ঠাকুরগাঁও, ১৬ মার্চ – ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এক মাস আগে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের মানুষের অভাব অভিযোগ শুনতে ও সমাধানে একটি ওয়েবসাইট চালু করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
অল্প সময়ের মধ্যেই এই উদ্যোগে মানুষের ব্যাপক সাড়া মিলেছে। গত আড়াই মাসে ওই ওয়েবসাইটে মন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকার মানুষ মোট ৫২৫টি বার্তা পাঠিয়েছেন।
এবার মিরপুরে প্রাইভেটকার লক্ষ্য করে ককটেল বিস্ফোরণ, রাজধানীতে বাড়ছে নিরাপত্তা উদ্বেগ
প্রথম পর্যায়ে ২৫০টি বার্তা পর্যালোচনা করে সেগুলোকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে আর্থিক সহায়তা, রাস্তাঘাট, মসজিদ মন্দির ও অবকাঠামো উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, চাঁদাবাজি ও মাদক সংক্রান্ত অভিযোগ, জমিজমা ও পারিবারিক সমস্যা এবং চিকিৎসা ও শিক্ষা সহায়তার আবেদন উল্লেখযোগ্য।
সোমবার বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে এসব তথ্য তুলে ধরেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি জানান, নির্বাচনের পর এসব আবেদনের ভিত্তিতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। অবকাঠামো উন্নয়নের আবেদনগুলো তালিকাভুক্ত করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হয়েছে। ইতোমধ্যে মসজিদ মন্দিরে বরাদ্দ দেওয়া শুরু হয়েছে। এছাড়া মেডিকেল কলেজ ও বিমানবন্দর প্রকল্পের প্রাথমিক কার্যক্রম, ফ্যামিলি কার্ড পাইলট প্রকল্প এবং সড়ক উন্নয়নের বরাদ্দ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এদিকে সাধারণ মানুষের কথা শোনার এই ডিজিটাল উদ্যোগকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন স্থানীয়রা। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বাসিন্দা আব্দুর রহমান ও পৌর শহরের গোয়ালপাড়ার বাসিন্দা মাহবুব আলম জানান, জনপ্রতিনিধিদের কাছে সরাসরি নিজেদের সমস্যার কথা জানানোর এই সুযোগ সাধারণ মানুষের মনে আশা জাগিয়েছে।
ঠাকুরগাঁওয়ের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর মনতোষ কুমার দে এই উদ্যোগকে গণতান্ত্রিক রাজনীতির জন্য একটি ইতিবাচক ও সময়োপযোগী দৃষ্টান্ত বলে মন্তব্য করেছেন।
এনএন/ ১৬ মার্চ ২০২৬




মন্তব্য করুন