হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

কক্সবাজারে গ্যাস পাম্পের অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ আরো একজনের মৃত্যু

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬, ০৯:৫৮ অপরাহ্ন

কক্সবাজারের কলাতলীতে এলপিজি গ্যাস পাম্পের আগুনে দগ্ধ আরো একজনের মৃত্যু হয়েছে। জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আব্দুর রহিম নামে এই দগ্ধ ব্যক্তি মঙ্গলবার ভোরে মৃত্যুবরণ করেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন তার বড় ভাই সলিম উল্লাহ।

এ নিয়ে গ্যাস পাম্প বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ ২ জনের মৃত্যু হলো। আবদুর রহিম কলাতলী এলাকার মৃত মোহাম্মদ জাকারিয়ার ছেলে। আগুনে তাঁর শরীরের ৫০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি মো. ছমি উদ্দিন জানিয়েছেন, আরো একজনসহ আগুনে এ পর্যন্ত ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদিকে মঙ্গলবার সাকলে এ ঘটনায় প্রথম মারা যাওয়া আবু তাহেরের জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়েছে।

রবিবার দুপুর আড়াই টার দিকে অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ আবু তাহের ৩ দিন পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগে চিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

আরও পড়ুন

ইউএনও পান্না আক্তারের নেতৃত্বে তল্লাশিতে ১০ দিন পর উদ্ধার শিক্ষিকার মরদেহ

আবু তাহের (৪২) কক্সবাজার শহরের কলাতলী আদর্শ গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে। তিনি পেশায় অটোরিকশা চালক।
জানা যায়, ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে পাম্পের ট্যাংক থেকে গ্যাস নির্গত (লিকেজ) হয়ে আগুন ধরে যায়। পাম্পের কর্মচারীরা বালু ও পানি ছিটিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন।

পরে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে এবং আবার আগুন ধরে যায়।
বিস্ফোরণের পর আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের ঘরবাড়িসহ নানা প্রতিষ্ঠানে। আগুনে ৩০টির মতো গাড়ি, ৪টি বাড়িসহ নানা অবকাঠামো পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এ ঘটনায় আগুনে দগ্ধসহ ১৫ জন আহত হন। এর মধ্যে ৬ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিট ভর্তি করা হয়।

শুক্রবার চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের প্রধান মোহাম্মদ এস খালেদ জানিয়েছিলেন, গ্যাস পাম্পে অগ্নিকাণ্ডে যেখানে চিকিৎসাধীন ৬ জনের মধ্যে আবু তাহের ৯০ শতাংশ, রহিম ৫০ শতাংশ, সিরাজ ৪০ শতাংশ, সাকিব ৩০ শতাংশ, মেহেদি আর মোতাহের ২০ শতাংশ করে দগ্ধ হয়েছে।

আগুনের ঘটনায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে (এডিএম) প্রধান করে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন। কমিটির প্রধান অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মো. শাহিদুল আলম। কমিটি ৭ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

রবিবার রাতে আগুনের ঘটনায় পাম্প মালিক নুরুল আলম প্রকাশ এন আলমের বিরুদ্ধে মামলা করেছে বিস্ফোরক অধিদপ্তর। বিস্ফোরক অধিদপ্তরের চট্টগ্রামের সহকারী বিস্ফোরক পরিদর্শক এস এম সাখাওয়াত হোসেন বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় এ মামলা করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আগুনের ঘটনার পর পরিদর্শন করে যাচাই-বাছাই করে নিশ্চিত হওয়া গেছে গ্যাস পাম্প করার জন্য জেলা প্রশাসনের অনাপত্তিপত্র, পরিবেশ অধিদপ্তরের সনদ, ফায়ার সর্ভিসের অনুমতিপত্র এবং বিস্ফোরক অধিদপ্তরের লাইন্সেন নেননি মালিক এন আলম। যা বিস্ফোরণ আইনে অপরাধ।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

কক্সবাজার
Card Image

কক্সবাজারে গ্যাস পাম্পের অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ আরো একজনের মৃত্যু

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

কক্সবাজারে গ্যাস পাম্পের অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ আরো একজনের মৃত্যু

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬, ০৯:৫৮ অপরাহ্ন
Print Image
কক্সবাজারের কলাতলীতে এলপিজি গ্যাস পাম্পের আগুনে দগ্ধ আরো একজনের মৃত্যু হয়েছে। জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আব্দুর রহিম নামে এই দগ্ধ ব্যক্তি মঙ্গলবার ভোরে মৃত্যুবরণ করেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন তার বড় ভাই সলিম উল্লাহ। এ নিয়ে গ্যাস পাম্প বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ ২ জনের মৃত্যু হলো। আবদুর রহিম কলাতলী এলাকার মৃত মোহাম্মদ জাকারিয়ার ছেলে। আগুনে তাঁর শরীরের ৫০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি মো. ছমি উদ্দিন জানিয়েছেন, আরো একজনসহ আগুনে এ পর্যন্ত ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদিকে মঙ্গলবার সাকলে এ ঘটনায় প্রথম মারা যাওয়া আবু তাহেরের জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়েছে। রবিবার দুপুর আড়াই টার দিকে অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ আবু তাহের ৩ দিন পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগে চিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। আবু তাহের (৪২) কক্সবাজার শহরের কলাতলী আদর্শ গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে। তিনি পেশায় অটোরিকশা চালক। জানা যায়, ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে পাম্পের ট্যাংক থেকে গ্যাস নির্গত (লিকেজ) হয়ে আগুন ধরে যায়। পাম্পের কর্মচারীরা বালু ও পানি ছিটিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। পরে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে এবং আবার আগুন ধরে যায়। বিস্ফোরণের পর আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের ঘরবাড়িসহ নানা প্রতিষ্ঠানে। আগুনে ৩০টির মতো গাড়ি, ৪টি বাড়িসহ নানা অবকাঠামো পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এ ঘটনায় আগুনে দগ্ধসহ ১৫ জন আহত হন। এর মধ্যে ৬ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিট ভর্তি করা হয়। শুক্রবার চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের প্রধান মোহাম্মদ এস খালেদ জানিয়েছিলেন, গ্যাস পাম্পে অগ্নিকাণ্ডে যেখানে চিকিৎসাধীন ৬ জনের মধ্যে আবু তাহের ৯০ শতাংশ, রহিম ৫০ শতাংশ, সিরাজ ৪০ শতাংশ, সাকিব ৩০ শতাংশ, মেহেদি আর মোতাহের ২০ শতাংশ করে দগ্ধ হয়েছে। আগুনের ঘটনায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে (এডিএম) প্রধান করে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন। কমিটির প্রধান অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মো. শাহিদুল আলম। কমিটি ৭ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। রবিবার রাতে আগুনের ঘটনায় পাম্প মালিক নুরুল আলম প্রকাশ এন আলমের বিরুদ্ধে মামলা করেছে বিস্ফোরক অধিদপ্তর। বিস্ফোরক অধিদপ্তরের চট্টগ্রামের সহকারী বিস্ফোরক পরিদর্শক এস এম সাখাওয়াত হোসেন বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় এ মামলা করেন। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আগুনের ঘটনার পর পরিদর্শন করে যাচাই-বাছাই করে নিশ্চিত হওয়া গেছে গ্যাস পাম্প করার জন্য জেলা প্রশাসনের অনাপত্তিপত্র, পরিবেশ অধিদপ্তরের সনদ, ফায়ার সর্ভিসের অনুমতিপত্র এবং বিস্ফোরক অধিদপ্তরের লাইন্সেন নেননি মালিক এন আলম। যা বিস্ফোরণ আইনে অপরাধ।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×