ঢাকা, ০১ জানুয়ারি – চলতি ডিসেম্বরের ২৯ দিনে দেশে ৩ বিলিয়ন বা ৩০০ কোটি মার্কিন ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে, যা ডলার সংকট কমাতে সাহায্য করেছে। একই সঙ্গে ব্যাংকগুলো থেকে অতিরিক্ত ডলার কেনার ফলে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ বেড়ে ৩৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দিন শেষে দেশের গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৩ দশমিক ১৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম–৬ অনুযায়ী রিজার্ভ হয়েছে ২৮ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার।
শাহজালাল বিমানবন্দরে ভেপ, সিগারেট, স্বর্ণালংকারসহ ৩২ লাখ টাকার পণ্য জব্দ
বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এসব তথ্য জানিয়েছেন।
গত ৯ নভেম্বর এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসের প্রায় ১৬১ কোটি ডলারের বিল পরিশোধের পর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে ৩১ দশমিক ১৪ বিলিয়ন ডলারে নেমেছিল। পরবর্তী সময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার কেনায় ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে রিজার্ভ। ১১ ডিসেম্বর গ্রস রিজার্ভ বেড়ে হয় ৩২ দশমিক ১২ বিলিয়ন ডলার, আর বিপিএম–৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ২৭ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলার।
মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় বাদ দিলে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ পাওয়া যায়। এর বাইরে বাংলাদেশ ব্যাংকের আরেকটি হিসাব রয়েছে, যা ব্যয়যোগ্য বা ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ নামে পরিচিত। যদিও এ তথ্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করে না। এই হিসাবের ক্ষেত্রে আইএমএফের এসডিআর খাতে থাকা ডলার, ব্যাংকগুলোর বৈদেশিক মুদ্রা ক্লিয়ারিং হিসাব এবং আকুর বিল বাদ দেওয়া হয়।
এ পরিস্থিতিতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ জোরদার করতে বাংলাদেশ সরকার ২০২২ সালের জুলাইয়ে আইএমএফের কাছে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ সহায়তার আবেদন করে।
সূত্র: ঢাকা পোস্ট
এনএন/ ০১ জানুয়ারি ২০২৫




মন্তব্য করুন