ঢাকা, ১৪ জানুয়ারি – আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ভুয়া তথ্য ও বিভ্রান্তি ঠেকাতে জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয়ের সহায়তা চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। এ বিষয়ে তিনি মঙ্গলবার টেলিফোনে কথা বলেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্কের সঙ্গে।
আলোচনায় অধ্যাপক ইউনূস বলেন, নির্বাচন ঘিরে ভুয়া তথ্যের এক ধরনের বন্যা চলছে। বিদেশি গণমাধ্যমের পাশাপাশি দেশের ভেতরের নানা সূত্র থেকেও এসব তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। তিনি জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা খবর, গুজব ও নানা অনুমান ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে, যা পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়ার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে সরকার উদ্বিগ্ন।
২০২৭ সালের সরকারি ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি: মোট ২৯ দিন, কার্যকর ছুটি ২২ দিন
জবাবে ভলকার তুর্ক বলেন, বিষয়টি তাঁর নজরে এসেছে। তিনি জানান, ভুয়া তথ্যের এই বাড়তে থাকা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় বাংলাদেশের পাশে থাকবে। তিনি বলেন, ভুয়া তথ্যের পরিমাণ অনেক এবং এই সমস্যা মোকাবিলায় যা যা করা প্রয়োজন, তারা তা করবে। এ ক্ষেত্রে জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।
টেলিফোনে আলাপের সময় দুই পক্ষ আসন্ন গণভোট, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের গুরুত্ব, গুম সংক্রান্ত কমিশনের কার্যক্রম, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (এনএইচআরসি) গঠন এবং বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন।
ভলকার তুর্ক গুম সংক্রান্ত বিষয়গুলোর অনুসন্ধান ও কাজ এগিয়ে নিতে বাস্তব অর্থে স্বাধীন একটি জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গঠনের গুরুত্ব তুলে ধরেন। এর জবাবে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ ইতিমধ্যে জারি করা হয়েছে এবং ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগেই নতুন কমিশন পুনর্গঠন করা হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা যাওয়ার আগেই এটি করব।’
ফোনালাপের সময় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন এসডিজি সমন্বয়ক ও জ্যেষ্ঠ সচিব লামিয়া মোরশেদ।
এনএন/ ১৪ জানুয়ারি ২০২৬




মন্তব্য করুন