হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত যেন বস্তি!

ডেস্ক নিউজ

ডেস্ক নিউজ

শনিবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২২, ০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন

কক্সবাজারে স্বাচ্ছন্দে আরামদায়ক অবসর যাপন কঠিন হয়ে পড়েছে। অব্যবস্থাপনা, নজরদারির অভাব, আর হকারদের উৎপাতে কক্সবাজার যেন ‘বস্তি’। সৈকতের মধ্যেই চলছে বিচ কমিটি অনুমোদিত ঝুপড়ি দোকান। নারীদের উত্ত্যক্ত করার অভিযোগও করছেন কেউ কেউ। শৃঙ্খলা ফেরাতে বিচ কমিটি ও ট্যুরিস্ট পুলিশের সমন্বিত ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ।

নায়রা ইসলাম ও তার পরিবার অবসর যাপনে এসেছেন কক্সবাজার। কর্মজীবনের ব্যস্ততা কাটিয়ে খানিটা নিজস্বতায় কাটাতে চান কয়েকটা দিন। সাগরের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হলেও বাস থেকে নামার পর পারিপার্শিক অভিজ্ঞতা সুখকর নয় তাদের। কিটকটে পিঠ হেলিয়ে দুচোখ ভরে সাগর দেখবেন, সে সুযোগ নেই। চা, কফি, চিপসসহ হকারদের হাকডাকে দৃষ্টি ঘুরাতে বাধ্য পর্যটক। বাজারের মতো বিকিকিনির পসরা ট্যুরিস্ট পুলিশ বা বিচ কর্মীর সামনেই।

কক্সবাজার এখনো দেশীয় পর্যটক নির্ভর। বিদেশিদের আনাগোনা নেই বললেই চলে। কর্মস্থলের সুবাদে যে কজন বিচে আসেন, অসচেতন পর্যটকদের দৃষ্টিকটু চাহনি তাদের আগ্রহে পানি ঢেলে দেয়।
লাবনী থেকে কলাতলী, সবখানেই সৈকতের তীর ঘেষে ঝুপড়ি দোকান। বিচ কমিটির বরাদ্দ করা এসব দোকানে হোটেল রেস্তোরাঁ থেকে আচার সবই বিক্রি হয়। সৈকত নোংরা হওয়ার জন্য দোকানগুলোকে দায়ী করছেন অনেকে।

দিনে বিক্রেতাদের উৎপাতের পর রাতে প্রশাসনের ক্ষমতা প্রদর্শন চলে মাঝে মধ্যে। ১২টার পর পর্যটকদের সৈকতে নিষিদ্ধ করা, পর্যটকদের আড্ডা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর।

আরও পড়ুন

শাহজালাল বিমানবন্দরে ভেপ, সিগারেট, স্বর্ণালংকারসহ ৩২ লাখ টাকার পণ্য জব্দ

সৈকতে শৃঙ্খলা আনতে কক্সবাজারে রয়েছে বিচ কমিটি, ট্যুরিস্ট পুলিশ এবং কউক। তবু যেন পর্যটকদের স্বাচ্ছন্দ্য ভ্রমণে বন্ধু হয় না কেউ।
যমুনা টিভি অনলাইন

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত যেন বস্তি!

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত যেন বস্তি!

প্রতিবেদক: ডেস্ক নিউজ | প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২২, ০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন
Print Image
কক্সবাজারে স্বাচ্ছন্দে আরামদায়ক অবসর যাপন কঠিন হয়ে পড়েছে। অব্যবস্থাপনা, নজরদারির অভাব, আর হকারদের উৎপাতে কক্সবাজার যেন ‘বস্তি’। সৈকতের মধ্যেই চলছে বিচ কমিটি অনুমোদিত ঝুপড়ি দোকান। নারীদের উত্ত্যক্ত করার অভিযোগও করছেন কেউ কেউ। শৃঙ্খলা ফেরাতে বিচ কমিটি ও ট্যুরিস্ট পুলিশের সমন্বিত ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ। নায়রা ইসলাম ও তার পরিবার অবসর যাপনে এসেছেন কক্সবাজার। কর্মজীবনের ব্যস্ততা কাটিয়ে খানিটা নিজস্বতায় কাটাতে চান কয়েকটা দিন। সাগরের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হলেও বাস থেকে নামার পর পারিপার্শিক অভিজ্ঞতা সুখকর নয় তাদের। কিটকটে পিঠ হেলিয়ে দুচোখ ভরে সাগর দেখবেন, সে সুযোগ নেই। চা, কফি, চিপসসহ হকারদের হাকডাকে দৃষ্টি ঘুরাতে বাধ্য পর্যটক। বাজারের মতো বিকিকিনির পসরা ট্যুরিস্ট পুলিশ বা বিচ কর্মীর সামনেই। কক্সবাজার এখনো দেশীয় পর্যটক নির্ভর। বিদেশিদের আনাগোনা নেই বললেই চলে। কর্মস্থলের সুবাদে যে কজন বিচে আসেন, অসচেতন পর্যটকদের দৃষ্টিকটু চাহনি তাদের আগ্রহে পানি ঢেলে দেয়। লাবনী থেকে কলাতলী, সবখানেই সৈকতের তীর ঘেষে ঝুপড়ি দোকান। বিচ কমিটির বরাদ্দ করা এসব দোকানে হোটেল রেস্তোরাঁ থেকে আচার সবই বিক্রি হয়। সৈকত নোংরা হওয়ার জন্য দোকানগুলোকে দায়ী করছেন অনেকে। দিনে বিক্রেতাদের উৎপাতের পর রাতে প্রশাসনের ক্ষমতা প্রদর্শন চলে মাঝে মধ্যে। ১২টার পর পর্যটকদের সৈকতে নিষিদ্ধ করা, পর্যটকদের আড্ডা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর। সৈকতে শৃঙ্খলা আনতে কক্সবাজারে রয়েছে বিচ কমিটি, ট্যুরিস্ট পুলিশ এবং কউক। তবু যেন পর্যটকদের স্বাচ্ছন্দ্য ভ্রমণে বন্ধু হয় না কেউ। যমুনা টিভি অনলাইন

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×