কক্সবাজারের টেকনাফে পৃথক দুটি বিশেষ অভিযান চালিয়ে মোট ২৮ লিটার বাংলা মদসহ চারজন মাদক পাচারকারীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
১৪ অক্টোবর সন্ধ্যায় ও রাতে মেরিন ড্রাইভ সড়কে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) জানায়, মাদক চোরাচালান দমনে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ব্যাটালিয়ন অধিনায়কের নির্দেশে মেরিন ড্রাইভ সড়কের লম্বরীঘাট ও তুলাতলী ঘাট এলাকায় একাধিক টহল দল মোতায়েন করা হয়।
প্রথম অভিযান (লম্বরীঘাট)
কানাডার নতুন বাজেটে কার ভাগ্যে কতটা প্রাপ্তি
সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটে লম্বরীঘাট এলাকায় যানবাহন তল্লাশির সময় একটি অটোরিকশাকে থামানো হয়। এ সময় অটোরিকশার পিছনের সিটে বসা দুজন অজ্ঞাত ব্যক্তি দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে অটোরিকশার সামনের ও পিছনের সিটের নিচে বিশেষভাবে লুকানো অবস্থায় ২৪ লিটার বাংলা মদ উদ্ধার করা হয় এবং দুজনকে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন, টেকনাফের মংখালি চাকমা পাড়ার নুরুল আমিন এবং হ্নীলার শফিকুল।
দ্বিতীয় অভিযান (তুলাতলী ঘাট)
প্রথম অভিযানে আটককৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওই দিন রাত ১০টা ২০ মিনিটে তুলাতলী ঘাট এলাকায় আরও একটি অভিযান চালানো হয়। মেরিন ড্রাইভ রোড সংলগ্ন শাপলাপুর থেকে সাবরাংগামী একটি অটোরিকশা তুলাতুলি অস্থায়ী চেকপোস্টের কাছে এলে বিজিবি সদস্যরা থামার সংকেত দেন। এ সময় অটোরিকশা থামিয়ে ২/৩ জন ব্যক্তি পালিয়ে গেলেও বিজিবি টহল দল আক্তার হোসেন এবং মো. সোহেল নামে দুজনকে আটক করে। পরে অটোরিকশাটি তল্লাশি করে পিছনের সিটের নিচ থেকে আরও ৪ লিটার বাংলা মদ উদ্ধার করা হয়।
আটককৃত আক্তার হোসেন সাবরাং মন্ডলপাড়ার এবং মো. সোহেল করাচিপাড়ার বাসিন্দা।
টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান পিএসসি জানান, মাদক পাচার চক্রের ধৃত সকল আসামিকে স্থানীয় থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও অপরাধ দমনে বিজিবি’র জিরো টলারেন্স নীতিতে এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।




মন্তব্য করুন