হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

কাতারের এলএনজি কেন্দ্রে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ায় জ্বালানি সংকটের শঙ্কা

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ০৫:১৩ অপরাহ্ন


দোহা, ১৯ মার্চ – কাতারের বৃহত্তম তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি উৎপাদন ও রপ্তানি কেন্দ্র রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দুইবার ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে।

এই হামলায় উপসাগরীয় দেশটির গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি কেন্দ্রটিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। এর বিরূপ প্রভাব মধ্যপ্রাচ্যের গণ্ডি পেরিয়ে অন্যান্য অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়েছে, যার ফলে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং ভারত।

আরও পড়ুন

টোকিওর মতবিনিময় সভায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার রোডম্যাপ তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

এসব দেশে ভয়াবহ বিদ্যুৎ বিভ্রাট এবং শিল্প কারখানায় উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার গভীর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার সিএনএনের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানির একটি বিশাল অংশ কাতার থেকে সরবরাহ করা হয়।

কাতারের প্রায় সমস্ত প্রাকৃতিক গ্যাস রাস লাফানে প্রক্রিয়াজাত করার পর সেখান থেকেই বিদেশে রপ্তানি করা হয়। জ্বালানি খাতের তথ্য বিশ্লেষণকারী স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান কেপলার জানিয়েছে, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ তাদের এলএনজি আমদানির যথাক্রমে ৯৯ শতাংশ এবং ৭০ শতাংশ কাতার থেকে পেয়ে থাকে। অন্যদিকে বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল এর তথ্য অনুযায়ী, ভারত তাদের মোট এলএনজি চাহিদার ৪০ শতাংশের বেশি কাতার থেকে সংগ্রহ করে।

রাস লাফান স্থাপনার পরিচালক এবং কাতারের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান কাতার এনার্জি চলতি মাসের শুরুর দিকেই এলএনজি ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য পণ্যের উৎপাদন সাময়িকভাবে স্থগিত করেছিল। তবে সাম্প্রতিক এই ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এবং এর ফলে সৃষ্ট ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কারণে প্রতিষ্ঠানটির স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরতে অনেক বেশি সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। উল্লেখ্য যে, কাতারের রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটি শুধুমাত্র এলএনজি উৎপাদনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়।


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

কাতারের এলএনজি কেন্দ্রে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ায় জ্বালানি সংকটের শঙ্কা

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

কাতারের এলএনজি কেন্দ্রে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ায় জ্বালানি সংকটের শঙ্কা

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ০৫:১৩ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] দোহা, ১৯ মার্চ – কাতারের বৃহত্তম তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি উৎপাদন ও রপ্তানি কেন্দ্র রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দুইবার ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে।এই হামলায় উপসাগরীয় দেশটির গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি কেন্দ্রটিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। এর বিরূপ প্রভাব মধ্যপ্রাচ্যের গণ্ডি পেরিয়ে অন্যান্য অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়েছে, যার ফলে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং ভারত।এসব দেশে ভয়াবহ বিদ্যুৎ বিভ্রাট এবং শিল্প কারখানায় উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার গভীর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার সিএনএনের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানির একটি বিশাল অংশ কাতার থেকে সরবরাহ করা হয়।কাতারের প্রায় সমস্ত প্রাকৃতিক গ্যাস রাস লাফানে প্রক্রিয়াজাত করার পর সেখান থেকেই বিদেশে রপ্তানি করা হয়। জ্বালানি খাতের তথ্য বিশ্লেষণকারী স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান কেপলার জানিয়েছে, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ তাদের এলএনজি আমদানির যথাক্রমে ৯৯ শতাংশ এবং ৭০ শতাংশ কাতার থেকে পেয়ে থাকে। অন্যদিকে বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল এর তথ্য অনুযায়ী, ভারত তাদের মোট এলএনজি চাহিদার ৪০ শতাংশের বেশি কাতার থেকে সংগ্রহ করে।রাস লাফান স্থাপনার পরিচালক এবং কাতারের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান কাতার এনার্জি চলতি মাসের শুরুর দিকেই এলএনজি ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য পণ্যের উৎপাদন সাময়িকভাবে স্থগিত করেছিল। তবে সাম্প্রতিক এই ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এবং এর ফলে সৃষ্ট ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কারণে প্রতিষ্ঠানটির স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরতে অনেক বেশি সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। উল্লেখ্য যে, কাতারের রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটি শুধুমাত্র এলএনজি উৎপাদনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×