হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

পাকিস্তানের নতুন প্রধান বিচারপতি কে এই ফয়েজ ঈসা?

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন


ইসলামবাদ, ১৭ সেপ্টেম্বর – পাকিস্তানের ২৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন কাজী ফয়েজ ঈসা। রোববার (১৭ সেপ্টেম্বর) ইসলামাবাদের আইওয়ান-ই-সদরে (প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন) এক অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি তাকে শপথবাক্য পাঠ করান। এসময় সেখানে পাকিস্তানের তত্বাবধায়ক সরকারের প্রধানমন্ত্রী আনোয়ারুল হক কাকার এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনিরও উপস্থিত ছিলেন।

দেশটির সংবাদমাধ্যম ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়, বিচারপতি কাজী ফয়েজ ঈসা ১৯৫৯ সালের ২৬ অক্টোবর পাকিস্তানের কোয়েটায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বেলুচিস্তানের পিশিন শহরের প্রয়াত কাজী মোহাম্মদ ঈসার ছেলে। বিচারপতি কাজী ফয়েজ ঈসার বাবা পাকিস্তান আন্দোলনের অগ্রভাগে ছিলেন এবং দেশটির প্রতিষ্ঠাতা কায়েদ-ই-আজম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন।

আরও পড়ুন

এবার মিরপুরে প্রাইভেটকার লক্ষ্য করে ককটেল বিস্ফোরণ, রাজধানীতে বাড়ছে নিরাপত্তা উদ্বেগ

বিচারপতি ঈসার বাবা ছিলেন বেলুচিস্তান প্রদেশের প্রথম ব্যক্তি যিনি বার-অ্যাট-ল ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন এবং লন্ডন থেকে ফিরে আসার পর বেলুচিস্তানে অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করেন। তার বাবা বেলুচিস্তান থেকে অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগের কেন্দ্রীয় ওয়ার্কিং কমিটির একমাত্র সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

বিচারপতি ঈসার মা বেগম সাইদা ঈসা একজন সমাজকর্মী ছিলেন এবং শিক্ষা, শিশু ও নারীদের স্বাস্থ্য সমস্যাগুলো নিয়ে কাজ করে এমন হাসপাতাল ও অন্যান্য দাতব্য সংস্থার বোর্ডে সম্মানসূচক পদে কাজও করেছিলেন তিনি।

কোয়েটায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা শেষ করার পর ঈসা করাচিতে চলে যান এবং করাচি গ্রামার স্কুল (কেজিএস) থেকে তার ‘ও’ এবং ‘এ’ লেভেল শেষ করেন। এর পর তিনি আইন বিষয়ে পড়াশোনা করতে লন্ডনে যান এবং সেখানে তিনি ইনস অব কোর্ট স্কুল ল থেকে বার প্রফেশনাল পরীক্ষা সম্পন্ন করেন।

বিচারপতি ঈসা ১৯৮৫ সালের ৩০ জানুয়ারি বেলুচিস্তান হাইকোর্টের অ্যাডভোকেট এবং ১৯৯৮ সালের মার্চ মাসে পাকিস্তান সুপ্রিমকোর্টের অ্যাডভোকেট হিসেবে নথিভুক্ত হন। তিনি পাকিস্তানের হাইকোর্ট, ফেডারেল শরীয়ত আদালত এবং পাকিস্তানের সুপ্রিমকোর্টে ২৭ বছরেরও বেশি সময় ধরে আইন প্রাকটিস করেছেন।

তিনি বেলুচিস্তান হাইকোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন, সিন্ধু হাইকোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন এবং পাকিস্তানের সুপ্রিমকোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের আজীবন সদস্য। বিভিন্ন সময়ে পাকিস্তানের হাইকোর্ট এবং সুপ্রিমকোর্ট তাকে অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে ডাকতো এবং কিছু জটিল মামলায় তার সহায়তা গ্রহণ করতো। তিনি আন্তর্জাতিক সালিশও পরিচালনা করেছেন।

বিচারপতি কাজী ফয়েজ ঈসা ২০১৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতি হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন।

সূত্র: বাংলাদেশ জার্নাল
আইএ/ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩




coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

পাকিস্তানের নতুন প্রধান বিচারপতি কে এই ফয়েজ ঈসা?

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

পাকিস্তানের নতুন প্রধান বিচারপতি কে এই ফয়েজ ঈসা?

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] ইসলামবাদ, ১৭ সেপ্টেম্বর – পাকিস্তানের ২৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন কাজী ফয়েজ ঈসা। রোববার (১৭ সেপ্টেম্বর) ইসলামাবাদের আইওয়ান-ই-সদরে (প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন) এক অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি তাকে শপথবাক্য পাঠ করান। এসময় সেখানে পাকিস্তানের তত্বাবধায়ক সরকারের প্রধানমন্ত্রী আনোয়ারুল হক কাকার এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনিরও উপস্থিত ছিলেন। দেশটির সংবাদমাধ্যম ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়, বিচারপতি কাজী ফয়েজ ঈসা ১৯৫৯ সালের ২৬ অক্টোবর পাকিস্তানের কোয়েটায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বেলুচিস্তানের পিশিন শহরের প্রয়াত কাজী মোহাম্মদ ঈসার ছেলে। বিচারপতি কাজী ফয়েজ ঈসার বাবা পাকিস্তান আন্দোলনের অগ্রভাগে ছিলেন এবং দেশটির প্রতিষ্ঠাতা কায়েদ-ই-আজম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন। বিচারপতি ঈসার বাবা ছিলেন বেলুচিস্তান প্রদেশের প্রথম ব্যক্তি যিনি বার-অ্যাট-ল ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন এবং লন্ডন থেকে ফিরে আসার পর বেলুচিস্তানে অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করেন। তার বাবা বেলুচিস্তান থেকে অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগের কেন্দ্রীয় ওয়ার্কিং কমিটির একমাত্র সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। বিচারপতি ঈসার মা বেগম সাইদা ঈসা একজন সমাজকর্মী ছিলেন এবং শিক্ষা, শিশু ও নারীদের স্বাস্থ্য সমস্যাগুলো নিয়ে কাজ করে এমন হাসপাতাল ও অন্যান্য দাতব্য সংস্থার বোর্ডে সম্মানসূচক পদে কাজও করেছিলেন তিনি। কোয়েটায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা শেষ করার পর ঈসা করাচিতে চলে যান এবং করাচি গ্রামার স্কুল (কেজিএস) থেকে তার ‘ও’ এবং ‘এ’ লেভেল শেষ করেন। এর পর তিনি আইন বিষয়ে পড়াশোনা করতে লন্ডনে যান এবং সেখানে তিনি ইনস অব কোর্ট স্কুল ল থেকে বার প্রফেশনাল পরীক্ষা সম্পন্ন করেন। বিচারপতি ঈসা ১৯৮৫ সালের ৩০ জানুয়ারি বেলুচিস্তান হাইকোর্টের অ্যাডভোকেট এবং ১৯৯৮ সালের মার্চ মাসে পাকিস্তান সুপ্রিমকোর্টের অ্যাডভোকেট হিসেবে নথিভুক্ত হন। তিনি পাকিস্তানের হাইকোর্ট, ফেডারেল শরীয়ত আদালত এবং পাকিস্তানের সুপ্রিমকোর্টে ২৭ বছরেরও বেশি সময় ধরে আইন প্রাকটিস করেছেন। তিনি বেলুচিস্তান হাইকোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন, সিন্ধু হাইকোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন এবং পাকিস্তানের সুপ্রিমকোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের আজীবন সদস্য। বিভিন্ন সময়ে পাকিস্তানের হাইকোর্ট এবং সুপ্রিমকোর্ট তাকে অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে ডাকতো এবং কিছু জটিল মামলায় তার সহায়তা গ্রহণ করতো। তিনি আন্তর্জাতিক সালিশও পরিচালনা করেছেন। বিচারপতি কাজী ফয়েজ ঈসা ২০১৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতি হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন। সূত্র: বাংলাদেশ জার্নালআইএ/ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×