হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

পুলিশের ৭.৬২ বুলেট ও বহিরাগত ইস্যু নিয়ে মুখ খুললেন সাখাওয়াত হোসেন

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন


ঢাকা, ২৭ ফেব্রুয়ারি – ৭.৬২ বুলেট ও সমরাস্ত্র ব্যবহার নিয়ে এবার মুখ খুলেছেন বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন। তিনি জানিয়েছেন ৭.৬২ বুলেট ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত করার ইচ্ছে তার ছিল। বৃহস্পতিবার একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এই স্পর্শকাতর বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেন।

চব্বিশের ছাত্র জনতার আন্দোলনের পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠন হলেও দেশের পরিস্থিতি তখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি এবং ওই সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছিলেন এম সাখাওয়াত হোসেন। পরবর্তীকালে অবশ্য তাকে সেই দায়িত্ব থেকে সরিয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়। সেই সময়ের স্মৃতিচারণ করে সাবেক এই উপদেষ্টা জানান তিনি আহত আনসার সদস্যদের দেখতে গিয়েছিলেন। ওই সময় তিনি বেশ কিছু ভিডিও ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করেন যেখানে লুঙ্গি ও গেঞ্জি পরিহিত এবং হেলমেট লাগানো ব্যক্তিদের হাতে পুলিশের রাইফেল দেখা গেছে।

আরও পড়ুন

জাপানের সঙ্গে ২৩টি বড় চুক্তি ও স্মারক সই: ২ লাখ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ

তিনি বিশ্লেষণ করে বলেন পুলিশের কাছে ৭.৬২ চাইনিজ রাইফেল বা টাইপ ৩৯ থাকার প্রমাণ মিলেছে যা মূলত একটি অত্যন্ত মারনাত্মক সমরাস্ত্র। তিনি প্রশ্ন তোলেন পুলিশকে এই বিশেষ রাইফেলগুলো কবে এবং কেন দেওয়া হয়েছে তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। তার ইচ্ছে ছিল এটা নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করার কারণ সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী এই ধরণের যুদ্ধাস্ত্র পুলিশের কাছে থাকার কথা নয়। তদন্ত করতে পেরেছিলেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান তিনি পরে ওই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন না তাই তদন্ত করার সুযোগ পাননি। তিনি আরও প্রশ্ন রেখেছিলেন যে এই রাইফেলগুলো বা এই গোলাবারুদ পুলিশের হাত থেকে সাধারণ মানুষের কাছে কীভাবে গেল। এর পেছনের প্রেক্ষাপট নিয়ে তাকে আর কেউ জিজ্ঞাসাবাদ করেনি বলে তিনি উল্লেখ করেন। এম সাখাওয়াত হোসেন আরও দাবি করেন তার কাছে এমন কিছু ছবি আছে যা সন্দেহজনক এবং ভিডিওতে দেখা ব্যক্তিদের শারীরিক গঠন স্থানীয়দের মতো নয়। তিনি বহিরাগত শব্দটি ব্যবহার করে বলেন দেশে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর স্নাইপার থাকলেও ভিডিওতে দেখা ওইসব প্রশিক্ষিত স্নাইপারদের উপস্থিতি সন্দেহজনক। তিনি আরও উল্লেখ করেন কয়েকজনকে হেলিকপ্টারে করে নিয়ে যেতে দেখা গেছে যাদের চেহারা ও গঠন এদেশীয়দের মতো নয়।

এসএএস/ ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

পুলিশের ৭.৬২ বুলেট ও বহিরাগত ইস্যু নিয়ে মুখ খুললেন সাখাওয়াত হোসেন

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

পুলিশের ৭.৬২ বুলেট ও বহিরাগত ইস্যু নিয়ে মুখ খুললেন সাখাওয়াত হোসেন

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ২৭ ফেব্রুয়ারি – ৭.৬২ বুলেট ও সমরাস্ত্র ব্যবহার নিয়ে এবার মুখ খুলেছেন বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন। তিনি জানিয়েছেন ৭.৬২ বুলেট ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত করার ইচ্ছে তার ছিল। বৃহস্পতিবার একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এই স্পর্শকাতর বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেন।চব্বিশের ছাত্র জনতার আন্দোলনের পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠন হলেও দেশের পরিস্থিতি তখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি এবং ওই সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছিলেন এম সাখাওয়াত হোসেন। পরবর্তীকালে অবশ্য তাকে সেই দায়িত্ব থেকে সরিয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়। সেই সময়ের স্মৃতিচারণ করে সাবেক এই উপদেষ্টা জানান তিনি আহত আনসার সদস্যদের দেখতে গিয়েছিলেন। ওই সময় তিনি বেশ কিছু ভিডিও ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করেন যেখানে লুঙ্গি ও গেঞ্জি পরিহিত এবং হেলমেট লাগানো ব্যক্তিদের হাতে পুলিশের রাইফেল দেখা গেছে।তিনি বিশ্লেষণ করে বলেন পুলিশের কাছে ৭.৬২ চাইনিজ রাইফেল বা টাইপ ৩৯ থাকার প্রমাণ মিলেছে যা মূলত একটি অত্যন্ত মারনাত্মক সমরাস্ত্র। তিনি প্রশ্ন তোলেন পুলিশকে এই বিশেষ রাইফেলগুলো কবে এবং কেন দেওয়া হয়েছে তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। তার ইচ্ছে ছিল এটা নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করার কারণ সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী এই ধরণের যুদ্ধাস্ত্র পুলিশের কাছে থাকার কথা নয়। তদন্ত করতে পেরেছিলেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান তিনি পরে ওই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন না তাই তদন্ত করার সুযোগ পাননি। তিনি আরও প্রশ্ন রেখেছিলেন যে এই রাইফেলগুলো বা এই গোলাবারুদ পুলিশের হাত থেকে সাধারণ মানুষের কাছে কীভাবে গেল। এর পেছনের প্রেক্ষাপট নিয়ে তাকে আর কেউ জিজ্ঞাসাবাদ করেনি বলে তিনি উল্লেখ করেন। এম সাখাওয়াত হোসেন আরও দাবি করেন তার কাছে এমন কিছু ছবি আছে যা সন্দেহজনক এবং ভিডিওতে দেখা ব্যক্তিদের শারীরিক গঠন স্থানীয়দের মতো নয়। তিনি বহিরাগত শব্দটি ব্যবহার করে বলেন দেশে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর স্নাইপার থাকলেও ভিডিওতে দেখা ওইসব প্রশিক্ষিত স্নাইপারদের উপস্থিতি সন্দেহজনক। তিনি আরও উল্লেখ করেন কয়েকজনকে হেলিকপ্টারে করে নিয়ে যেতে দেখা গেছে যাদের চেহারা ও গঠন এদেশীয়দের মতো নয়।এসএএস/ ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×