আন্তর্জাতিক পর্নোগ্রাফি ওয়েবসাইটে কনটেন্ট প্রকাশ করে বাংলাদেশকে বিতর্কে ফেলে দেওয়া বাংলাদেশি দম্পতি বৃষ্টি ও আজিমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
টোকিওর মতবিনিময় সভায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার রোডম্যাপ তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
সিআইডি জানায়, দম্পতি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের ভেতরেই পর্ন ভিডিও তৈরি করে তা আন্তর্জাতিক পর্নোগ্রাফি সাইটগুলোতে আপলোড করছিলেন।তাদের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারের আগে বৃষ্টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক লাইভে এসে নিজের জীবন ও বিতর্কিত কর্মকাণ্ড নিয়ে বক্তব্য দেন।লাইভে তিনি বলেন, জীবনের নানা প্রতিবন্ধকতা ও সামাজিক বৈষম্যের কারণে তারা ভুল পথে পা বাড়িয়েছিলেন। তবে তার বক্তব্যে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও দলীয় নেতাদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যও ছিল।
ফেসবুক লাইভে বৃষ্টি বলেন,“আমি খারাপ মানুষ, কিন্তু কেউ জানতে চায়নি কেন খারাপ হয়েছি। কেউ পাশে ছিল না, না পরিবার, না সমাজ। সাহায্য না পেয়ে আমরা ভুল পথে গেছি।”
এক বছরের মধ্যেই তাদের কনটেন্টের ভিউ সংখ্যা ছাড়ায় ২৬৭ মিলিয়ন।প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, এই পুরো সময় তারা বাংলাদেশের ভেতর থেকেই এসব ভিডিও ধারণ করেন।
বৃষ্টি নিজেকে ‘বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান মডেল’ হিসেবে পরিচয় দিতেন, এবং বর্তমানে তিনি একটি আন্তর্জাতিক র্যাংকিংয়ে অষ্টম স্থানে রয়েছেন বলে দাবি করা হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বৃষ্টি ও আজিমের একাধিক অ্যাকাউন্টে পাওয়া গেছে বিলাসবহুল জীবনযাপনের চিত্র—নগদ টাকার স্তূপ, দামি গাড়ি ও মোটরবাইক, পার্টির ছবি এবং নিজেদের ভিডিওর প্রচারমূলক পোস্ট।
জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী, বৃষ্টি মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার বাসিন্দা।তবে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিনি সেখানকার এক জেলের স্ত্রী ছিলেন। তার শ্বশুর গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন যে, বৃষ্টি তাদের পুত্রবধূ ছিলেন, পরে সংসার ভেঙে আলাদা হন।
দম্পতিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে।




মন্তব্য করুন