হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

ভোটের আগে সুর বদল করলো পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১২:২২ পূর্বাহ্ন


কলকাতা, ৩০ নভেম্বর – ভোটের আগে সুর বদল করলো পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি। আগে কট্টর হিন্দুত্ববাদী প্রচারণা চালালেও এখন তারাই নিজেদের ‘মুসলিমপ্রেমী’ বলে দাবি করছে।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এক নিবন্ধে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন সামনে রেখে ভোট কৌশলে বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। বিহার বিধানসভা নির্বাচনে সাফল্যের পর এবার পশ্চিমবঙ্গে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে মুসলিম ভোটারদের প্রতি নরম অবস্থান ও আলাদা প্রচারে নেমেছে দলটি।

আরও পড়ুন

জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনি ঐক্য: অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে এনসিপি ছেড়েছেন তাসনিম জারা, তাজনূভা ও সামান্তা শারমিন

সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা পুনর্বিবেচনা (এসআইআর) নিয়ে বিহারে ‘অনুপ্রবেশকারী’ উচ্ছেদের দাবি তুললেও, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি বলছে, তারা ‘রাষ্ট্রভক্ত মুসলিমদের’ বিরুদ্ধে নয়।

বিজেপির এক শীর্ষস্থানীয় নেতা বলেছেন, বিহারে এবার আমরা মুসলিম ভোটও পেয়েছি। তাই পশ্চিমবঙ্গেও তা সম্ভব।

কেন পাল্টালো বিজেপির কৌশল?
বিশ্লেষকদের মতে, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক চরিত্র এক নয়। বিহারে জাতিগত সমীকরণ বড় ভূমিকা রাখলেও পশ্চিমবঙ্গে ধর্মীয় মেরুকরণ তুলনামূলক দুর্বল। সেখানে প্রায় ৩০ শতাংশ মুসলিম ভোটার, যাদের প্রভাব রয়েছে বহু আসনে। ২০২১ সালের বিধানসভা ও ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে এই ভোটের বেশিরভাগই গেছে তৃণমূল কংগ্রেসের ঝুলিতে।

হঠাৎ সুর বদল
রাজ্য বিজেপির নতুন সভাপতি সমীক ভট্টাচার্যের কথায়, ‘গত তিন বছরে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহতদের অধিকাংশই মুসলিম, এবং মুসলিমরাই মুসলিমকে হত্যা করছে। অন্য কোনো রাজ্যে এটা হয় না। শুধু মসজিদ-মন্দিরের কথা শুনে কতদিন চলবে?’

একই সঙ্গে দলের আরেক মুখ্য নেতা শুভেন্দু অধিকারীও তার কথাবার্তায় কিছুটা নমনীয় হয়েছেন। আগে উগ্র হিন্দুত্ববাদী প্রচারণা চালালেও বিহার নির্বাচনের পর তিনি বলেন, ‘বিজেপি কখনো মুসলিমবিরোধী নয়। আমরা শুধু অনুপ্রবেশকারী ও রোহিঙ্গাদের বাদ দিতে চাই, দেশের মুসলিমদের নয়।’

বিজেপির দাবি, তারা কেবল ‘অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী ও রোহিঙ্গাদের’ বিরোধিতা করছে, রাষ্ট্রভক্ত বা ভারতীয় মুসলিমদের নয়।

বিতর্ক ও সমালোচনা
বিজেপির ‘রাষ্ট্রভক্ত মুসলিম’ শব্দগুলোকে কটাক্ষ করেছে তৃণমূল ও সিপিএম। সিপিএম নেতা মোহাম্মদ সেলিম বলেন, ‘রাষ্ট্রভক্ত কে, তা কে ঠিক করবে? বিজেপির সঙ্গে থাকলে সে রাষ্ট্রভক্ত, না থাকলে দেশদ্রোহী—এই নীতি চলছে।’

২০২৬ সালের ভোটে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির এই নতুন মুসলিম–প্রচার কৌশল কতটা সফল হবে, তা সময়ই বলে দেবে।

সূত্র: জাগো নিউজ
এনএন/ ৩০ নভেম্বর ২০২৫


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

ভোটের আগে সুর বদল করলো পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

ভোটের আগে সুর বদল করলো পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১২:২২ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] কলকাতা, ৩০ নভেম্বর – ভোটের আগে সুর বদল করলো পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি। আগে কট্টর হিন্দুত্ববাদী প্রচারণা চালালেও এখন তারাই নিজেদের ‘মুসলিমপ্রেমী’ বলে দাবি করছে।শনিবার (২৯ নভেম্বর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এক নিবন্ধে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন সামনে রেখে ভোট কৌশলে বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। বিহার বিধানসভা নির্বাচনে সাফল্যের পর এবার পশ্চিমবঙ্গে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে মুসলিম ভোটারদের প্রতি নরম অবস্থান ও আলাদা প্রচারে নেমেছে দলটি।সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা পুনর্বিবেচনা (এসআইআর) নিয়ে বিহারে ‘অনুপ্রবেশকারী’ উচ্ছেদের দাবি তুললেও, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি বলছে, তারা ‘রাষ্ট্রভক্ত মুসলিমদের’ বিরুদ্ধে নয়।বিজেপির এক শীর্ষস্থানীয় নেতা বলেছেন, বিহারে এবার আমরা মুসলিম ভোটও পেয়েছি। তাই পশ্চিমবঙ্গেও তা সম্ভব।কেন পাল্টালো বিজেপির কৌশল?বিশ্লেষকদের মতে, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক চরিত্র এক নয়। বিহারে জাতিগত সমীকরণ বড় ভূমিকা রাখলেও পশ্চিমবঙ্গে ধর্মীয় মেরুকরণ তুলনামূলক দুর্বল। সেখানে প্রায় ৩০ শতাংশ মুসলিম ভোটার, যাদের প্রভাব রয়েছে বহু আসনে। ২০২১ সালের বিধানসভা ও ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে এই ভোটের বেশিরভাগই গেছে তৃণমূল কংগ্রেসের ঝুলিতে।হঠাৎ সুর বদলরাজ্য বিজেপির নতুন সভাপতি সমীক ভট্টাচার্যের কথায়, ‘গত তিন বছরে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহতদের অধিকাংশই মুসলিম, এবং মুসলিমরাই মুসলিমকে হত্যা করছে। অন্য কোনো রাজ্যে এটা হয় না। শুধু মসজিদ-মন্দিরের কথা শুনে কতদিন চলবে?’একই সঙ্গে দলের আরেক মুখ্য নেতা শুভেন্দু অধিকারীও তার কথাবার্তায় কিছুটা নমনীয় হয়েছেন। আগে উগ্র হিন্দুত্ববাদী প্রচারণা চালালেও বিহার নির্বাচনের পর তিনি বলেন, ‘বিজেপি কখনো মুসলিমবিরোধী নয়। আমরা শুধু অনুপ্রবেশকারী ও রোহিঙ্গাদের বাদ দিতে চাই, দেশের মুসলিমদের নয়।’বিজেপির দাবি, তারা কেবল ‘অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী ও রোহিঙ্গাদের’ বিরোধিতা করছে, রাষ্ট্রভক্ত বা ভারতীয় মুসলিমদের নয়।বিতর্ক ও সমালোচনাবিজেপির ‘রাষ্ট্রভক্ত মুসলিম’ শব্দগুলোকে কটাক্ষ করেছে তৃণমূল ও সিপিএম। সিপিএম নেতা মোহাম্মদ সেলিম বলেন, ‘রাষ্ট্রভক্ত কে, তা কে ঠিক করবে? বিজেপির সঙ্গে থাকলে সে রাষ্ট্রভক্ত, না থাকলে দেশদ্রোহী—এই নীতি চলছে।’২০২৬ সালের ভোটে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির এই নতুন মুসলিম–প্রচার কৌশল কতটা সফল হবে, তা সময়ই বলে দেবে।সূত্র: জাগো নিউজএনএন/ ৩০ নভেম্বর ২০২৫ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×