হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে মার্কিন-বাংলাদেশ যৌথ মহড়া নিয়ে বাসদের বিবৃতি

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১০:২০ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ এক বিবৃতিতে ‘চট্টগ্রাম-কক্সবাজারে মার্কিন-বাংলাদেশ যৌথ মহড়া, ইমিগ্রেশন ছাড়া মার্কিন সেনাদের প্রবেশ, কক্সবাজার বিমান ঘাটিতে গোপন সভা, বিমান ঘাটি পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের জন্য মারাত্মক হুমকি’ বলে উল্লেখ করে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সংবাদপত্রে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘গত ১০ সেপ্টেম্বর মার্কিন সেনা ও বিমান বাহিনীর ১২০ জন সদস্য ইউএস বিমান বাহিনীর নিজস্ব ১৩০ জি সুপার হারকিউলিস বিমানে বাংলাদেশে আসেন এবং ১৪ সেপ্টেম্বর ইউএস বাংলা বিমানে কক্সবাজার যান। তাদের কারও ইমিগ্রেশন বা পাসপোর্ট পরীক্ষা করা হয়নি। যা দেশের প্রচলিত আইনের পরিপন্থি এবং সার্বভৌমত্বের জন্য মারাত্মক হুমকি।’

বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে করিডর প্রদান, তুরস্ককে সমরাস্ত্র কারখানার অনুমোদন দেওয়া এবং আরাকান, বান্দরবান, ভারতের মিজোরাম-নাগাল্যান্ড নিয়ে মার্কিনিদের নতুন রাষ্ট্র গঠনের পরিকল্পনার কথা যখন বহুল আলোচিত হচ্ছিল, তখন মার্কিন সেনাদের এহেন তৎপরতা বাংলাদেশ ও ভূরাজনীতির জন্য গভীর উদ্বেগের।’

বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘‘শুধু তাই নয়, গভীর রাতে কক্সবাজার বিমান ঘাটিতে এক গোপন বৈঠকে তারা মিলিত হন এবং রাতে বিমান ঘাটি পরিদর্শন ও পরীক্ষা নিরীক্ষা করেন। কক্সবাজারে রেডিসন ব্লু নামে যে হোটেলে তারা অবস্থান করেন, সেখানে আগে থেকেই ৮৫টি কক্ষ বুকিং দিয়ে রাখা হয়। অথচ মার্কিন সেনাদের কারও নাম হোটেলের রেজিস্টারে এন্ট্রি করা হয়নি।’

আরও পড়ুন

ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের সামরিক পদক্ষেপকে সমর্থন দিলেন রিপাবলিকান সিনেটর ডেভ ম্যাককরমিক

বিবৃতিতে ফিরোজ বলেন, ‘এ ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটছে, যখন বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শুল্ক বাণিজ্য নিয়ে টানাপোড়ন চলছে। এবং গত ৩১ আগস্ট ঢাকার হোটেল ওয়েস্টিন এ মার্কিন সেনার মৃতদেহ পাওয়া গেছে, যিনি বাংলাদেশের সেনাদের প্রশিক্ষণের দায়িত্বে ছিলেন।’

‘‘তাছাড়া এই মহড়া দেশের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি-ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যদিও ইতোপূর্বে আরও দুইটি যৌথ মহড়া ‘অপারেশন প্যাসিফিক এঞ্জেল’ ও ‘টাইগার লাইটিং’ নামে পরিচালিত হয়েছে।’’

‘যার উদ্দেশ্য বলা হয়েছে উভয় দেশের সশস্ত্র বাহিনীর আন্তঃসক্ষমতা বৃদ্ধি করা। মার্কিন এই সেনা টিম ২০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ছেড়ে যাওয়া কথা রয়েছে। সব থেকে উদ্বেগের ব্যাপার হলো— বাংলাদেশের সেনা সদর দফতর আইএসপিআরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনও বক্তব্য দেওয়া হয়নি।’

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে মার্কিন-বাংলাদেশ যৌথ মহড়া নিয়ে বাসদের বিবৃতি

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে মার্কিন-বাংলাদেশ যৌথ মহড়া নিয়ে বাসদের বিবৃতি

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১০:২০ পূর্বাহ্ন
Print Image
বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ এক বিবৃতিতে ‘চট্টগ্রাম-কক্সবাজারে মার্কিন-বাংলাদেশ যৌথ মহড়া, ইমিগ্রেশন ছাড়া মার্কিন সেনাদের প্রবেশ, কক্সবাজার বিমান ঘাটিতে গোপন সভা, বিমান ঘাটি পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের জন্য মারাত্মক হুমকি’ বলে উল্লেখ করে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সংবাদপত্রে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘গত ১০ সেপ্টেম্বর মার্কিন সেনা ও বিমান বাহিনীর ১২০ জন সদস্য ইউএস বিমান বাহিনীর নিজস্ব ১৩০ জি সুপার হারকিউলিস বিমানে বাংলাদেশে আসেন এবং ১৪ সেপ্টেম্বর ইউএস বাংলা বিমানে কক্সবাজার যান। তাদের কারও ইমিগ্রেশন বা পাসপোর্ট পরীক্ষা করা হয়নি। যা দেশের প্রচলিত আইনের পরিপন্থি এবং সার্বভৌমত্বের জন্য মারাত্মক হুমকি।’ বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে করিডর প্রদান, তুরস্ককে সমরাস্ত্র কারখানার অনুমোদন দেওয়া এবং আরাকান, বান্দরবান, ভারতের মিজোরাম-নাগাল্যান্ড নিয়ে মার্কিনিদের নতুন রাষ্ট্র গঠনের পরিকল্পনার কথা যখন বহুল আলোচিত হচ্ছিল, তখন মার্কিন সেনাদের এহেন তৎপরতা বাংলাদেশ ও ভূরাজনীতির জন্য গভীর উদ্বেগের।’ বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘‘শুধু তাই নয়, গভীর রাতে কক্সবাজার বিমান ঘাটিতে এক গোপন বৈঠকে তারা মিলিত হন এবং রাতে বিমান ঘাটি পরিদর্শন ও পরীক্ষা নিরীক্ষা করেন। কক্সবাজারে রেডিসন ব্লু নামে যে হোটেলে তারা অবস্থান করেন, সেখানে আগে থেকেই ৮৫টি কক্ষ বুকিং দিয়ে রাখা হয়। অথচ মার্কিন সেনাদের কারও নাম হোটেলের রেজিস্টারে এন্ট্রি করা হয়নি।’ বিবৃতিতে ফিরোজ বলেন, ‘এ ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটছে, যখন বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শুল্ক বাণিজ্য নিয়ে টানাপোড়ন চলছে। এবং গত ৩১ আগস্ট ঢাকার হোটেল ওয়েস্টিন এ মার্কিন সেনার মৃতদেহ পাওয়া গেছে, যিনি বাংলাদেশের সেনাদের প্রশিক্ষণের দায়িত্বে ছিলেন।’ ‘‘তাছাড়া এই মহড়া দেশের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি-ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যদিও ইতোপূর্বে আরও দুইটি যৌথ মহড়া ‘অপারেশন প্যাসিফিক এঞ্জেল’ ও ‘টাইগার লাইটিং’ নামে পরিচালিত হয়েছে।’’ ‘যার উদ্দেশ্য বলা হয়েছে উভয় দেশের সশস্ত্র বাহিনীর আন্তঃসক্ষমতা বৃদ্ধি করা। মার্কিন এই সেনা টিম ২০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ছেড়ে যাওয়া কথা রয়েছে। সব থেকে উদ্বেগের ব্যাপার হলো— বাংলাদেশের সেনা সদর দফতর আইএসপিআরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনও বক্তব্য দেওয়া হয়নি।’

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×