গোপালগঞ্জ, ৭ ফেব্রুয়ারি – গোপালগঞ্জ সদরে পরকীয়া প্রেমের জেরে নিজের তিন বছরের শিশুকন্যাকে হত্যার অভিযোগে সেতু বেগম নামে এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ।
হত্যার ঘটনার দীর্ঘ ২০ দিন পর শিশু ফারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। শনিবার সদর উপজেলার গোবরা নিলারমাঠ এলাকার একটি বাড়ির পানির ট্যাংক থেকে সদর থানা পুলিশ শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে। এর আগে গত ১৭ জানুয়ারি শিশুটিকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। পুলিশ সূত্রে জানা যায় প্রায় ছয় মাস আগে টিকটকের মাধ্যমে ফরিদপুর জেলার সদরপুর উপজেলার বাড়ৈইহাট গ্রামের মিরাজ মোল্লার সঙ্গে সেতু বেগমের পরিচয় হয় এবং পরে তাদের মধ্যে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
শাহজালাল বিমানবন্দরে ভেপ, সিগারেট, স্বর্ণালংকারসহ ৩২ লাখ টাকার পণ্য জব্দ
এর জের ধরে গত ১৭ জানুয়ারি প্রেমিকের সহায়তায় শিশুটিকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় এবং মরদেহ ট্যাংকে লুকিয়ে রাখা হয়। ঘটনার পরপরই সেতু বেগম প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যান। তবে ১৯ দিন পর প্রেমিক তাকে ছেড়ে চলে গেলে সেতু বেগম নিজের বাবার বাড়িতে ফিরে আসেন। পরবর্তীতে পরিবারের জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা স্বীকার করলে স্বজনরা তাকে পুলিশে সোপর্দ করেন।
এস এম/ ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬




মন্তব্য করুন