কক্সবাজারের টেকনাফে পাহাড় ঘিরে সক্রিয় ৪-৫টি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল। বিশেষ করে ডাকাতি ছাড়াও তারা সাগরপথে মানব পাচার, অপহরণ, মাদক কারবারে জড়িত। এসব দলের মূলহোতা ডাকাত আরিফুল ইসলাম। সোমবার ভোরে টেকনাফের নতুন পল্লানপাড়া পাহাড়ি বৈদ্যঘোনা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে র্যাব-১৫।
ইসরায়েল নির্বাচনে নেতানিয়াহুর জোট এগিয়ে, জয়ের পেছনে নিজের সমর্থনকে কৃতিত্ব দিলেন ট্রাম্প
র্যাব বলছে, আটক আব্দুল আরফ ওরফে আরিফুল ইসলাম (৪৬) টেকনাফের নতুন পল্লান পাড়া মৃত সিরাজুল ইসলাম মেম্বারের ছেলে। সে সাগর পথে মানব পাচার, অপহরণের মূলহোতা ছিল। রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি স্থানীয় মানুষদের জিম্মি করে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে মিয়ানমার ও মালয়েশিয়ায় পাচার করত। তার ভাই ইউপি সদস্য মো. ফারুক মেম্বারের ছত্রছায়ায় এলাকায় ভয়ংকর মানব পাচার সিন্ডিকেট রয়েছে তার। এমন কি এসব কাজে ব্যবহার করতে কিশোর গ্যাংও গড়ে তোলে। তার বিরুদ্ধে মানব পাচার, ডাকাতি ও মাদকসহ থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
এ বিষয়ে কক্সবাজারের র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১৫) এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (ল’ এন্ড মিডিয়া) মোঃ আবু সালাম চৌধুরী জানান, ‘শীর্ষ ডাকাত এবং মানব পাচারের মূলহোতা আরিফের অবস্থানের খবরে র্যাব ওই এলাকা ঘিরে অভিযান পরিচালনা করে। এসময় পালানো চেষ্টাকালে তাকে আটক করা হয়।সে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে দীর্ঘ দিন ধরে পাহাড় কেন্দ্রীক মাদক, অপহরণ মানব পাচারসহ ডাকাতির আস্তানা গড়ে তোলেন। আমরা তার সহযোগীদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রেখেছি।’
মডেল থানার ওসি আব্দুল হালিম জানান, ‘পাহাড়ের ত্রাস শীর্ষ ডাকাত ও মানব পাচারকারীর মূলহোতা আটক আরিফুল ইসলামকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে রিমান্ড চাওয়া হবে’।




মন্তব্য করুন