বরিশাল, ১ ফেব্রুয়ারি – আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অবাধ ও স্বচ্ছ করতে ভোটগ্রহণ থেকে শুরু করে গণনা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ কঠোর নজরদারির আওতায় রাখা হবে। রবিবার সকালে বরিশাল সার্কিট হাউসে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, ডিজিটাল সেল ও পর্যবেক্ষণ টিমের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এ কথা জানিয়েছেন।
তিনি উল্লেখ করেন যে প্রবাসীদের ব্যালটে মোট ১১৯টি প্রতীক থাকায় ভোট গণনার ক্ষেত্রে কিছুটা বাড়তি সময় প্রয়োজন হতে পারে। ব্যালট পেপারের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন এবং লাইভ ভেরিফিকেশন ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক থাকায় ভোট জালিয়াতির কোনো সুযোগ থাকবে না।
জাপানের সঙ্গে ২৩টি বড় চুক্তি ও স্মারক সই: ২ লাখ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ
ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনী সরঞ্জাম ব্যবহারের ক্ষেত্রে নতুন নির্দেশনার কথা তুলে ধরে নির্বাচন কমিশনার বলেন শুধুমাত্র প্রিজাইডিং অফিসার কলম ব্যবহার করার অনুমতি পাবেন এবং অন্য কর্মকর্তাদের পেন্সিল ব্যবহার করতে হবে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রতিটি সংসদীয় আসনে দশ জন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সার্বক্ষণিক মাঠে থাকবেন। মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে ভোট কেনাবেচা রোধে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে এবং প্রয়োজনে অর্থ লেনদেনে নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কোনো ধরনের আপ্যায়ন গ্রহণ না করার নির্দেশনা পুনর্ব্যক্ত করে তিনি অপতথ্য রোধে দ্রুত সঠিক তথ্য প্রচারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এনএন/ ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬




মন্তব্য করুন