হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

টেকনাফে দুই স্কুলে তালা, ৮ শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৬ অপরাহ্ন
📌 সংক্ষেপ: কক্সবাজারের টেকনাফে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতি ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে দুই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই প্রধান শিক্ষকসহ আট শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে। এর আগে ওই দুই বিদ্যালয়ের ১১ শিক্ষক…

কক্সবাজারের টেকনাফে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতি ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে দুই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই প্রধান শিক্ষকসহ আট শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে। এর আগে ওই দুই বিদ্যালয়ের ১১ শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল।

আজ বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা আবু নোমান মো. আবদুল্লাহ।

বিভাগীয় মামলার আওতায় আসা শিক্ষকরা হলেন- হোয়াইক্যং ইউনিয়নের হরিখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলী আকবর সাজ্জাদ এবং লাতুরিখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাসিমা আক্তারসহ দুই বিদ্যালয়ের আরও ছয় শিক্ষক।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৬ সেপ্টেম্বর দুই বিদ্যালয়ের ১১ শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকা এবং দায়িত্ব পালনে অবহেলার বিষয়ে তাঁদের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়।

আরও পড়ুন

অবসরোত্তর বিধিনিষেধের অজুহাতে ৬০% অতিরিক্ত ভাতার দাবি বিটিআরসির: তোলপাড় প্রশাসনিক অঙ্গনে

এর আগে বিদ্যালয় দুটিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী না থাকা এবং শ্রেণিকক্ষগুলো তালাবদ্ধ থাকার অভিযোগ ওঠে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম অনীক চৌধুরী সরেজমিন বিদ্যালয় দুটি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের সময় বিদ্যালয়ে শিক্ষক, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের কাউকে পাওয়া যায়নি। শ্রেণিকক্ষগুলোও তালাবদ্ধ ছিল।

এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ১১ শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। পরে তদন্তে দুই বিদ্যালয়ের তিন শিক্ষক ছুটিতে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হয়। তাঁদের বাদ দিয়ে দুই প্রধান শিক্ষকসহ আট শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম অনীক চৌধুরী বলেন, ‘দুই বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তদন্তে যাঁদের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী বিভাগীয় মামলা হয়েছে।

টেকনাফ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা আবু নোমান মো. আবদুল্লাহ বলেন, ‘প্রথমে ১১ শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। তদন্তের পর দুই বিদ্যালয়ের দুই প্রধান শিক্ষকসহ আটজনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে তাঁদের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

❓ সাধারণ জিজ্ঞাসা

প্রশ্ন: টেকনাফে দুই স্কুলে তালা, ৮ শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা সম্পর্কিত তথ্য কী?

উত্তর: কক্সবাজারের টেকনাফে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতি ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে দুই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই প্রধান শিক্ষকসহ আট শিক্ষকের বিরুদ্ধে। মূল সংবাদ থেকে বিস্তারিত জানুন।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

টেকনাফে দুই স্কুলে তালা, ৮ শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

টেকনাফে দুই স্কুলে তালা, ৮ শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৬ অপরাহ্ন
Print Image
কক্সবাজারের টেকনাফে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতি ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে দুই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই প্রধান শিক্ষকসহ আট শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে। এর আগে ওই দুই বিদ্যালয়ের ১১ শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। আজ বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা আবু নোমান মো. আবদুল্লাহ। বিভাগীয় মামলার আওতায় আসা শিক্ষকরা হলেন- হোয়াইক্যং ইউনিয়নের হরিখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলী আকবর সাজ্জাদ এবং লাতুরিখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাসিমা আক্তারসহ দুই বিদ্যালয়ের আরও ছয় শিক্ষক। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৬ সেপ্টেম্বর দুই বিদ্যালয়ের ১১ শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকা এবং দায়িত্ব পালনে অবহেলার বিষয়ে তাঁদের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। এর আগে বিদ্যালয় দুটিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী না থাকা এবং শ্রেণিকক্ষগুলো তালাবদ্ধ থাকার অভিযোগ ওঠে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম অনীক চৌধুরী সরেজমিন বিদ্যালয় দুটি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের সময় বিদ্যালয়ে শিক্ষক, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের কাউকে পাওয়া যায়নি। শ্রেণিকক্ষগুলোও তালাবদ্ধ ছিল। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ১১ শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। পরে তদন্তে দুই বিদ্যালয়ের তিন শিক্ষক ছুটিতে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হয়। তাঁদের বাদ দিয়ে দুই প্রধান শিক্ষকসহ আট শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে। টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম অনীক চৌধুরী বলেন, ‘দুই বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তদন্তে যাঁদের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী বিভাগীয় মামলা হয়েছে। টেকনাফ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা আবু নোমান মো. আবদুল্লাহ বলেন, ‘প্রথমে ১১ শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। তদন্তের পর দুই বিদ্যালয়ের দুই প্রধান শিক্ষকসহ আটজনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে তাঁদের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×