টেকনাফে নিখোঁজ হওয়া২৪ঘন্টা পর পুকুর থেকে শিশু কন্যা নুসরাত আফসি মনি(৪) মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।এসময় স্থানীয়দের সহয়তায় সন্দেহজনক ৮জনকে আটক করা হয়।
রবিবার(৫ অক্টোবর) দুপুরে হ্নীলা পাশ্ববর্তী পুকুরে ভাসমান অবস্থায় দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা শিশুটি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।গতকাল শনিবার দুপুরে বাড়ির উঠানে খেলার সময় নিখোঁজ হয় আফসি মনি।নিহত শিশু আফসি সেই হ্নীলা হোয়াকিয়া গ্রামের ইন্জিনিয়ার মামুনুর রশিদ বাঁধনের কন্যা।
এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ মডেল থানার তদন্ত(ওসি)হিমেল রায়।
পরিবার ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়,গত শনিবার দুপুরে পূর্ব পানখালীর নিজ বাড়ির উঠানে খেলা করছিল।একপর্যায়ে শিশু আফসি মনিকে দেখতে না পায়ে আত্মীয় স্বজনসহ সম্ভাব্য স্থানে খোঁজ নিতে থাকে।কোথাও না পেয়ে পাশ্ববর্তী দিলদার আহমদ মেম্বারের একটি পুকুর ছিল। ওই পুকুরেও ১০-১২টি জাল দিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা খুঁজতে থাকেন।কিন্তু কোন হদিস মেলেনি।
জাপানের সঙ্গে ২৩টি বড় চুক্তি ও স্মারক সই: ২ লাখ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ
অবশেষে২৪ঘন্টার পর ওই পুকুরে রোববার দুপুরে শিশু আফসি মনি’র মৃতদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা উদ্ধার করেন।উদ্ধার সময়ে শিশুর মৃতদেহটি নরম ছিল।কানের দুল দুটি নেই, মুখে কস্টেপের (প্লাস্টার) দাগ রয়েছে।
এই থেকে স্থানীয়রা ধারণা করছেন,এ শিশুটিকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে।অথবা কানের দুল ছিনিয়ে নিতে এ হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে।সম্ভবত দুল ছিনিয়ে নেওয়াদের চিনতে পারায় তাকে হত্যা করে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে।
এদিকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহের সুরতহাল তৈরি করে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করেছেন।এ ঘটনায় সন্দেহভাজন আট জনকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয়রা।
এসময় এলাকাবাসীর রোষানল থেকে আটককৃতদের বাঁচাতে পুলিশের পাশাপাশি বিজিবি সদস্যরাও নিয়োজিত ছিল।তবে এখনো নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না কে বা কারা এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত।পুলিশ তদন্ত করছে।শিগগিরই প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার দাবী জানান স্থানীয়রা এবং সচেতন মহলের।
এব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানার তদন্ত(ওসি) হিমেল রায় বলেন,এ ঘটনায় স্থানীয়দের সহয়তায় সন্দেহজনক৮জনকে আটক করা হয়েছে।অভিযোগ ফেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
শিশু মৃতদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।




মন্তব্য করুন