হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

পেকুয়ায় ইউপি সচিবের বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, লুট ১৭ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও সাড়ে ৮ লাখ টাকা

নাজিম উদ্দিন, পেকুয়া:

নাজিম উদ্দিন, পেকুয়া:

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪৩ অপরাহ্ন
📌 সংক্ষেপ: কক্সবাজারের পেকুয়া পৌরসভার প্রস্তাবিত ৯ নম্বর ওয়ার্ডের (সদর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড) আবদুল হামিদ সিকদারপাড়ায় গভীর রাতে সংঘবদ্ধ ডাকাতদলের হামলায় এক ইউপি সচিবের বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। অস্…

কক্সবাজারের পেকুয়া পৌরসভার প্রস্তাবিত ৯ নম্বর ওয়ার্ডের (সদর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড) আবদুল হামিদ সিকদারপাড়ায় গভীর রাতে সংঘবদ্ধ ডাকাতদলের হামলায় এক ইউপি সচিবের বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে।

অস্ত্রের মুখে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে প্রায় ৪০ মিনিট ধরে তাণ্ডব চালিয়ে ডাকাতরা নগদ সাড়ে ৮ লাখ টাকা ও ১৭ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে যায়।

রবিবার (২৬ জুলাই) দিবাগত রাত আনুমানিক সোয়া ৩টার দিকে সৌদি প্রবাসী জমির আলম ও তার ছোট ভাই, মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) রেজাউল করিমের বসতবাড়িতে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে।

খবর পেয়ে পেকুয়া থানা পুলিশ ও সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম বাহাদুর শাহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

আরও পড়ুন

পোশাক খাতে অস্থিরতা সৃষ্টি: শতাধিক ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব স্থগিতের নির্দেশ এনবিআরের, কড়া নজরে ১২৫ প্রতিষ্ঠান

ভুক্তভোগী রেজাউল করিম বলেন, রাতে বাড়ির সামনে রাখা মোটরসাইকেল দেখতে বের হয়ে পাশের একটি দোকানে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে বসেছিলেন। রাত ৩টার দিকে একটি সাদা রঙের হাইয়েস গাড়ি দ্রুত সড়ক দিয়ে চলে যায়।

কয়েক মিনিট পর ৩-৪ জন ব্যক্তি দোকানে এসে তাদের পরিচয় জানতে চায়। প্রথমে তাদের প্রশাসনের লোক মনে হলেও পরে অস্ত্রের মুখে পাশের একটি ফার্নিচারের দোকানে নিয়ে তিনজনকে রশি দিয়ে বেধে রাখে।

তিনি বলেন, আমাকে অস্ত্র ঠেকিয়ে বাড়িতে নিয়ে যায়। এরপর ৭-৮ জন মুখোশধারী ডাকাত ঘরে ঢুকে পরিবারের সবাইকে একটি কক্ষে জিম্মি করে রাখে।

আওয়াজ করলে গুলি করে হত্যার হুমকি দেয়। তারা আমার কক্ষ থেকে নগদ সাড়ে ৬ লাখ টাকা ও ১০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায়। পরে বড় ভাই জমির আলমের কক্ষে ঢুকে আরও আড়াই লাখ টাকা ও ৭ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করে।

রেজাউল করিমের স্ত্রী তাসফিয়া সোলতানা কাজল বলেন, স্বামী মোটরসাইকেল দেখতে যাওয়ার কথা বলে রাতে বের হন। কয়েক ঘণ্টা পর তিনি বাড়িতে ফিরলেও তার সঙ্গে অস্ত্রধারী ৭-৮ জন মুখোশপরা ব্যক্তি ছিল।

তারা সবাইকে একটি কক্ষে আটকে রেখে প্রায় ৪০ মিনিট ধরে লুটপাট চালায়। ডাকাতরা যাওয়ার সময় সিসি ক্যামেরার হার্ডডিস্ক নিয়ে গেছে।

তিনি জানান, ডাকাতরা নগদ সাড়ে ৮ লাখ টাকা ও ১৭ ভরি স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায়। বাড়ির দ্বিতীয় তলায় থাকা পরিবারের অন্য সদস্যরা ঘটনাটি টের পাননি। ডাকাতরা চলে যাওয়ার পর তাদের চিৎকার শুনে নিচে নেমে বিষয়টি জানতে পারেন।

সৌদি প্রবাসী জমির আলমের স্ত্রী আমেনা বেগম বলেন, ডাকাতরা অস্ত্রের মুখে আমাদের প্রাণনাশের ভয় দেখায়। গলার চেইন ও কানের দুল খুলে নেয়। আলমারি ও ড্রয়ারের তালা ভেঙে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করে।

স্থানীয় বাসিন্দা তামিম বলেন, আমরা খুবই আতঙ্কে আছি। এক বছর আগেও অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে একদল অস্ত্রধারী পাশের দুটি বাড়ি থেকে ৬টি গরু লুট করে নিয়ে যায়। আমরা জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোরালো দাবি করছি।

পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

❓ সাধারণ জিজ্ঞাসা

প্রশ্ন: পেকুয়ায় ইউপি সচিবের বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, লুট ১৭ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও সাড়ে ৮ লাখ টাকা সম্পর্কিত তথ্য কী?

উত্তর: কক্সবাজারের পেকুয়া পৌরসভার প্রস্তাবিত ৯ নম্বর ওয়ার্ডের (সদর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড) আবদুল হামিদ সিকদারপাড়ায় গভীর রাতে সংঘবদ্ধ ডাকাতদলের হ। মূল সংবাদ থেকে বিস্তারিত জানুন।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

পেকুয়ায় ইউপি সচিবের বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, লুট ১৭ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও সাড়ে ৮ লাখ টাকা

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

পেকুয়ায় ইউপি সচিবের বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, লুট ১৭ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও সাড়ে ৮ লাখ টাকা

প্রতিবেদক: নাজিম উদ্দিন, পেকুয়া: | প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪৩ অপরাহ্ন
Print Image
কক্সবাজারের পেকুয়া পৌরসভার প্রস্তাবিত ৯ নম্বর ওয়ার্ডের (সদর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড) আবদুল হামিদ সিকদারপাড়ায় গভীর রাতে সংঘবদ্ধ ডাকাতদলের হামলায় এক ইউপি সচিবের বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। অস্ত্রের মুখে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে প্রায় ৪০ মিনিট ধরে তাণ্ডব চালিয়ে ডাকাতরা নগদ সাড়ে ৮ লাখ টাকা ও ১৭ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে যায়। রবিবার (২৬ জুলাই) দিবাগত রাত আনুমানিক সোয়া ৩টার দিকে সৌদি প্রবাসী জমির আলম ও তার ছোট ভাই, মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) রেজাউল করিমের বসতবাড়িতে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পেকুয়া থানা পুলিশ ও সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম বাহাদুর শাহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ভুক্তভোগী রেজাউল করিম বলেন, রাতে বাড়ির সামনে রাখা মোটরসাইকেল দেখতে বের হয়ে পাশের একটি দোকানে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে বসেছিলেন। রাত ৩টার দিকে একটি সাদা রঙের হাইয়েস গাড়ি দ্রুত সড়ক দিয়ে চলে যায়। কয়েক মিনিট পর ৩-৪ জন ব্যক্তি দোকানে এসে তাদের পরিচয় জানতে চায়। প্রথমে তাদের প্রশাসনের লোক মনে হলেও পরে অস্ত্রের মুখে পাশের একটি ফার্নিচারের দোকানে নিয়ে তিনজনকে রশি দিয়ে বেধে রাখে। তিনি বলেন, আমাকে অস্ত্র ঠেকিয়ে বাড়িতে নিয়ে যায়। এরপর ৭-৮ জন মুখোশধারী ডাকাত ঘরে ঢুকে পরিবারের সবাইকে একটি কক্ষে জিম্মি করে রাখে। আওয়াজ করলে গুলি করে হত্যার হুমকি দেয়। তারা আমার কক্ষ থেকে নগদ সাড়ে ৬ লাখ টাকা ও ১০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায়। পরে বড় ভাই জমির আলমের কক্ষে ঢুকে আরও আড়াই লাখ টাকা ও ৭ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করে। রেজাউল করিমের স্ত্রী তাসফিয়া সোলতানা কাজল বলেন, স্বামী মোটরসাইকেল দেখতে যাওয়ার কথা বলে রাতে বের হন। কয়েক ঘণ্টা পর তিনি বাড়িতে ফিরলেও তার সঙ্গে অস্ত্রধারী ৭-৮ জন মুখোশপরা ব্যক্তি ছিল। তারা সবাইকে একটি কক্ষে আটকে রেখে প্রায় ৪০ মিনিট ধরে লুটপাট চালায়। ডাকাতরা যাওয়ার সময় সিসি ক্যামেরার হার্ডডিস্ক নিয়ে গেছে। তিনি জানান, ডাকাতরা নগদ সাড়ে ৮ লাখ টাকা ও ১৭ ভরি স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায়। বাড়ির দ্বিতীয় তলায় থাকা পরিবারের অন্য সদস্যরা ঘটনাটি টের পাননি। ডাকাতরা চলে যাওয়ার পর তাদের চিৎকার শুনে নিচে নেমে বিষয়টি জানতে পারেন। সৌদি প্রবাসী জমির আলমের স্ত্রী আমেনা বেগম বলেন, ডাকাতরা অস্ত্রের মুখে আমাদের প্রাণনাশের ভয় দেখায়। গলার চেইন ও কানের দুল খুলে নেয়। আলমারি ও ড্রয়ারের তালা ভেঙে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করে। স্থানীয় বাসিন্দা তামিম বলেন, আমরা খুবই আতঙ্কে আছি। এক বছর আগেও অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে একদল অস্ত্রধারী পাশের দুটি বাড়ি থেকে ৬টি গরু লুট করে নিয়ে যায়। আমরা জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোরালো দাবি করছি। পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×