্পনা করার সময় তালিকাভুক্ত সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন ‘ইসলামী মাহাজ’-এর প্রধান মো. রফিককে (৪০) আটক করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (৮ এপিবিএন)…

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গোপন বৈঠকে নাশকতার পরিকল্পনা করার সময় তালিকাভুক্ত সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন ‘ইসলামী মাহাজ’-এর প্রধান মো. রফিককে (৪০) আটক করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (৮ এপিবিএন)। এ সময় তার কাছ থেকে অস্ত্র ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসে।

শনিবার (২৫ অক্টোবর) ৮ এপিবিএন-এর পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে গত ২৪ অক্টোবর রাতে উখিয়ার পানবাজার পুলিশ ক্যাম্পের আওতাধীন এফডিএমএন ক্যাম্প-৯ এই অভিযান পরিচালিত হয়।

আটক মো. রফিক ক্যাম্প-৯ এর ব্লক-সি/৫ এলাকার আইয়ুবের ছেলে (এফসিএন-১১৮৬৬২)। ৮ এপিবিএন সূত্রে জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় যে, ক্যাম্প-৯ এর ব্লক-সি/৫ এলাকায় নিষিদ্ধ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী সংগঠন ‘ইসলামী মাহাজ’-এর প্রধান রফিক তার সহযোগীদের নিয়ে গোপনে বৈঠক করছে।

প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে একটি বিশেষ টিম ওই এলাকায় অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে রফিকসহ কয়েকজন দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া করে প্রধান হোতা মো. রফিককে আটক করা হয়।

আরও পড়ুন

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এপিবিএন-এর অভিযানে দেশীয় অস্ত্রসহ এআরএ’র দুই সশস্ত্র সদস্য আটক

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়ে রফিক জানিয়েছে, সে রোহিঙ্গা সশস্ত্র সংগঠন ‘ইসলামী মাহাজ’-এর প্রধান। তার নেতৃত্বাধীন এই সংগঠনে বর্তমানে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রায় ৩০০ এবং মিয়ানমারে প্রায় ৪০০ জন সশস্ত্র সদস্য রয়েছে।

এছাড়া মিয়ানমারে তাদের হেফাজতে ৯০টি আগ্নেয়াস্ত্র মজুদ রয়েছে বলে স্বীকার করে সে। তবে বাংলাদেশের সদস্যদের কাছে থাকা অস্ত্রের বিষয়ে সে অসংলগ্ন তথ্য দেয়।

পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে রফিক ও তার দলবল ক্যাম্পের ভেতরে অস্ত্র কেনাবেচা, মাদক ব্যবসা, সাধারণ রোহিঙ্গাদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং গুমসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা এবং ক্যাম্পের সাধারণ রোহিঙ্গাদের মধ্যে আতঙ্ক ও অস্থিরতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে তারা বড় ধরনের নাশকতা ঘটানোর পরিকল্পনা করছিল।

পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তাকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে উখিয়া থানার মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ৮ এপিবিএন-এর অধিনায়ক রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ, পিপিএম বলেন, “ক্যাম্প এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে ৮ এপিবিএন নিয়মিত ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে আসছে।

এরই ধারাবাহিকতায় ‘ইসলামী মাহাজ’ দলের প্রধান মো. রফিককে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তার দেওয়া তথ্যগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। পলাতক অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “ক্যাম্প এলাকায় যেকোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হলে তার বিরুদ্ধে ৮ এপিবিএন কঠোর জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রাখবে।

সাধারণ রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে।”

🔗 আরও পড়ুন:

❓ সাধারণ জিজ্ঞাসা

প্রশ্ন: রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সন্ত্রাসী সংগঠন ‘ইসলামী মাহাজ’-এর প্রধান ফের আটক সম্পর্কিত তথ্য কী?

উত্তর: কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গোপন বৈঠকে নাশকতার পরিকল্পনা করার সময় তালিকাভুক্ত সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন ‘ইসলামী মাহাজ’-এর প্রধান মো। মূল সংবাদ থেকে বিস্তারিত জানুন।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

উখিয়া
Card Image

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সন্ত্রাসী সংগঠন ‘ইসলামী মাহাজ’-এর প্রধান ফের আটক

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সন্ত্রাসী সংগঠন ‘ইসলামী মাহাজ’-এর প্রধান ফের আটক

প্রতিবেদক: নিজস্ব প্রতিবেদক :: | প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৭ অপরাহ্ন
Print Image
কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গোপন বৈঠকে নাশকতার পরিকল্পনা করার সময় তালিকাভুক্ত সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন ‘ইসলামী মাহাজ’-এর প্রধান মো. রফিককে (৪০) আটক করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (৮ এপিবিএন)। এ সময় তার কাছ থেকে অস্ত্র ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসে। শনিবার (২৫ অক্টোবর) ৮ এপিবিএন-এর পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে গত ২৪ অক্টোবর রাতে উখিয়ার পানবাজার পুলিশ ক্যাম্পের আওতাধীন এফডিএমএন ক্যাম্প-৯ এই অভিযান পরিচালিত হয়। আটক মো. রফিক ক্যাম্প-৯ এর ব্লক-সি/৫ এলাকার আইয়ুবের ছেলে (এফসিএন-১১৮৬৬২)। ৮ এপিবিএন সূত্রে জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় যে, ক্যাম্প-৯ এর ব্লক-সি/৫ এলাকায় নিষিদ্ধ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী সংগঠন ‘ইসলামী মাহাজ’-এর প্রধান রফিক তার সহযোগীদের নিয়ে গোপনে বৈঠক করছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে একটি বিশেষ টিম ওই এলাকায় অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে রফিকসহ কয়েকজন দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া করে প্রধান হোতা মো. রফিককে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়ে রফিক জানিয়েছে, সে রোহিঙ্গা সশস্ত্র সংগঠন ‘ইসলামী মাহাজ’-এর প্রধান। তার নেতৃত্বাধীন এই সংগঠনে বর্তমানে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রায় ৩০০ এবং মিয়ানমারে প্রায় ৪০০ জন সশস্ত্র সদস্য রয়েছে। এছাড়া মিয়ানমারে তাদের হেফাজতে ৯০টি আগ্নেয়াস্ত্র মজুদ রয়েছে বলে স্বীকার করে সে। তবে বাংলাদেশের সদস্যদের কাছে থাকা অস্ত্রের বিষয়ে সে অসংলগ্ন তথ্য দেয়। পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে রফিক ও তার দলবল ক্যাম্পের ভেতরে অস্ত্র কেনাবেচা, মাদক ব্যবসা, সাধারণ রোহিঙ্গাদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং গুমসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা এবং ক্যাম্পের সাধারণ রোহিঙ্গাদের মধ্যে আতঙ্ক ও অস্থিরতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে তারা বড় ধরনের নাশকতা ঘটানোর পরিকল্পনা করছিল। পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তাকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে উখিয়া থানার মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ৮ এপিবিএন-এর অধিনায়ক রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ, পিপিএম বলেন, "ক্যাম্প এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে ৮ এপিবিএন নিয়মিত ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় 'ইসলামী মাহাজ' দলের প্রধান মো. রফিককে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তার দেওয়া তথ্যগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। পলাতক অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।" তিনি আরও বলেন, "ক্যাম্প এলাকায় যেকোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হলে তার বিরুদ্ধে ৮ এপিবিএন কঠোর জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রাখবে। সাধারণ রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে।"

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×