হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

প্রাথমিক শিক্ষা খাতের উন্নয়নে ৫টি মেগা প্রকল্প চলমান: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০২:০৫ অপরাহ্ন


ঢাকা মহানগর, ১৫ মার্চ – দেশের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা খাতের সার্বিক উন্নয়নে বেশ কয়েকটি চলমান প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। রবিবার জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের তারকা চিহ্নিত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন যে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষা খাতকে আরও শক্তিশালী করতে মোট পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তিনি সংসদকে অবহিত করেন প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি বা ডিইপিডি ফোর যা জুলাই ২০১৮ সাল থেকে জুন ২০২৬ সাল পর্যন্ত মেয়াদে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

আরও পড়ুন

কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলার কথা স্বীকার করলেন ট্রাম্প, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতির দাবিও

এছাড়া চাহিদাভিত্তিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় উন্নয়ন প্রকল্পের প্রথম পর্যায় জুলাই ২০১৬ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত চলমান রয়েছে। ঢাকা মহানগর ও পূর্বাচল এলাকায় নান্দনিকতা বৃদ্ধিসহ নতুন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন ও অবকাঠামো উন্নয়ন শীর্ষক আরেকটি প্রকল্প জানুয়ারি ২০২০ থেকে শুরু হয়ে জুন ২০২৭ সাল মেয়াদে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

পাশাপাশি সরকার কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলায় এবং নোয়াখালীর ভাসানচরে প্রাক প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প জুলাই ২০২৪ থেকে জুন ২০২৭ সাল মেয়াদে বাস্তবায়ন করছে। মন্ত্রী আরও বলেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার বাড়াতে দেশের ১৫০টি উপজেলায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচি জানুয়ারি ২০২৫ থেকে ডিসেম্বর ২০২৭ সাল পর্যন্ত মেয়াদে পরিচালিত হচ্ছে।

এছাড়া উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মাধ্যমে দেশের ৫৮টি জেলায় কার্যকর সাক্ষরতা ও ব্যবহারিক দক্ষতা প্রশিক্ষণ বা প্রাক বৃত্তিমূলক স্তর শীর্ষক একটি বিশেষ কোর্স বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি যেসব শিশু বিদ্যালয়ের বাইরে রয়েছে তাদের বিকল্প শিক্ষার সুযোগ করে দিতে দেশের ৬৪টি জেলার প্রতিটি থেকে একটি করে উপজেলা নির্বাচন করে স্কুলবহির্ভূত শিশুদের জন্য বিকল্প শিক্ষা কার্যক্রম বা এএলও শীর্ষক একটি নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

প্রাথমিক শিক্ষা খাতের উন্নয়নে ৫টি মেগা প্রকল্প চলমান: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

প্রাথমিক শিক্ষা খাতের উন্নয়নে ৫টি মেগা প্রকল্প চলমান: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০২:০৫ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা মহানগর, ১৫ মার্চ – দেশের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা খাতের সার্বিক উন্নয়নে বেশ কয়েকটি চলমান প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। রবিবার জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের তারকা চিহ্নিত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য জানান।মন্ত্রী বলেন যে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষা খাতকে আরও শক্তিশালী করতে মোট পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তিনি সংসদকে অবহিত করেন প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি বা ডিইপিডি ফোর যা জুলাই ২০১৮ সাল থেকে জুন ২০২৬ সাল পর্যন্ত মেয়াদে বাস্তবায়িত হচ্ছে।এছাড়া চাহিদাভিত্তিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় উন্নয়ন প্রকল্পের প্রথম পর্যায় জুলাই ২০১৬ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত চলমান রয়েছে। ঢাকা মহানগর ও পূর্বাচল এলাকায় নান্দনিকতা বৃদ্ধিসহ নতুন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন ও অবকাঠামো উন্নয়ন শীর্ষক আরেকটি প্রকল্প জানুয়ারি ২০২০ থেকে শুরু হয়ে জুন ২০২৭ সাল মেয়াদে বাস্তবায়িত হচ্ছে।পাশাপাশি সরকার কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলায় এবং নোয়াখালীর ভাসানচরে প্রাক প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প জুলাই ২০২৪ থেকে জুন ২০২৭ সাল মেয়াদে বাস্তবায়ন করছে। মন্ত্রী আরও বলেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার বাড়াতে দেশের ১৫০টি উপজেলায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচি জানুয়ারি ২০২৫ থেকে ডিসেম্বর ২০২৭ সাল পর্যন্ত মেয়াদে পরিচালিত হচ্ছে।এছাড়া উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মাধ্যমে দেশের ৫৮টি জেলায় কার্যকর সাক্ষরতা ও ব্যবহারিক দক্ষতা প্রশিক্ষণ বা প্রাক বৃত্তিমূলক স্তর শীর্ষক একটি বিশেষ কোর্স বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি যেসব শিশু বিদ্যালয়ের বাইরে রয়েছে তাদের বিকল্প শিক্ষার সুযোগ করে দিতে দেশের ৬৪টি জেলার প্রতিটি থেকে একটি করে উপজেলা নির্বাচন করে স্কুলবহির্ভূত শিশুদের জন্য বিকল্প শিক্ষা কার্যক্রম বা এএলও শীর্ষক একটি নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×