হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের মর্গে মৃত তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত যুবক গ্রেপ্তার

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫, ১০:৩৫ অপরাহ্ন


ময়মনসিংহ, ২২ অক্টোবর – ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের (মমেক) মর্গে এক মৃত তরুণীকে (২০) ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আবু সাঈদ (১৯) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে সংশ্লিষ্ট মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ময়মনসিংহ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে গত ২০ অক্টোবর দুপুর দেড়টার দিকে মমেকের মর্গে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত আবু সাঈদ হালুয়াঘাট উপজেলার খন্দকপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. জয়নাল আবেদীনের ছেলে। তিনি হালুয়াঘাট থানা পুলিশের লাশবাহক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

আরও পড়ুন

সাগর-রুনি হত্যা মামলা: উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্সকে আরও ৬ মাসের সময় দিলেন হাই কোর্ট

থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ অক্টোবর হালুয়াঘাট উপজেলার ঘোষবেড় এলাকার ওই তরুণী ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেন। এ ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য লাশবাহক আবু সাঈদকে মাহেন্দ্রযোগে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। সেখানে মৃতের স্বজনরা না থাকায় সুযোগ বুঝে আবু সাঈদ মৃত তরুণীকে ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক হালুয়াঘাট থানা পুলিশকে জানান- মৃত তরুণীর যৌনাঙ্গে তাজা বীর্য পাওয়া গেছে। ধারনা করা হচ্ছে- মৃত তরুণীর সঙ্গে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।

এমন তথ্যে মামলার বাদী হালুয়াঘাট থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. জামাল মিয়া গোপন সোর্সের মাধ্যমে ধর্ষণের সত্যতা জানতে পেরে গতকাল (২১ অক্টোবর) আবু সাঈদকে হালুয়াঘাট পৌরসভার পাঠাগার মোড় এলাকা থেকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এ সময় আবু সাঈদ ধর্ষণের সত্যতা স্বীকার করেন বলে জানান উপপরিদর্শক (এসআই) মো. জামাল মিয়া।

কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শিবিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় হালুয়াঘাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. জামাল মিয়া বাদী হয়ে অভিযুক্ত আবু সাঈদকে আসামি করে কোতোয়ালি মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণ মামলা করেছেন। ওই মামলায় আসামিকে আদালতে পাঠানো হলে সেখানে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের মর্গে মৃত তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত যুবক গ্রেপ্তার

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের মর্গে মৃত তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত যুবক গ্রেপ্তার

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫, ১০:৩৫ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ময়মনসিংহ, ২২ অক্টোবর – ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের (মমেক) মর্গে এক মৃত তরুণীকে (২০) ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আবু সাঈদ (১৯) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে সংশ্লিষ্ট মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ময়মনসিংহ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।এর আগে গত ২০ অক্টোবর দুপুর দেড়টার দিকে মমেকের মর্গে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত আবু সাঈদ হালুয়াঘাট উপজেলার খন্দকপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. জয়নাল আবেদীনের ছেলে। তিনি হালুয়াঘাট থানা পুলিশের লাশবাহক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ অক্টোবর হালুয়াঘাট উপজেলার ঘোষবেড় এলাকার ওই তরুণী ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেন। এ ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য লাশবাহক আবু সাঈদকে মাহেন্দ্রযোগে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। সেখানে মৃতের স্বজনরা না থাকায় সুযোগ বুঝে আবু সাঈদ মৃত তরুণীকে ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক হালুয়াঘাট থানা পুলিশকে জানান- মৃত তরুণীর যৌনাঙ্গে তাজা বীর্য পাওয়া গেছে। ধারনা করা হচ্ছে- মৃত তরুণীর সঙ্গে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।এমন তথ্যে মামলার বাদী হালুয়াঘাট থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. জামাল মিয়া গোপন সোর্সের মাধ্যমে ধর্ষণের সত্যতা জানতে পেরে গতকাল (২১ অক্টোবর) আবু সাঈদকে হালুয়াঘাট পৌরসভার পাঠাগার মোড় এলাকা থেকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এ সময় আবু সাঈদ ধর্ষণের সত্যতা স্বীকার করেন বলে জানান উপপরিদর্শক (এসআই) মো. জামাল মিয়া।কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শিবিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় হালুয়াঘাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. জামাল মিয়া বাদী হয়ে অভিযুক্ত আবু সাঈদকে আসামি করে কোতোয়ালি মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণ মামলা করেছেন। ওই মামলায় আসামিকে আদালতে পাঠানো হলে সেখানে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×