বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ও কক্সবাজার ১ (চকরিয়া পেকুয়া) আসনের সাবেক এমপি সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন ‘ বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের কিছু নেই। তা শেখ হাসিনা পালিয়ে প্রমান দিলেন। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের আমলে মনখোলে কেউ রাজনীতি করতে পারেনি। এখন সারা দেশে অনুকূল পরিবেশে গণতন্ত্র হাসছে। নির্বাচনের সময় শুরু হয়েছে। গণতন্ত্রের ভাষা হচ্ছে মানুষ যাকে পছন্দ করবে সে এমপি নির্বাচিত হবে। জনগণ এবার নজিরবিহীন সুষ্ঠু নির্বাচনে ভোটাধিকারের সুযোগ পাবে।
আবার অনেকে পিআর পিআর করে গলা ফাটাচ্ছে। উদ্দেশ্য কিন্তু পিআর না, উদ্দেশ্য হচ্ছে পিআর পিআর করে কিছু পায়। ভোট দেবে কে নির্বাচিত হবে কে সেটাই তাঁরা জানেইনা। গত ১৬ বছর ধরে যেখানে গেছে ফ্যাাসিস্টদের বাঁধার সম্মুখীন হতে হয়েছে। আজ উন্মুক্ত পরিবেশে মানুষ তাদের অধিকার আদায়ের কথা বলতে সাহস পাচ্ছে’।
গতকাল ২৩ আগস্ট শনিবার বিকাল ৪টায় চকরিয়া সরকারি কলেজ মাঠে চকরিয়া উপজেলা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন উপলক্ষে আয়োজিত বিশাল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ আরো বলেন, ‘সংস্কারের মধ্য দিয়ে আগামীর বাংলাদেশ হবে তারুণ্যের বাংলাদেশ। ১৬ বছর এদেশের মানুষ সংগ্রাম করেছে, রক্ত দিয়েছে, শহীদ হয়েছে, গণতন্ত্র প্রতিষ্টার জন্য। বাংলাদেশে একটি নজিরবিহীন নির্বাচন হবে। এদেশ হবে বৈষম্যহীন ও ন্যায়-ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ’।
চকরিয়া উপজেলা বিএনপির আহবায়ক এনামুল হকের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব এম মোবারক আলীর সঞ্চালনায় সম্মেলনের বিশাল সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির (চট্টগ্রাম বিভাগ) সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, কক্সবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি শাহজাহান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শামীম আরা স্বপ্না, সাবেক এমপি এডভোকেট হাসিনা আহমদ, জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক ইউছুপ বদরী, চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান চৌধুরী খোকন মিয়া, মাতামুহুরী সাংগঠনিক উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামিল ইব্রাহীম চৌধুরী, চকরিয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র ও পৌরসভা বিএনপির সভাপতি নুরুল ইসলাম হায়দার, অধ্যাপক ফখরউদ্দিন ফরায়েজী, অধ্যক্ষ এসএম মনজুর, চকরিয়া পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম আবদুর রহিম সহ নেতৃবৃন্দ।
চকরিয়ায় বিদ্যালয় ভিত্তিক শিক্ষার্থীদের নিয়ে রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন
এদিকে চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সম্মেলনকে কেন্দ্র করে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল সহকারে দলের নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকে। হালকা বৃষ্টি হলেও দুপুরের পর জনসমাগত বাড়তে থাকে। বিকালে প্রধান অতিথি সালাহউদ্দিন আহমদ সভাস্থলে পৌঁছলে চকরিয়া সরকারী কলেজ মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়।
অপরদিকে সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে প্রার্থীদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়। সভাপতি পদে ৮ জন ও সাধারণ সম্পাদক পদে ৪ জন তাদের প্রার্থীতা ঘোষনা করেন।
এদের মধ্যে সাবেক ছাত্রনেতা ও চকরিয়া উপজেলা বিএনপির বর্তমান সদস্য সচিব মোবারক আলীকে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ঘোষনা করা হয়। সভাপতি পদে এখনো কারো নাম ঘোষনা করা হয়নি। এই পদের নাম পরে ঘোষনা করা হবে বলে সম্মেলন সংশ্লিষ্ট একজন শীর্ষ নেতা জানিয়েছেন। ###




মন্তব্য করুন