হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

চকরিয়ায় মারছা বাস কেড়ে নিয়েছে একই পরিবারের পাঁচ নারী পর্যটকের প্রাণ,আহত তিনজন হাসপাতালে

এম.জিয়াবুল হক, চকরিয়া::

এম.জিয়াবুল হক, চকরিয়া::

বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫, ০৯:৩৭ অপরাহ্ন

কক্সবাজারের চকরিয়ায় বেপরোয়া গতির যাত্রীবাহি মারছা পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে বিপরীতমুখী নোহা মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের ৫ নারী পর্যটক নিহত হয়েছেন। এসময় নোহা মাইক্রোবাস চালক, তাঁর বাবা ও শিশু ছেলেসহ তিনজন আহত হয়েছেন।

বুধবার (৫ নভেম্বর) সকাল ১০ টার দিকে কক্সবাজার চট্টগ্রাম মহাসড়কের চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী হাঁসের দিঘিস্থ সেনাক্যাম্পের অদুরে ঢালা এলাকায় ঘটেছে এ সড়ক দুর্ঘটনা।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বাতিসা এলাকার এনামুল হকের স্ত্রী রুমানা আকতার (৬২), তাঁর মেয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিএ শিক্ষার্থী সাদিয়া হক (২৪), ছেলে আমিনুল হকের স্ত্রী লিজা মজুমদার (২৮), লিজার মা রাশেদা বেগম শিল্পী (৫০), তাঁর বোন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ছাত্রী ফারজানা মজুমদার (২৪)।
আহত ব্যক্তিরা হলেন এনামুল হক (৭২), তাঁর ছেলে মাইক্রোবাসের চালক আমিনুল হক (৪০) এবং আমিনুলের শিশুসন্তান সাদমান (৬)।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আতিকুর রহমান বলেন, নিহতদের একজন নিকটআত্মীয় জান্নাতুল ফেরদৌসের বাড়ি চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নে। তিনি বুধবার দুপুুরে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে নিহতদের পরিচয় সনাক্ত করেছেন।
জান্নাতুল ফেরদৌস (৩৮) নামের ওই নারী জানিয়েছে, বুধবার ভোরে আমিনুল হক তাঁর স্ত্রী-সন্তান, মা-বাবা–বোন, শাশুড়ি ও শ্যালিকাকে নিয়ে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। তিনি নিজেই (আমিনুল হক) তাঁর ব্যক্তিগত নোহা মাইক্রোবাসটি চালাচ্ছিলেন। সকাল দশটার দিকে চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী সেনাক্যাম্পের অদুরে ঢালা এলাকায় পৌঁছালে চট্টগ্রামমুখী মারছা পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এতে ঘটনাস্থলে এবং হাসপাতালে নেয়ার পর আমিনুল হকের স্ত্রী, মা-বোন, শাশুড়ি ও শ্যালিকা মারা যান। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আমিনুল, তাঁর বাবা এনামুল হক ও তাঁর শিশু সন্তান সাদমান। তাদেরকে প্রথমে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি যাত্রী নিয়ে সেন্টমার্টিনের ‘বার আউলিয়া’

চকরিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ তৌহিদুল আনোয়ার জানিয়েছেন, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার
বাতিসা এলাকার বাসিন্দা আমিনুল হক তাঁর স্ত্রী, শিশু মেয়ে, বৃদ্ধা মা-বাবা ও শ্বাশুড়ি, বিশ্বিবদ্যালয়ে পড়ুয়া বোন ও শ্যালিকাকে নিয়ে নিজের নোহা মাইক্রোবাসে করে কক্সবাজারের বেড়াতে যাবার পথে এ সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে।

চকরিয়া থানা পুলিশ, মালুমঁঘাট হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, যাত্রীবাহি মারছা পরিবহনের একটি বাস বুধবার সকালে কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম যাচ্ছিলেন। সকাল দশটার দিকে চকরিয়ার ফাসিয়াখালী সেনাক্যাম্প এলাকা অতিক্রমকালে বাসের সঙ্গে কক্সবাজারমুখী পর্যটকবাহি প্রাইভেট নোহা মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে নোহা মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এসময় ঘটনাস্থলে ৩ নারী এবং হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও ২ নারী মারা যায়। চকরিয়া উপজেলা সরকারি হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।

হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, নিহতেরা সবাই কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার একই পরিবারের সদস্য। তাঁরা একটি নোহা মাইক্রোবাস যোগে কক্সবাজার বেড়াতে যাচ্ছিলেন।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে চকরিয়া থানা পুলিশ, মালুমঘাট হাইওয়ে পুলিশ, সেনাবাহিনী, চকরিয়া ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় হতাহতদের উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায়।

এদিকে মহাসড়কে দুই গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষের পর ঘন্টার বেশি সময় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। এতে সড়কের উভয়পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে। পরে অবশ্য হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুর্ঘটনা কবলিত গাড়ি দুটি সরিয়ে নিলে মহাসড়কে পুনরায় যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

মহাসড়কের চকরিয়া উপজেলার মালুমঘাট হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান জানান, ঘটনাস্থল থেকে হতাহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলে তিনজন ও হাসপাতালে নেয়ার পর দুই নারী মারা গেছেন। নিহতরা সবাই নোহা মাইক্রোবাসের যাত্রী। তাঁরা স্ব পরিবারে কক্সবাজারে বেড়াতে যাচ্ছিলেন। মরদেহ গুলো আমাদের হেফাজতে রয়েছে।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) এএসপি অভিজিৎ দাশ বলেন, নিহত পাঁচ নারীর মরদেহ গুলোর প্রাথমিক সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে। এরইমধ্যে নিহতদের স্বজনদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হয়েছে। তাঁরা ঢাকা থেকে চকরিয়া এসে পৌঁছালে আইনী প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ গুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এএসপি অভিজিৎ দাশ বলেন, দুর্ঘটনা কবলিত গাড়ি দুটি হাইওয়ে পুলিশ জব্দ করেছে। এব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নিতে চকরিয়া থানার ওসিকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

কক্সবাজার
Card Image

চকরিয়ায় মারছা বাস কেড়ে নিয়েছে একই পরিবারের পাঁচ নারী পর্যটকের প্রাণ,আহত তিনজন হাসপাতালে

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

চকরিয়ায় মারছা বাস কেড়ে নিয়েছে একই পরিবারের পাঁচ নারী পর্যটকের প্রাণ,আহত তিনজন হাসপাতালে

প্রতিবেদক: এম.জিয়াবুল হক, চকরিয়া:: | প্রকাশিত: বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫, ০৯:৩৭ অপরাহ্ন
Print Image
কক্সবাজারের চকরিয়ায় বেপরোয়া গতির যাত্রীবাহি মারছা পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে বিপরীতমুখী নোহা মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের ৫ নারী পর্যটক নিহত হয়েছেন। এসময় নোহা মাইক্রোবাস চালক, তাঁর বাবা ও শিশু ছেলেসহ তিনজন আহত হয়েছেন। বুধবার (৫ নভেম্বর) সকাল ১০ টার দিকে কক্সবাজার চট্টগ্রাম মহাসড়কের চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী হাঁসের দিঘিস্থ সেনাক্যাম্পের অদুরে ঢালা এলাকায় ঘটেছে এ সড়ক দুর্ঘটনা। নিহত ব্যক্তিরা হলেন কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বাতিসা এলাকার এনামুল হকের স্ত্রী রুমানা আকতার (৬২), তাঁর মেয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিএ শিক্ষার্থী সাদিয়া হক (২৪), ছেলে আমিনুল হকের স্ত্রী লিজা মজুমদার (২৮), লিজার মা রাশেদা বেগম শিল্পী (৫০), তাঁর বোন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ছাত্রী ফারজানা মজুমদার (২৪)। আহত ব্যক্তিরা হলেন এনামুল হক (৭২), তাঁর ছেলে মাইক্রোবাসের চালক আমিনুল হক (৪০) এবং আমিনুলের শিশুসন্তান সাদমান (৬)। চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আতিকুর রহমান বলেন, নিহতদের একজন নিকটআত্মীয় জান্নাতুল ফেরদৌসের বাড়ি চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নে। তিনি বুধবার দুপুুরে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে নিহতদের পরিচয় সনাক্ত করেছেন। জান্নাতুল ফেরদৌস (৩৮) নামের ওই নারী জানিয়েছে, বুধবার ভোরে আমিনুল হক তাঁর স্ত্রী-সন্তান, মা-বাবা–বোন, শাশুড়ি ও শ্যালিকাকে নিয়ে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। তিনি নিজেই (আমিনুল হক) তাঁর ব্যক্তিগত নোহা মাইক্রোবাসটি চালাচ্ছিলেন। সকাল দশটার দিকে চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী সেনাক্যাম্পের অদুরে ঢালা এলাকায় পৌঁছালে চট্টগ্রামমুখী মারছা পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে এবং হাসপাতালে নেয়ার পর আমিনুল হকের স্ত্রী, মা-বোন, শাশুড়ি ও শ্যালিকা মারা যান। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আমিনুল, তাঁর বাবা এনামুল হক ও তাঁর শিশু সন্তান সাদমান। তাদেরকে প্রথমে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়েছে। চকরিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ তৌহিদুল আনোয়ার জানিয়েছেন, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বাতিসা এলাকার বাসিন্দা আমিনুল হক তাঁর স্ত্রী, শিশু মেয়ে, বৃদ্ধা মা-বাবা ও শ্বাশুড়ি, বিশ্বিবদ্যালয়ে পড়ুয়া বোন ও শ্যালিকাকে নিয়ে নিজের নোহা মাইক্রোবাসে করে কক্সবাজারের বেড়াতে যাবার পথে এ সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। চকরিয়া থানা পুলিশ, মালুমঁঘাট হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, যাত্রীবাহি মারছা পরিবহনের একটি বাস বুধবার সকালে কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম যাচ্ছিলেন। সকাল দশটার দিকে চকরিয়ার ফাসিয়াখালী সেনাক্যাম্প এলাকা অতিক্রমকালে বাসের সঙ্গে কক্সবাজারমুখী পর্যটকবাহি প্রাইভেট নোহা মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে নোহা মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এসময় ঘটনাস্থলে ৩ নারী এবং হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও ২ নারী মারা যায়। চকরিয়া উপজেলা সরকারি হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে মৃত্যু ঘোষণা করেন। হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, নিহতেরা সবাই কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার একই পরিবারের সদস্য। তাঁরা একটি নোহা মাইক্রোবাস যোগে কক্সবাজার বেড়াতে যাচ্ছিলেন। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে চকরিয়া থানা পুলিশ, মালুমঘাট হাইওয়ে পুলিশ, সেনাবাহিনী, চকরিয়া ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় হতাহতদের উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায়। এদিকে মহাসড়কে দুই গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষের পর ঘন্টার বেশি সময় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। এতে সড়কের উভয়পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে। পরে অবশ্য হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুর্ঘটনা কবলিত গাড়ি দুটি সরিয়ে নিলে মহাসড়কে পুনরায় যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়। মহাসড়কের চকরিয়া উপজেলার মালুমঘাট হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান জানান, ঘটনাস্থল থেকে হতাহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলে তিনজন ও হাসপাতালে নেয়ার পর দুই নারী মারা গেছেন। নিহতরা সবাই নোহা মাইক্রোবাসের যাত্রী। তাঁরা স্ব পরিবারে কক্সবাজারে বেড়াতে যাচ্ছিলেন। মরদেহ গুলো আমাদের হেফাজতে রয়েছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) এএসপি অভিজিৎ দাশ বলেন, নিহত পাঁচ নারীর মরদেহ গুলোর প্রাথমিক সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে। এরইমধ্যে নিহতদের স্বজনদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হয়েছে। তাঁরা ঢাকা থেকে চকরিয়া এসে পৌঁছালে আইনী প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ গুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এএসপি অভিজিৎ দাশ বলেন, দুর্ঘটনা কবলিত গাড়ি দুটি হাইওয়ে পুলিশ জব্দ করেছে। এব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নিতে চকরিয়া থানার ওসিকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×