হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

পেকুয়ায় বিয়ের প্রলোভনে বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ

নাজিম উদ্দিন, পেকুয়া ::

নাজিম উদ্দিন, পেকুয়া ::

শুক্রবার, ১৫ আগস্ট ২০২৫, ১০:০৭ অপরাহ্ন

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড নতুনঘোনা এলাকায় বিয়ের প্রলোভনে এক বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনাটি ঘটে সোমবার (১১ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে। পরে বুধবার (১৩ আগস্ট) সকালে ভিকটিমকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়।

ভিকটিমের পরিবার জানায়, প্রতিবেশী নুরুল হুদার ছেলে আরিফুল ইসলামের সঙ্গে ইমুর মাধ্যমে পরিচয় হয় ভিকটিমের। সোমবার রাত ১১টার দিকে আরিফ ভিকটিমের বাড়িতে ঢুকে তাকে ধর্ষণ করে। চিৎকার শুনে ভিকটিমের পিতা-মাতা এসে দরজা ভেঙে অভিযুক্তকে হাতেনাতে আটক করেন। পরে স্থানীয়রা জড়ো হলে সমাজ পরিচালনা কমিটির সর্দার রফিক আলম বিচার করার আশ্বাস দিয়ে আরিফকে তার জিম্মায় নেন।

ভিকটিমের পিতা বাদশাহ মিয়া অভিযোগ করে বলেন, সর্দার রফিক আলম পরদিন সকালে বিচারের কথা বলে একটি সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেন এবং জানান, আরিফ পালিয়ে গেছে। তিনি দাবি করেন, সর্দার ইচ্ছাকৃতভাবে ধর্ষককে পালাতে সহায়তা করেছেন। আমার তিন মেয়ে বাকপ্রতিবন্ধী। আমি মেয়ে ধর্ষণের ন্যায্য বিচার চাই, মামলা করব বলেন জানান বাদশাহ মিয়া।

আরও পড়ুন

ফ্রান্সে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভে ৫ লাখ ৭৫ হাজার মানুষ

এ ঘটনায় স্থানীয় ইউপি সদস্য হোসাইন শহিদ সাইফুল্লাহ বলেন, আমি মঙ্গলবার বিষয়টি শুনেছি এবং ভিকটিমের পরিবারকে থানার সহযোগিতা নিতে বলেছি।

অভিযুক্ত আরিফুল ইসলামের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।

সমাজ পরিচালনা কমিটির সর্দার রফিক আলম দাবি করেন, দুপক্ষের সম্মতিতে বৈঠক হয়েছিল, কিন্তু ভিকটিমের পরিবার পরে সরে আসে। আরিফকে আমার জিম্মায় নেয়নি। সিরাজুল ইসলাম নামে মেয়ের দাদা আরিফকে ঘটনার দিন রাতে ছেড়ে দিয়েছে।
ধর্ষণের ঘটনা স্থানীয়ভাবে মিমাংস করা যায় কীনা জানতে চাইলে রফিক আলম বলেন, এধরণের অনেক ঘটনা আমরা স্থানীয়ভাবে আগেও নিষ্পত্তি করেছি। পরে যোগাযোগ করব বলে মোবাইলের সংযোগ কেটে দেন।

পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সিরাজুল মোস্তফা বলেন, এধরনের ঘটনা আমি প্রথমবার শুনলাম। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

পেকুয়ায় বিয়ের প্রলোভনে বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

পেকুয়ায় বিয়ের প্রলোভনে বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ

প্রতিবেদক: নাজিম উদ্দিন, পেকুয়া :: | প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ আগস্ট ২০২৫, ১০:০৭ অপরাহ্ন
Print Image
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড নতুনঘোনা এলাকায় বিয়ের প্রলোভনে এক বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটে সোমবার (১১ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে। পরে বুধবার (১৩ আগস্ট) সকালে ভিকটিমকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়। ভিকটিমের পরিবার জানায়, প্রতিবেশী নুরুল হুদার ছেলে আরিফুল ইসলামের সঙ্গে ইমুর মাধ্যমে পরিচয় হয় ভিকটিমের। সোমবার রাত ১১টার দিকে আরিফ ভিকটিমের বাড়িতে ঢুকে তাকে ধর্ষণ করে। চিৎকার শুনে ভিকটিমের পিতা-মাতা এসে দরজা ভেঙে অভিযুক্তকে হাতেনাতে আটক করেন। পরে স্থানীয়রা জড়ো হলে সমাজ পরিচালনা কমিটির সর্দার রফিক আলম বিচার করার আশ্বাস দিয়ে আরিফকে তার জিম্মায় নেন। ভিকটিমের পিতা বাদশাহ মিয়া অভিযোগ করে বলেন, সর্দার রফিক আলম পরদিন সকালে বিচারের কথা বলে একটি সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেন এবং জানান, আরিফ পালিয়ে গেছে। তিনি দাবি করেন, সর্দার ইচ্ছাকৃতভাবে ধর্ষককে পালাতে সহায়তা করেছেন। আমার তিন মেয়ে বাকপ্রতিবন্ধী। আমি মেয়ে ধর্ষণের ন্যায্য বিচার চাই, মামলা করব বলেন জানান বাদশাহ মিয়া। এ ঘটনায় স্থানীয় ইউপি সদস্য হোসাইন শহিদ সাইফুল্লাহ বলেন, আমি মঙ্গলবার বিষয়টি শুনেছি এবং ভিকটিমের পরিবারকে থানার সহযোগিতা নিতে বলেছি। অভিযুক্ত আরিফুল ইসলামের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়। সমাজ পরিচালনা কমিটির সর্দার রফিক আলম দাবি করেন, দুপক্ষের সম্মতিতে বৈঠক হয়েছিল, কিন্তু ভিকটিমের পরিবার পরে সরে আসে। আরিফকে আমার জিম্মায় নেয়নি। সিরাজুল ইসলাম নামে মেয়ের দাদা আরিফকে ঘটনার দিন রাতে ছেড়ে দিয়েছে। ধর্ষণের ঘটনা স্থানীয়ভাবে মিমাংস করা যায় কীনা জানতে চাইলে রফিক আলম বলেন, এধরণের অনেক ঘটনা আমরা স্থানীয়ভাবে আগেও নিষ্পত্তি করেছি। পরে যোগাযোগ করব বলে মোবাইলের সংযোগ কেটে দেন। পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সিরাজুল মোস্তফা বলেন, এধরনের ঘটনা আমি প্রথমবার শুনলাম। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×