হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

বিশ্ববাজারে উৎসবে মূল্যছাড়ের রেওয়াজ থাকলেও বাংলাদেশে কেন উল্টো চিত্র

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০২:৫৮ অপরাহ্ন


বাংলাদেশ, ১৮ ফেব্রুয়ারি – ধর্মীয় উৎসব কেবল আধ্যাত্মিক অনুশীলন বা পারিবারিক মিলন নয় বরং এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে বাজার অর্থনীতির এক বিশেষ ঋতু। পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতর মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোতে এবং বড়দিন খ্রিস্টান প্রধান দেশগুলোতে উদযাপনের সময় খুচরা বাজারে বিশেষ ছাড় ও প্রচারণার ঢেউ দেখা যায়।

তবে বিশ্ববাজারে উৎসব মানে মূল্যহ্রাস হলেও বাংলাদেশে প্রায়শই এর উল্টো চিত্র পরিলক্ষিত হয়। এই পরিস্থিতির কারণ খুঁজতে গেলে বৈশ্বিক চর্চা এবং বাংলাদেশের বাজার বাস্তবতার মধ্যে বিস্তর ফারাক নজরে আসে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে কেয়ারফোর বা লুলু হাইপার মার্কেটের মতো বড় খুচরা চেইনগুলো রমজান উপলক্ষে চাল, ডাল, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে বিশেষ ছাড় ঘোষণা করে।

আরও পড়ুন

কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলার কথা স্বীকার করলেন ট্রাম্প, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতির দাবিও

সৌদি আরবের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় রমজানের আগে বাজার তদারকি জোরদার করে এবং প্রয়োজনে আমদানি শুল্ক কমিয়ে দেয়। ফলে সেখানে রমজান মানে শুধু বাড়তি বিক্রি নয় বরং প্রতিযোগিতামূলক মূল্যের উৎসব। একইভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে বড়দিনের আগে ওয়ালমার্ট বা আমাজনের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো বিশাল ছাড়ের আয়োজন করে। উৎসবের সময় ভোক্তার চাহিদা বাড়লে ব্যবসায়ীরা মূল্য কমিয়ে বিক্রির পরিমাণ বাড়াতে চান যা অর্থনীতির ভাষায় কম মার্জিনে বেশি ভলিউম বিক্রি হিসেবে পরিচিত।

তীব্র প্রতিযোগিতা এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর সক্রিয় ভূমিকা সেখানে মূল্যছাড়ের সংস্কৃতি তৈরি করেছে। অন্যদিকে বাংলাদেশে রমজান আসার আগেই বাজারে এক অস্থিরতা তৈরি হয় এবং চাল, ডাল, তেল, চিনির মতো পণ্যের দাম বাড়তে শুরু করে। সরবরাহ ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং সিন্ডিকেট বা মজুতদারির কারণে উৎসব নির্ভর মূল্য সংকট তৈরি হয়। আমদানিনির্ভর পণ্যের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাবের পাশাপাশি স্থানীয় প্রভাবশালী গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণকে দায়ী করা হয়।

যদিও সরকারিভাবে টিসিবির মাধ্যমে পণ্য বিক্রি বা শুল্ক কমানোর পদক্ষেপ নেওয়া হয় তবে তা অনেক ক্ষেত্রেই পর্যাপ্ত হয় না। বাজার বিশ্লেষকদের মতে প্রতিদিনের পাইকারি ও খুচরা দামের ডিজিটাল ড্যাশবোর্ড প্রকাশ এবং কার্টেল বা সমন্বিত মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। উৎসবের প্রকৃত আনন্দ নিশ্চিত করতে এবং সাধারণ মানুষের স্বস্তি ফেরাতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও ন্যায্য বাজার সংস্কৃতি গড়ে তোলা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

বিশ্ববাজারে উৎসবে মূল্যছাড়ের রেওয়াজ থাকলেও বাংলাদেশে কেন উল্টো চিত্র

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

বিশ্ববাজারে উৎসবে মূল্যছাড়ের রেওয়াজ থাকলেও বাংলাদেশে কেন উল্টো চিত্র

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০২:৫৮ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] বাংলাদেশ, ১৮ ফেব্রুয়ারি – ধর্মীয় উৎসব কেবল আধ্যাত্মিক অনুশীলন বা পারিবারিক মিলন নয় বরং এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে বাজার অর্থনীতির এক বিশেষ ঋতু। পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতর মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোতে এবং বড়দিন খ্রিস্টান প্রধান দেশগুলোতে উদযাপনের সময় খুচরা বাজারে বিশেষ ছাড় ও প্রচারণার ঢেউ দেখা যায়।তবে বিশ্ববাজারে উৎসব মানে মূল্যহ্রাস হলেও বাংলাদেশে প্রায়শই এর উল্টো চিত্র পরিলক্ষিত হয়। এই পরিস্থিতির কারণ খুঁজতে গেলে বৈশ্বিক চর্চা এবং বাংলাদেশের বাজার বাস্তবতার মধ্যে বিস্তর ফারাক নজরে আসে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে কেয়ারফোর বা লুলু হাইপার মার্কেটের মতো বড় খুচরা চেইনগুলো রমজান উপলক্ষে চাল, ডাল, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে বিশেষ ছাড় ঘোষণা করে।সৌদি আরবের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় রমজানের আগে বাজার তদারকি জোরদার করে এবং প্রয়োজনে আমদানি শুল্ক কমিয়ে দেয়। ফলে সেখানে রমজান মানে শুধু বাড়তি বিক্রি নয় বরং প্রতিযোগিতামূলক মূল্যের উৎসব। একইভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে বড়দিনের আগে ওয়ালমার্ট বা আমাজনের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো বিশাল ছাড়ের আয়োজন করে। উৎসবের সময় ভোক্তার চাহিদা বাড়লে ব্যবসায়ীরা মূল্য কমিয়ে বিক্রির পরিমাণ বাড়াতে চান যা অর্থনীতির ভাষায় কম মার্জিনে বেশি ভলিউম বিক্রি হিসেবে পরিচিত।তীব্র প্রতিযোগিতা এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর সক্রিয় ভূমিকা সেখানে মূল্যছাড়ের সংস্কৃতি তৈরি করেছে। অন্যদিকে বাংলাদেশে রমজান আসার আগেই বাজারে এক অস্থিরতা তৈরি হয় এবং চাল, ডাল, তেল, চিনির মতো পণ্যের দাম বাড়তে শুরু করে। সরবরাহ ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং সিন্ডিকেট বা মজুতদারির কারণে উৎসব নির্ভর মূল্য সংকট তৈরি হয়। আমদানিনির্ভর পণ্যের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাবের পাশাপাশি স্থানীয় প্রভাবশালী গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণকে দায়ী করা হয়।যদিও সরকারিভাবে টিসিবির মাধ্যমে পণ্য বিক্রি বা শুল্ক কমানোর পদক্ষেপ নেওয়া হয় তবে তা অনেক ক্ষেত্রেই পর্যাপ্ত হয় না। বাজার বিশ্লেষকদের মতে প্রতিদিনের পাইকারি ও খুচরা দামের ডিজিটাল ড্যাশবোর্ড প্রকাশ এবং কার্টেল বা সমন্বিত মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। উৎসবের প্রকৃত আনন্দ নিশ্চিত করতে এবং সাধারণ মানুষের স্বস্তি ফেরাতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও ন্যায্য বাজার সংস্কৃতি গড়ে তোলা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×