হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

বাংলাদেশি পর্নো তারকা দম্পতির সাতকাহন

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫, ০৪:৪২ অপরাহ্ন


চট্টগ্রামের আজিম ও মানিকগঞ্জের ২৮ বছর বয়সী বৃষ্টি আন্তর্জাতিক পর্নো ইন্ডাস্ট্রিতে সক্রিয়। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সবচেয়ে বেশি আলোচিত বৃষ্টি ওরফে তানিয়া আক্তার বৃষ্টি। নিজেকে বাংলাদেশের এক নম্বর মডেল হিসেবে পরিচয় দেন তিনি। ২০২৪ সালের ১৭ মে প্রথম তার ভিডিও প্রকাশ পায়। প্রথমবারেই বাজিমাত করেন তিনি।

বৃষ্টির সেই ভিডিও ১১২টি ভাগে প্রকাশ পায়। সেগুলো ২৬৭ মিলিয়নেরও বেশি ভিউ হয়। তারা দুজনেই একাধিক আন্তর্জাতিক ওয়েবসাইটে সেই ভিডিওগুলো প্রচার করেন। এমনকি সামাজিক যোগযোগমাধ্যমর বিভিন্ন একাউন্ট ব্যবহার করে নতুন কনটেন্টের লিংক শেয়ার করতেন। একইসঙ্গে দর্শকদের টেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত করার প্রচারণাও চালাতেন।

আরও পড়ুন

টোকিওর মতবিনিময় সভায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার রোডম্যাপ তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

একটা সময় বিশ্বে পর্নো ক্যাটাগরির ৮ নম্বর জায়গা দখল করে নেন বৃষ্টি। সবশেষ অক্টোবরের প্রথম দুই সপ্তাহে বিভিন্ন ফেসবুক পেজে অন্তত ৫০টি পোস্টের মাধ্যমে এ তথ্য দেখা যায়।

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন পর্নো তারকা আজিম অন্যদিকে মানিকগঞ্জের হরিরামপুরের বাসিন্দা বৃষ্টি। দুজনেই দরিদ্র পরিবারের সন্তান। তবে পর্নো ইন্ডাস্ট্রিতে নাম লেখানোর পর বিলাসবহুল জীবনযাপন পার করতে থাকেন।

তদন্তে দেখা গেছে, বৃষ্টির নামে টেলিগ্রাম চ্যানেল খোলা হয়েছে, যা যৌথভাবে তারা পরিচালনা করতেন। চ্যানেল ও সোশ্যাল মিডিয়ায় নিয়মিত ভিডিও লিংক করতেন। বিভিন্ন পোস্টে তারা আয়ের স্ক্রিনশট ও নগদ অর্থ দেখিয়ে নতুনদের উৎসাহিত করেন।

পুলিশের রেকর্ড অনুযায়ী, গত ২৫ আগস্ট আজিমকে মাদক সংক্রান্ত মামলায় গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। তবে কয়েকদিনের মধ্যে মুক্তি পেয়ে যান তিনি। এরপর তারা দুজনেই গা ঢাকা দেন।

তবে শেষ রক্ষা হয়নি তাদের। ধরা পড়েছেন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডির হাতে। সোমবার (২০ অক্টোবর) বান্দরবান এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

জানা যায়, গত ১৩ অক্টোবর ফল ব্যবসায়ী পরিচয় দিয়ে সেখানকার একটি বাসা ভাড়া নেন তার। ভাড়া দেওয়ার সময় আইডি কার্ডসহ নিজেদের জীবন বৃতান্ত জমা দেন। তবে কোথাও গেলে দুজনেই হেলমেট পড়ে বের হতেন।

এ বিষয়ে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন খান গণমাধ্যমকে বলেন, ওই দম্পতি বিদেশি একটি ওয়েবসাইটে নিয়মিত পর্নো কনটেন্ট আপলোড করতেন। তাদের পরিচালিত চ্যানেলটি বিশ্বের জনপ্রিয় পর্নো সাইটগুলোর মধ্যে অন্যতম।

বাংলাদেশে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১২ অনুযায়ী, পর্নোগ্রাফি উৎপাদন ও বিতরণ একটি ফৌজদারি অপরাধ। এই দম্পতি শুধু নিজেরাই অপরাধ করেনি বরং অন্যদেরও এই পথে যুক্ত হতে উৎসাহিত করছেন। তাদের মাধ্যমে দেশে পর্নো ভিডিও বানানো এবং প্রচারের একটি নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে।


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

বাংলাদেশি পর্নো তারকা দম্পতির সাতকাহন

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

বাংলাদেশি পর্নো তারকা দম্পতির সাতকাহন

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫, ০৪:৪২ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] চট্টগ্রামের আজিম ও মানিকগঞ্জের ২৮ বছর বয়সী বৃষ্টি আন্তর্জাতিক পর্নো ইন্ডাস্ট্রিতে সক্রিয়। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সবচেয়ে বেশি আলোচিত বৃষ্টি ওরফে তানিয়া আক্তার বৃষ্টি। নিজেকে বাংলাদেশের এক নম্বর মডেল হিসেবে পরিচয় দেন তিনি। ২০২৪ সালের ১৭ মে প্রথম তার ভিডিও প্রকাশ পায়। প্রথমবারেই বাজিমাত করেন তিনি।বৃষ্টির সেই ভিডিও ১১২টি ভাগে প্রকাশ পায়। সেগুলো ২৬৭ মিলিয়নেরও বেশি ভিউ হয়। তারা দুজনেই একাধিক আন্তর্জাতিক ওয়েবসাইটে সেই ভিডিওগুলো প্রচার করেন। এমনকি সামাজিক যোগযোগমাধ্যমর বিভিন্ন একাউন্ট ব্যবহার করে নতুন কনটেন্টের লিংক শেয়ার করতেন। একইসঙ্গে দর্শকদের টেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত করার প্রচারণাও চালাতেন।একটা সময় বিশ্বে পর্নো ক্যাটাগরির ৮ নম্বর জায়গা দখল করে নেন বৃষ্টি। সবশেষ অক্টোবরের প্রথম দুই সপ্তাহে বিভিন্ন ফেসবুক পেজে অন্তত ৫০টি পোস্টের মাধ্যমে এ তথ্য দেখা যায়।চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন পর্নো তারকা আজিম অন্যদিকে মানিকগঞ্জের হরিরামপুরের বাসিন্দা বৃষ্টি। দুজনেই দরিদ্র পরিবারের সন্তান। তবে পর্নো ইন্ডাস্ট্রিতে নাম লেখানোর পর বিলাসবহুল জীবনযাপন পার করতে থাকেন।তদন্তে দেখা গেছে, বৃষ্টির নামে টেলিগ্রাম চ্যানেল খোলা হয়েছে, যা যৌথভাবে তারা পরিচালনা করতেন। চ্যানেল ও সোশ্যাল মিডিয়ায় নিয়মিত ভিডিও লিংক করতেন। বিভিন্ন পোস্টে তারা আয়ের স্ক্রিনশট ও নগদ অর্থ দেখিয়ে নতুনদের উৎসাহিত করেন।পুলিশের রেকর্ড অনুযায়ী, গত ২৫ আগস্ট আজিমকে মাদক সংক্রান্ত মামলায় গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। তবে কয়েকদিনের মধ্যে মুক্তি পেয়ে যান তিনি। এরপর তারা দুজনেই গা ঢাকা দেন।তবে শেষ রক্ষা হয়নি তাদের। ধরা পড়েছেন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডির হাতে। সোমবার (২০ অক্টোবর) বান্দরবান এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।জানা যায়, গত ১৩ অক্টোবর ফল ব্যবসায়ী পরিচয় দিয়ে সেখানকার একটি বাসা ভাড়া নেন তার। ভাড়া দেওয়ার সময় আইডি কার্ডসহ নিজেদের জীবন বৃতান্ত জমা দেন। তবে কোথাও গেলে দুজনেই হেলমেট পড়ে বের হতেন।এ বিষয়ে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন খান গণমাধ্যমকে বলেন, ওই দম্পতি বিদেশি একটি ওয়েবসাইটে নিয়মিত পর্নো কনটেন্ট আপলোড করতেন। তাদের পরিচালিত চ্যানেলটি বিশ্বের জনপ্রিয় পর্নো সাইটগুলোর মধ্যে অন্যতম।বাংলাদেশে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১২ অনুযায়ী, পর্নোগ্রাফি উৎপাদন ও বিতরণ একটি ফৌজদারি অপরাধ। এই দম্পতি শুধু নিজেরাই অপরাধ করেনি বরং অন্যদেরও এই পথে যুক্ত হতে উৎসাহিত করছেন। তাদের মাধ্যমে দেশে পর্নো ভিডিও বানানো এবং প্রচারের একটি নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে। [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×