গত ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ইং কক্সবাজার থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন গণমাধ্যমে “কক্সবাজারের উখিয়া সদর রেঞ্জের দোছড়ি বনাঞ্চল বর্তমানে পাহাড়, বালু লুট, গাছপালা নিধনসহ অবৈধ দখলের আখড়ায় পরিণত হয়েছে” শীর্ষক সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।বাস্তবতার সঙ্গে এ ধরনের অভিযোগের কোনো মিল নেই। বর্তমানে দোছড়ি বিটের কোথাও পাহাড় কেটে মাটি পাচার করা হয় না। নতুন করে পাহাড় কাটার কোনো স্পটও নেই। পাহাড় কর্তনের ব্যাপারে কোনো প্রকার ছাড় নেই। আগেও পাহাড় কর্তনে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও নেওয়া হবে। পাহাড় কর্তনকারীদের বিরুদ্ধে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে, এছাড়া দোছড়ি বিটে টহলও জোরদার করা হয়েছে।
একইভাবে সংবাদের একাংশে বালু উত্তোলন ও ঘর নির্মাণের অভিযোগও সম্পূর্ণ অসত্য।মূলত এসব অভিযোগ মিথ্যা এবং একটি গভীর ষড়যন্ত্রের বহিঃপ্রকাশ। অভিযান রুদ্ধ করতে মাঠ লেভেলের কর্মীদের দুর্বল করতে অপপ্রচার মাত্র। আসলে দোছড়ি বনাঞ্চলের কোথাও বালু উত্তোলন কার্যক্রম নেই। বনভূমি সংরক্ষণ ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় আমরা সর্বদা সতর্ক অবস্থায় রয়েছি এবং সজাগ রয়েছি।এখানে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, সংবাদে ব্যবহার করা ছবিটি অনেক বছর আগের এবং তা দোছড়ি বিটের নয়। একই পুরনো ছবি বারংবার বিভিন্ন সংবাদে ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, যা নিন্দনীয়।এ ধরনের মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মাঝে ভুল ধারণা সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং বন বিভাগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।তাছাড়া নিউজে আমার বক্তব্যও নেওয়া হয় নি।
আমি উক্ত প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি, পাশাপাশি সাংবাদিক ভাইদের যাচাই-বাছাই পূর্বক বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের অনুরোধ করছি।এ ব্যাপারে কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।
টেকনাফে সিএনজির বিশেষ চেম্বার থেকে ১৩ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, চালক আটক
আমরা দোছড়ি বনাঞ্চলকে সুরক্ষিত রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং আইন অনুযায়ী সব ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।
প্রতিবাদকারী
ইমদাদুল হাসান রনি
বিট কর্মকর্তা, দোছড়ি বনবিট
উখিয়া রেঞ্জ, কক্সবাজার




মন্তব্য করুন